একটা নদী বুকের ভিতর ছিল, রুপালী মাছের ঝাঁকে উচ্ছ্বসিত প্রেম ছিল, স্রোতিস্বিনী রমণীর গন্ধ মেখে হয়েছিল তীব্র মাতাল, আমি চাঁদের আলোয় ছায়ার মানুষ ছিলাম, এবং মানুষেরা প্রকৃতই জানেনা সাঁতার, তবুও শৃগালের মতো জেনেছি প্রেমে নেই পাপ, সাঁতার না জেনেও দিতে পারি গহীন নদীতে ঝাঁপ, বদ্ধ ঘরের মতো চারিপাশে জ্বলজ্যন্ত অন্ধকার, এখন মাছেরা নেই! এখন ঘুমেরা… [বিস্তারিত]

সৌবর্ণ বাঁধন
- নিবন্ধন করেছেনঃ ৬ বছর ৩ মাস ১৩ দিন আগে
- পোস্ট লিখেছেনঃ ৭৩টি
- মন্তব্য করেছেনঃ ৬৪৪টি
- মন্তব্য পেয়েছেনঃ ৪৬৩টি
প্রিয় পোস্টঃ ১টি
২৯ জুলাই, ১৯৮১ সাল, সমগ্র গ্রেট ব্রিটেন জুড়ে রাস্তায় নেমে উল্লাসে ফেটে পড়েছিল ব্রিটিশ জনগণ। বাকিংহাম প্যালেসের সামনে তখন তীব্র হর্ষধ্বনি, প্রতিটি বাড়ির কোণায় ঝুলছিল ব্রিটিশ পতাকা। ইংল্যান্ডের সিংহাসনের এক উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লসের বিয়ের দিন ছিল সেটা। যাকে নিয়ে এতো আয়োজন সেই কনে তখন ব্যস্ত নিজেকে সাজাতে, হাজার হোক পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী রাজবংশের পুত্রবধূ হতে… [বিস্তারিত]
আবছায়া আলো গিলে খায় ঘাসের দুপুর, ফিরে আসা ফড়িঙের মতো গুনগুন করে নারী, নক্ষত্র ঝরে পড়ে পায়ের তালুতে; বাজে স্নিগ্ধ নুপূর, সেই সব আলো অন্ধকারে লন্ঠন হাতে ফেরে বাড়ি, তাদের পাশেই বসে ফোকলা দাঁতের প্রাচীন বিকাল, হেসে দেয় গড়াগড়ি, কতো মজলিস শেষ হলো, জড়াজড়ি করে প্রেমাসক্ত মোরগঝুটির মতো, বুকে নিয়ে বিষাক্ত ছুরির বিত্রস্ত আলিঙ্গন, মরে… [বিস্তারিত]
পালংকের পাখার নীচে ফোঁসফাঁস করে চন্দ্রবোড়া সাপ, মোহিনী চন্দ্রোৎসবে টের পাও কি সেই উত্তাপ? দেবীর বাহনের মতো যুদ্ধবিমান গুলো করে আগুপিছু, জেসমিন ফুল হাতে পোড়ায় প্রজাপতি ক্রুশবিদ্ধ শিশু! এমন ভৌতিক ভাবে গড়াচ্ছে কয়েকশ দিন ও রাত, জীবন্মৃতের দল ঘুমঘোরে আউড়াচ্ছে- ‘দিওনা আঘাত! দরোজায় উঁকি দেয় প্রায়ই এক অভিশপ্ত প্রপাতের জল, আমার হাতের ফাঁকে গলে গলে… [বিস্তারিত]
তোমাদের দেখাদেখি আমিও প্রায়ই ঢুকি, সুদৃশ্য মার্বেলের মতো কাঁচের জারে, দূর থেকে মনে হয় ওখানে সবাই শুধু হাসে, আলো আর আলেয়ার ঝংকারে! সবাই হাসে, গোল্ডফিস, ওরান্ডা, ক্যাটফিস, অথচ ভিতরে শুধু শোকসন্তাপের হিসহিস, সবটুকু জল মাছেদের কান্নার ফসল, যদিও ফেসবুক ভরা হাসিমাখা অসংখ্য মুখ, দিনান্তে সেটাও তো দিলনা কোনই সুখ! অমাবস্যার রাতে নিভে যাওয়া দীপাবলি, সংগোপনে… [বিস্তারিত]
