#পর্ব_৫৮ ভেতরে অগাধ জ্ঞানের সাগর। সমুধুরে বিরাজমান মীরার ন্যায় সুললিত কন্ঠসুর। ললাটে রাজটীকা।আঁচলে যমুনার ভাঁজ। সরবরে শ্বেত হংস সরস্বতীর রূপবাহিকা। অকাল বোধনে নতুন ছোঁয়া। স্তব্ধতার সাথে প্রহর গুনতে গুনতে আজ আমি মুহ্যমান। কাঞ্চনজঙ্গা পাদদেশ ঘিরে কুয়াশা ডাকা রাত্রি। আলো আঁধারে চাঁদের বেশ আনাগোনা। রাত্রি কোলাহলে, ডাকে ডাহুক শেষ আঁধারের কলরবে। একিভাবে শহরের বুকে আমি অনেকটা [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
দেবীর বাহন কীভাবে বেছে নেওয়া হয়??? এইবার মা আসছেন ঘোটকে বা ঘোড়ায় চেপে। দশমীর দিন তিনি ফিরেও যাচ্ছেন ঘোড়ায় চেপে। অর্থাৎ এই বছরে দেবীর আগমন ও গমন ঘোটকে। শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিতরা বলছেন,ঘোড়ায় আগমন ও গমন মোটেই শুভ নয়। ঘোড়া ছটফটে প্রাণী। সে যখন যায়, সব কিছু ছত্রভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দেবীর ঘোটকে আগমন ও গমনে [বিস্তারিত দেবী দুর্গার বাহন তত্ত্ব।]
#পর্ব_৫৬ হোটেলঘর আমার বড্ড অপছন্দের। ফ্লাটবাড়িতেই থেকে অভ্যস্ত। কিন্তু আমি নিরুপায়। তাই আপাতত কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এসব ভেবেচিন্তে কবিতা না লিখে ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম আসছে না।জানালা দিয়ে দেখছি গভীর রাতের শহর দিল্লী। পুরো শহর ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আলোকিত। আছে শহর জুড়ে প্রেমের মরশুম আছে হাজারও স্মৃতি। তবে এই দুই থেকে আমি ভিন্ন। ভিন্ন [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_৫৪ হেমন্তের কুয়াশাভেজা অর্গলিত চেতনা বিলাসে হারিয়ে যাওয়া পাখির পালক খুঁজি। আমাদের শহর জুড়ে রোজ বৃষ্টি নামে। নামে কার্নিশ বেয়ে প্রেমের মরশুম। গোধলীর সুবর্ণ রৌদ্রে অস্পৃশ্য হাতে কাশফুল ছুঁয়ে দেখেছিলাম আগমনীর বর্ণিল গন্ধ। আজ হেমন্তের সপ্তম দিবস। শীতের হিমেলতা আর ভূপৃষ্ঠে পতিত পিব প্রেমবারি আমাদের ভেদ করে চলে যায় গঙ্গার তীরে। রোদ বৃষ্টি মেখে আমাদের [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_৫২ কত আকাশগামী ইচ্ছে রোজ ঈশ্বরের বুকে প্রদীপের আলো নিভিয়ে দেয়,তা কজন বা খুঁজ রাখে? বলরাম দাদার সহধর্মীনি জয়িতা বৌদির সাথে পার্বতী শাকসবজি কাটতে ব্যস্ত। বারান্দায় হেমন্তের ভেজা কুয়াশায় শাকসবজি বেশ তরতাজা। আমি আর বিনোদ প্রাতরাশ শেষ করে বারান্দার একপাশে রৌদ্রতেজে বসে আছি। মিষ্টি সকাল সমুধুর বাতাস আর সুবর্ণ রৌদ্র। প্রতিদিনের ন্যায় আজকের সকাল ছিলো [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
সাক্ষাৎ খুব অল্প সময়ের,তবু এমনভাবে গেঁথেছে অন্তরে.. যেমন করে সাজানো প্রতিটা শব্দ ‘সোনেলার জলসিঁড়ি দিগন্তের তীরে। রক্ত ও প্রেমের সম্পর্ক ছাড়া আরও এক সম্পর্ক রয়েছে যেটাকে আত্মার সম্পর্ক বলে। আর এই সম্পর্ক কখনোই কমে না যা বাড়তে থাকে। স্বল্প পরিধির অভিজ্ঞতায় তারমধ্য সোনেলায় যেটুকু পেয়েছি এখনো অবধি, অসংখ্য লেখকের অনুভূতি দিয়ে গাঁথা অক্ষরমালা এ যেন [বিস্তারিত শুভ জন্মতিথি সোনেলা]
#পর্ব_৫০ ভাবনাপঠে আমার পিসিতো ভাই বিনোদ এক তুখোড় প্রেমিক বটে। সে অন্নপূর্ণার প্রেমে পড়েছে। নিতান্ত ভাবুক কবি আর রসালো শব্দ না থাকলে যেমন করে কবিতার ছন্দপতন হয় তাদের রোজ ছন্দপতন হলেও ইহাতে বিভ্রান্তিকর কিছু ছিলো না। প্রেমে মান অভিমান থাকবেই। কর্ম না করলে যেমন কর্মী হওয়া যায়না তেমনি প্রেম না করলে প্রেমিক হওয়া যায়না। বিনোদ [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_৪৮ কত অজস্র স্বপ্ন বুনেছি আপন নীড়ের তীরে বসে নিরন্তর। দেখেছি তারে চন্দনের বনে নীলো লোহিত স্বপ্নের কাননে। বেসেছি তাহারে ভালো আমি উদাসী শরতের মেঘমল্লার