পাখি দেখও- পাখি ধরও লালসায় স্বপ্ন দেখা ভাব করও'; মন পাখির লীলা খেলা বুঝও না- কোন দিন যে উড়ে যাবে-সে কথা ভাবও না; সময়ের গণ্ডি হিসাবের খাতায় পুণ্য সাজ নাই- নাই- জ্ঞান বুদ্ধি শূন্য মেঘে সূর্য ডুবে সন্ধ্যা তারায়- কি আর চাই; ফোন নাই- ঠিকানাও না কোন কিছুই আর পেলাম না তবু পাখি ঘর ডিঙ্গে… [বিস্তারিত]

আলমগীর সরকার লিটন
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৮ মাস ৬ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ২১৮টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৩৬১৭টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ১৫৫৪টি
কোন সময় এসে যাচ্ছে রে ভাই যুদ্ধ- যুদ্ধ খেলা, বাঁচার ইচ্ছা নাই; ভগে যাচ্ছে শুধু দেশ মাটির প্রেম! তবু ঈশ্বর নেই- তাদের মনে শুধু রক্তচক্ষু খেলার ফ্রেম; অথচ বংশের মধ্যে দেখেনি কখন বড় অপারেশন চলে গেলো বুকের মধ্যভাগে দিয়ে; ভবিষ্য বুঝি ভয়ঙ্কর- তবু সাবধানতার দোসর খুব ভাবছি অভাব! অতঃপর শেষ হোক যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলার অভিশাপ। ২৩… [বিস্তারিত]
তুমি তো আঁধার দেখো বেশ! তোমার পা নেই তবু ছুটছো- বহুদূর; সৃষ্টি দেখো তোমরা নতুন কিছু আলোকিত কর বিশ্বময়- এ ধরণি সাদা মেঘ মুখ উজ্জ্বল কর; অসহায় নয় দৃষ্টান্তর রেখে যাও- ইতিহাস কিংবা এক বুক চির বিস্মরণ! তোমরা স্রষ্টার অভিশাপ নয় সর্বময় কল্যাণকর আশীর্বাদ। ২০ শ্রাবণ ১৪২৯, ০৩ আগস্ট ’২২ [বিস্তারিত]
হাসির দাঁতে- চাঁদ ঢেকেছে ঠোঁট; মাটির পরশ আর কতখানি দোসর সবই মাথার মুকুট ঝলসে উঠে- নদীর পার কিংবা নদের বালুচর হাসির কান্না এক অদ্ভুত গোধূলি বেলা সন্ধ্যা যেনো আনন্দ মুখর ভোরের প্রত্যাশা অথচ চোখ নুনের খনি সম্পদ; নীরবে দীর্ঘশ্বাস গোপনে হেঁটে চলা- কতদূর প্রণয়ের দোসর, সোনালি দেহের খেলা, সংসার শ্রাবণ প্রাসঙ্গিক শেষ বেলা। ১৭ শ্রাবণ… [বিস্তারিত]
মধ্য মাঠে কবিতার অসুখ নেই; কেবলি কবির অসুস্থতা প্রায় দুর্চিন্তার মাঝেও কবিতা হেঁটে যায় যেতে যে হবে মিষ্টি ভাবনায় এযে কবির সুনিশ্চিত প্রত্যয় ফুল; ওপারে ওশর কতটুকু বা গন্ধ ছড়াবে কবিতা ভাল করে জানেন- অথচ কবির অসুখের খবর রাখেন না মেঠো পথের ধূলি বালি কবিতার সৌন্দর্য মুখ! তবু দোয়ার মাঝে থাকেন কবিতার সুখ। ১১শ্রাবণ ১৪২৯,… [বিস্তারিত]
সামনে আঁধারের কথা শুনলে মেনে নেয়া কষ্ট সাধ্য হয়- তবু কখন যে আঁধার আসে কেউ কি বলতেও পারে না; সবাই কেমন করে অপেক্ষায় থাকে! এক নদীর নোনা জল খুব বুঝি অথচ এতটাই সত্য ঘটনা ঘটে- কিছুক্ষণ আরাধনায় বসি; তারপর দূরের চাঁদ কাছে নিয়ে আসি আলপনা জল্পনা এই শেষ- প্রভাতফেরি শিশির সিক্ত আর দেখি না এভাবেই… [বিস্তারিত]
গোছাপরা মুখে মাঝে মাঝে পবিত্র শব্দের এলার্জি ধরে; পশ্চিমা গোলাপের ঘ্রাণ বুঝে না প্রতিবাদির কৃষ্ণচূড়া মিছিল রাস্তার মোড়ে মোড়ে রাঙিয়ে যায় সেটাও বুঝে না- ঈশ্বরের ভয় নেই- কি করে থাকবে তারা তো গোছাপরা প্রাণী; আমাদের বিচার আছে কি দরকার? পাপের দুর্গন্ধ সুবাস কাউকে ছাড়বে না- একদিন অনলে ভ্রষ্ট হবে গোছাপরা মন। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ ১১… [বিস্তারিত]