তার সাথে দেখা হয়েছিল প্রমত্ত নদীর মৃত্যুর দিনে, সে বহুকাল হয় বহুদূরে বিলীয়মান ছায়াপথে থাকে! অথচ এখনো আমি দিব্যি বেঁচে আছি শূন্যে! মাঝে মাঝে গর্জন করে মস্তিষ্কের বিক্ষুব্ধ টাইটান, দু চারটা ফাটল বয়ে আনে লোহিত লাভায় তীব্র টান! তখন কিছুক্ষণ জ্যান্ত ফুল হয়ে বসে থাকি নির্ভুল, মেঘেরাও জেনেছে ফেসবুকের কল্যাণে- আত্মার আরেক নাম আগুনের মতো… [বিস্তারিত]
নয়নতারার নয়নে নয়নে সূর্য্য ভেসেছে আজ, এমন আগুনে পুড়তে বলো কার না জাগে সাধ, আজ বন্ধ থাকুক প্রেমের বাসর, বন্ধ থাকুক রুটিন মেনে দিনের সকল কাজ! জীবন যেখানে চুপ সেখানেও আকাশ থাকে, থাকে অস্তিত্বে মৃতদের তীব্র কম্পন, চলে যায় যারা না জানিয়ে হুট করে একদিন, তাদের শিডিউলেও থাকে সুদীর্ঘ ভ্রমণ! হয়তো ভাসছি সঙ্গীতের লয়ে বাতাসে… [বিস্তারিত]
শোন মেয়ে! স্মৃতি তো পুতুল খেলা, কতো আজব চিড়িয়া এসে বসায় রঙ্গিন মেলা! কেউ মাটিতে কঠোর! কেউ পাথরে কোমল! কেউ ভাস্কর্যে গম্ভীর! কেউ প্লাস্টিকে ম্যানিকিন! কেউই তো পারল না দিতে সুখের খবর, জনমে যময পেলে দুঃখ তার নাম, কিভাবে ছাড়বে বলো সেই তীব্র ভার! মাঝে মাঝে কাঁদ, হুহু করে কাঁদ দুপুরের মতো রাতের গভীরে, গালের… [বিস্তারিত]
মস্তিষ্কের প্রতিটি নিউরন কোষে, উঠলে নক্ষত্রের জন্মের মতো বিধ্বংসী প্রলয়, শীতল বিকালে শরতের শিশিরে ভেজা কফি, স্মৃতিতে জড়ানো ঘুম হয়তো উড়াতে চায়, তবুও কি তা কখনো শান্ত হয়! বালুর সৈকতে নক্ষত্রেরা মরে যেতে যেতে, বলেছিল আর জনমে জন্মাবে অবন্তীতে, বহুবার চেয়েছি তো ভুলে যেতে, তবু কি তা ভোলা যায়? তুমি রাজহংসীর মতো এমন উজ্জ্বল একজন,… [বিস্তারিত]
যদি নিঃসঙ্গতা দিবে নিরবধি, একাকীত্ব মেরু বরফের মতো হবে স্ফটিকে স্তূপীকৃত, তবে কেন আসে চৈত্রের বাতাসের মতো, প্রেমের আভাস! কেন আসে পাখি পরিযানে যদি নাই থাকে আর ঘর, প্রভু কার কাছে খুঁজে পাব এই বিচিত্র প্রশ্নের উত্তর? একটি সাগর পোড়ে, পরিত্যক্ত জাহাজ খরতাপে উত্তাল, বাদামী মেঘেরা উড়ে তবু মনে জ্বলছে মনস্তাপ! যদি বেলাভুমি নাই ছোঁবে… [বিস্তারিত]
