মতিন মিয়া (০৫)

আরে সাজু ভাই যে। আজ এতো সকালে? কি মনে করে? মতিন মিয়া, বিয়া সাদি তো করিনি,কি আর করবো বলেন? ভালো লাগছিলো না বাসায় একা একা। আর এমনিও আজ ছুটির দিন মতিন মিয়া। তাই সকাল সকাল চলে আসলাম। আপনার সাথে আজ অনেক্ক্ষণ আড্ডা দিবো তাই। আচ্ছা বসেন। সাজু ভাই আমারও একটা পরিবার আছে। আমারও বাবা মা [বিস্তারিত মতিন মিয়া (০৫)]

মতিন মিয়া (০৪)

মনটা ভালো নেই আজ। আচ্ছা মতিন মিয়ার কাছে গেলে হয়তো মনটা ভালো হয়ে যাবে। যাই মতিন মিয়ার কাছে যাই। এইতো মতিন মিয়া পুকুর পাড়ে দাঁড়িয়ে আছে। মতিন মিয়া কি করেন? দেখতেছি! কি দেখেন? জানিনা। মানে? পানিতে দেখেন সাজু ভাই। কি দেখবো? কি দেখলেন? পানিতে আবার কি দেখবো? পানিতে তো পানি ছাড়া আবার কি দেখবো। কিন্তু [বিস্তারিত মতিন মিয়া (০৪)]

মতিন মিয়া (০৩)

গল্পের নামঃ মতিন মিয়া (০৩) — আর রাফি মতিন মিয়ার যুক্তি উদঘাটন করা যেন আমার নেশায় পরিনত হয়েছে। সবসময় কেন জানি তার কাছে গিয়ে তার যুক্তি উদঘাটন করতে ইচ্ছে করে। আচ্ছা এসব না ভেবে যাই তার কাছে, নতুন কিছু যদি পাওয়া যায়। এইতো মতিন মিয়া বসে আকাশে তাকায় আছেন। কিন্তু আটকাশে কি দেখেন উনি? এইযে [বিস্তারিত মতিন মিয়া (০৩)]

মতিন মিয়া (০২)

আহ, বাসায় আর ভালো লাগছে না। যাই মতিন মিয়ার সাথে একটু কথা বলে আসি। ওইতো মতিন মিয়া বসে আছে। মুখ দেখে মনে হচ্ছে কিছু একটা খাচ্ছে। যাই ওনার কাছে যাই। কি ব্যাপার মতিন মিয়া কেমন আছেন? এইতো সাজু ভাই ভালোই আছি, আপনি? জ্বি,ভালো। তো কি খাচ্ছেন আপনি মতিন মিয়া। কই কিছুনা তো, কেন? আপনার মুখ [বিস্তারিত মতিন মিয়া (০২)]

মতিন মিয়া (০১)

বেশ গরম পরছে। তাপমাত্রা ৩৫° ডিগ্রি পার হয়ে গেছে বুঝি। কাঠফাটা রোদে কোথাও জনমানব নেই। সব বিরান ভূমি মনে হচ্ছে। কিন্তু মতিন মিয়া কি যেন ভেবেই যাচ্ছে। তার কাছে গরম নেই,নেই কোন ক্লান্তি,নেই দুনিয়ার চিন্তা। সে কি ভাবে তা সে নিজেই জানে না। পাগলের থেকেও বড় পাগল সে। এই মাঝ দুপুরে এতো গরমে সে কি [বিস্তারিত মতিন মিয়া (০১)]