গাও পোড়া গায়ে কবির আর্তনাদ আর কবিতার মনে রক্তাক্ত বুক; হাট বাজারের মুখে কি যে হট্টগোল যত অরাজনীতিক বাক্য মেঘের দর কষাকষি বৃষ্টি বাদল এতো বুঝেই না যত বিদ্বেষী চিন্তা কবিতার এক গলা আমজনতার মনে প্রেম নদে বালুচর আর রাস্তার মোড় ধূলি বালি মিছিলের রব! বর- বর ভাঙ্গছে মাটি ঝর্ণাধারার পাশে কবির হলো চৌকাঠে ঠিকানা!… [বিস্তারিত]
গভীর রাতে যখন প্রেম খুঁজে পাই না- তখন স্বার্থের মন বন্দর যে হারাই; সত্যই কি প্রেম খুঁজে আর পাই? হয় তো বা পাকা ফসল কাটার জন্য কিংবা জমি নিড়ানি দেওয়ার জন্য- প্রয়োজনতার কারণেই শুধু প্রেম খুঁজা! সত্যই মন বন্দরে বেঁধে রাখে না আপন স্বত্ব কিংবা ভুলে যাওয়ার আত্মপ্রবঞ্চনা; তবু- তবু ভুলেই গেছি প্রথম প্রেম-এখন প্রয়োজনের… [বিস্তারিত]
জলের ঢেউ মনের মাঝে- কে দেখে- কে দেখে? সাদা মেঘের আকাশ- শুধু বৃষ্টি ভিজা মাটি! কৈই মাছে, সাঁতার কাটে চেং মাছে আরে লাফে; পুকুর ঘাটে সোনালি রোদ কাঁতলা মাছের ঝাকের পোদ- চক্ষু জুরাই, দুঃখ সরে না জোছনা রাতে রঙধনু মনের মাঝে সাজে- আরে চেং মাছে লাফে। ৯জৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৩ মে ২২ [বিস্তারিত]
জলে তীব্র সাঁতার শিখা হচ্ছে! চারপাশ এখন পাকা পোক্ত সাঁতারু; ঢেউ ভাঙ্গাবে, সাগরে ঝাঁপ দিলে- ডাঙ্গা য় খেলা হবে- যত সব খেলা! দিবাস্বপ্ন এখন মুখরিত আকাশ মাটি ভূমি কম্পনের আতঙ্ক শুধু কান ভারি। তবু সাঁতার শিখা বড়ই মুশকিল ঘাট নাই পুকুর নাই জলের ঢোলও নাই একতারাই বাজাব; নিজের সাগরে নিজেই দেই ঝাঁপ- পাড়াপড়শী দেখে পাচায়… [বিস্তারিত]
ঈদ দেখে আসলাম! কিন্তু ঈদের গায়ে ছুঁইতে পারলাম না- আফসোস গলা খানিক হাঁটু পর্যন্ত; অথচ তীব্র বৃষ্টিতে ভিজলাম- কিন্তু মন চক্ষু এতখানি ভিজল না ঈদের মতো রাস্তা, ঘাট আর চলে না শুধু আনন্দময় অম্লান করল রক্তাক্ত কিছু উঠন দেখে- দেখে- তবু ঈদ -ঈদ- ঈদ মোবারক! দেহ মন ভরে যাক শুভবুদ্ধির কামনায়। ২৫বৈশাখ ১৪২৯, ৮ মে… [বিস্তারিত]
ধূসর ইচ্ছার কোন বাপ মাও নাই, তাই ইচ্ছা সাজাই অনেক কিছুই; জলের সাথে ইচ্ছার গভীর সম্পর্ক কেউ জানুক আর নাই বা জানুক- পরশ কমল বয়ে যায় ইচ্ছার জল; মন থাকুক আর নাই বা থাকুক- বুকতে জলের খেলা, ঢেউ ভাঙে ইচ্ছা অথচ ফুরায় না রঙের হাড়ির কিচ্ছা! ওরা গল্প শুনাই,ফড়িংর নাচ দেখাই- কখন মাটিতে ফেলি ইচ্ছার… [বিস্তারিত]
জনসমুদ্রে কবি বলে কথা! তবু মনের যাতনা কবিতা বুঝেই না; লাশের পর দুই এক জন ঠোঁট নড়াবে, ফিস ফিস করে কথা বলবে এই হলো মানব সভ্যতার হাল চাল- মরার আগে কেউ প্রণয় দেখায় না! শুধু মরিচের মাঠ চোখে দেখে অথচ সোনালি ধানের মতো কেউ ভাবল না কি হবে কবিত্ব, ফিঙের পাখির মতো; উড়াউড়ি করলেই হবে-দেখে… [বিস্তারিত]
হাওয়া নড়বড় করে রে মানুষ হাওয়া নড়বড় করে- আকাশ থেকে তারা ছুটে রে মানুষ আকাশ থেকে তারা ছুটে- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না রে মানুষ একলা জেগে রই রে মানুষ; মাটির সাথে সাজানো মেঘ বাড়ির মায়া শূন্যেই হাওয়া বৃষ্টি ছুট কায়া- ঘাস ফুল ঘাস ফড়িং দেরে চঞ্চল উড়া এখন কি আর সভ্য মানুষের হয় না… [বিস্তারিত]