সাঁজে। কলকাতার নিস্তব্ধ পথ অতিক্রম আর গোটাকতক শহরে পার্বতীর ন্যায় দ্বিতীয় পার্বতী খুঁজে বেড়ানো আমার কাছে যে দুরূহ হবে তা আমি প্রথমে পার্বতীকে দেখেই ভেবেছিলাম। বুকে অজস্র নদী আর পহাড়সম [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_৪৬ রক্তমাংসে গড়া নবীন কিশোর যৌবনের যার পদার্পণ, উদাসী ষোড়শ শতকের বৈধব্য সমাজে যেন কালপেঁচার আত্তীকরণ। বুকে চন্দনের গন্ধ আর ষোড়শীর ভেজা চুলে পুরো শহর ঘুরে অনেক পার্বতী পাওয়া যাবে। কিন্তু পাওয়া যাবেনা তার মতো করে হেমবতী ষোড়শী,যার কাছে রয়েছে নীললোহিত অপরাজিতার মোহনীয়তা আর মৃগ কস্তূরীর মুগ্ধতার গন্ধ ছোঁয়া। নিরন্তর স্বপ্ন আর গন্তব্যহীন পথিক হয়ে [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
এক বিষণ্ন গোধূলিমাখা শরৎ সন্ধ্যায়, আকাশের ধবল মেঘের ভেলায়। এসো কবি ভালোবাসা বিনিময় করি, মুঠো ভর্তি মরশুমি ভরাখামে লিখি চিঠি। ভেজা ঘাস আর মোহাচ্ছন্ন শিশিরে, শহরের বুকে আদ্রতা নামে। পানকৌড়ের দিগন্তে,ডাহুকের নীড়ে, বৃষ্টি নামে তোমার আরশি নগরে। সূর্যস্নানে ভিজো কবি অনায়াসে, কবিতা লিখে যেও কাকভেজা কার্নিশে। শরৎ রাত্রি আর দিবাকরে যামিনী, আলোকিত পূর্ণিমা রাত্রিতে সে [বিস্তারিত নিরাধার শরৎ]
#পর্ব_৪১ রাতের জোনাকিপোকা আর নক্ষত্ররাজী জানান দিচ্ছে ঋতু গুলো ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে শহর থেকে। শিশিরভেজা ঘাসের গায়ে এসে জমেছে কত শিউলি। রাত্রি অবসান আর ভোরের আহ্বানে চোখ দুটি ঘুমন্ত।কয়েক দিবস রজনী পর শরতের শেষ অন্তিমকাল। সময় সম্মুখে একাকীত্বের তাই কপালে কত অজস্র চিন্তার ভাঁজ। কখনো কি পুরনো প্রেমে নব প্রেম উঠবে জেগে। কখনো কি [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_৩৬ রাত্রি প্রায় বারোটা। বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ছে। আজ মহানবমীর শেষ প্রহর। তাই পাড়ার অলিগলিতে লোকে লোকারণ্য। আমরা সবাই ট্রেনে বসে বসে গল্প করছি। কালীঘাট স্টেশন থেকে আমরা যাদবপুর স্টেশন এসে গিয়েছি। সেখানে যাত্রী নামার জন্য অল্প সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। তাই অনেকে অল্পসময়ে ট্রেন থেকে দ্রুত নেমে পড়ছে। স্টেশন চত্বরের একটা বিষয় [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_৩১ ক্লান্ত দুপুর আর ব্যস্ত শহরের অলিগলি শরৎ শোভায় নেমে এসেছে প্রখর রৌদ্রের জলতাপ। গঙ্গার পলি উর্বর নন্দিনী জমেছে তীরে,ভাসমান দ্বীপে পড়েছে হাজার পদচিহ্নের চাপ। কয়েক রজনী ঘুমহীন চোখে আনমনা স্বপ্ন আর ভবঘুরে ছুটে চলা। কবে ক্লান্তি দূর হবে তা যে নির্বাক। দুপুর প্রায় গড়িয়ে স্রোতধারা গঙ্গার পলিতে বহমান। গতিপথ তাহার সংকীর্ণ বিভাজন। তবুও ক্লান্তির [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_২৬ পানকৌড়ের দিগন্ত আর পত্ররন্ধ্রে জলধারা যখনতখন মৃগতৃষ্ণা খুঁজতে খুঁজতে হারিয়ে যায় কোন এক লোকালয়ে। তবুও যে যেতে হবে ভ্রমণের শেষান্তে আর নিজ নিজ নীড়ে। শতাব্দীর প্রাচীরে যাদের নাম আজও লেখা শুধু তারা স্মরণীয় নয় বরণীয় বটে। দিকপালের পরিবর্তনে মোহনীয়তার ঘোরে জমেছে কত অনুরাগ। গানের সুরে কত রাগরাগিণী বেমানান হলেও তানপুরাতে যে তাদের ছন্দমিল। পার্বতীর [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]
#পর্ব_২১ বেশ কয়েকদিন হলো আমার জ্বর কমছে না। তার সাথে বিষণ অসুস্থতায় ভুগছি। চোখে ঘুম আসেনা রোজ রাত্রিবেলা অতন্দ্র প্রহরী হয়ে বিছানায় কখনো বা বারান্দায় গিয়ে একা বসে থাকতাম। পার্বতী অনেককাল আগে বাড়ি চলে গিয়েছে। যদি সে থাকতো তাহলে আমার একটু খুঁজ খবর করত। বেশ শূন্যতার আর্তনাদে ভুগছি আমি তার স্মৃতিতে। কবে বা আর দেখা [বিস্তারিত পর্বতকন্যের ইতিকথা]