তুমি উত্তর মেরুতে বসে আছ, বরফের চাদর ও বালিশ জমে আছে, আমিও দক্ষিণ মেরুতে অকারণে ঘোরাঘুরি করছি, নেতিয়ে পড়া সিগারেটে, ফসকে যাচ্ছে বন্দুকের মতো লাইটার! আমাদের মাঝখানে, পৃথিবীটা একটানা ঘুরছে আর ঘুরছে, বহুদিন ঘুমায় না বোধ হয় সে! একই রঙের ছাদ তোমার আমার, অথচ কতোটা দূর ভাবো একবার, ছুঁতে গেলে পৌছায়না হাত! দেয়ালে দেয়ালে উঁকি… [বিস্তারিত]
যদি খুব বেশি ভুল বোঝ বিক্ষুব্ধ মধ্যরাতে, চলে এসো তুমি এক্ষুণি এইখানে, বুকের পাঁজরে রাখা আছে অক্ষত ফুলদানি, মস্তিষ্কের ইনবক্সে জমা অতগুলো ফুল, দুজনেই সন্তর্পণে বের করে আনি! বাসন্তী শাড়ির মতো তীব্র হলুদ, অথবা লগ্ন দিনে জ্বলে থাকা বেনারসি লাল, তুমি আজো সঙ্গোপনে যাদের দিচ্ছ সামাল, বের করে আনো! পান করে যাক তারা পূর্ণিমার মতো… [বিস্তারিত]
তর্কালংকারের তর্কের ঝড় সাপের মতো প্যাঁচে শিশুতোষ পা দুটি নিয়েছিল বেঁধে! ধারাপাতে নামতার সিঁড়ি দিয়েছিল দুহাতে ধরিয়ে, কয়েক হাজার লাইনের শর্তাবলী! গ্যালারির দর্শক কেবল তখন হাততালি দিয়ে বলেছিল, এইবার শিশু তুমি কচি পাতাদের মতো উঠো বেড়ে! আমিতো উঠেছি বেড়ে ঠেলে আকন্ঠ জঞ্জাল আপ্রাণ, তবে আমি ঠিক গাছেদের মতো হতে পারিনি! শুনি গাছেরা বলাবলি করে আমার… [বিস্তারিত]
ফ্রিদা কাহলোর পিতা গিলার্মো কাহলো হাঙ্গেরিয়ান বংশোদ্ভূত জার্মান ইহুদী ছিলেন। মা ছিলেন মেক্সিকান ইন্ডিয়ান বংশোদ্ভূত মেস্টিজো। ছয় মেয়ের মধ্যে সব চেয়ে বেশি পছন্দের জনকে ডাকতেন প্রিয়তমা ফ্রিদা নামে। গিলার্মো শৌখিন মানুষ ছিলেন, পিয়ানো বাজাতেন, দর্শন চর্চা করতেন, ছবি আঁকাতেন, ফটোগ্রাফিও করতেন। ছয় বছর বয়সে পোলিওতে আক্রান্ত হলে ফ্রিদার ডান পা শুকিয়ে যায়। এই বিকলাঙ্গতা তার… [বিস্তারিত]
সাদা কালো যুগ পার হয়ে গিয়েছে সেই কবে! মহাকাল সেই সব মুভি বা তাদের চরিত্রদের অনেককে হয়তো ভুলেই গিয়েছে। আমাদের মানসপটেও নেই তাদের সবার স্মৃতি। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে এমনটা নয়! স্যার চার্লস স্পেন্সার চাপলিন এমন একজন অভিনেতা। নির্বাক চলচিত্র যুগের এই মহানায়ক ছিলেন তৎকালীন পৃথিবীর রূপালী পর্দার আইকন। শরীরের মাপের তুলনায় চাপা কোট, ছোট্ট হ্যাট… [বিস্তারিত]













