জাদিপাই ঝর্ণা…..এর সৌন্দর্য প্রকাশ করার মত ভাষা আমার কাছে নেই..

গত চারদিনে হাঁটতে হাঁটতে সবাই ক্লান্ত । বান্দারবান- রুমা- বগালেক- লংথাওসি-রুমানা পাড়া হয়ে পাসিং পাড়া এসে আস্তানা গাড়লাম সন্ধ্যায়। পাসিং পাড়া হল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বসতি। পাসিং’দার বাসায় ঢাকা থেকে আসা একটা গ্রুপ, তাই উনি পাড়ার অন্য এক বাসায় আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন । হাসান ভাইকে রান্নার দায়িত্ব দিয়ে আমরা শুয়ে পরলাম বাঁশের মেঝেতে। হটাত [বিস্তারিত জাদিপাই ঝর্ণা…..এর সৌন্দর্য প্রকাশ করার মত ভাষা আমার কাছে নেই..]

জিংসাম সেইতার…পাহাড়ী কন্যার নীরব আর্তনাদ

সাত সকালে বগা লেক থেকে হাটা দিলাম আমরা ১০ জন । চিঙরি ঝরনা দেখে সাজু আর যাকি ভাই ফিরতি পথে চলে গেল । ৮ জন সামনে এগিয়ে চললাম । দারজিলিং পাড়ায় এসে বসে পরলাম ক্লান্ত হয়ে । দোকানের মালিক বল্ল কেওকারাডাং না উঠে পাস দিয়ে নেমে গেলে অনেক সুন্দর এক্টা পাড়া আছে লুংথাউছি নামে । [বিস্তারিত জিংসাম সেইতার…পাহাড়ী কন্যার নীরব আর্তনাদ]

সৌন্দর্যের রাণী অমিয়াক্ষুম এ কিছু সময়…

আমি ২০১১ এর শেষদিকে এই জায়গার ছবি দেখি একজনের এ্যালবামে….পুরাই মাথা নষ্ট করার মতন জায়গা….রাতে ঘুমের ঘোরে ঔ পাথুরে দেয়ালের মাঝে দিয়ে ঘিরে রাথা পানির উৎসে ভাসতে থাকি বাঁশের ভেলায়…..কবে বাস্তবে যাব সেই চিন্তায় আমার ছুটির দিনগুলো অতিবাহিত হতো……হঠাৎ একদিন ক্যালেন্ডারের পাতায় দেখলাম বুধবার সরকারী ছুটি….বৃহস্পতিবার কোনমতে অফিস খেকে ছুটি নিতে পারলেই কেল্লাফতে… 🙂 ….শুরু [বিস্তারিত সৌন্দর্যের রাণী অমিয়াক্ষুম এ কিছু সময়…]

কৈশরের দুরন্তপনা…..

আমার শৈশবের পুরোটা সময় কেটেছে চট্রগ্রামের লালখান বাজারে । চারিদিকেই ছিলো পাহাড় । রাস্তার বিপরীতে নানুর বাসা । ক্লাস ওয়ান এ পড়ার সময় শীতকালে বাধ্যতামূলক জগিং এ বাটালি হিলে যেতে হতো নানার সাথে , সঙ্গী ছিলো একক্লাস বড় ছোট মামা । ছোট মামা অদ্ভুৎ  এক আবেগী মানুষ ।  শুক্রুবার ভোরে দুজনে চলে যেতাম মেহেদিবাগের ভেতরে [বিস্তারিত কৈশরের দুরন্তপনা…..]