অপরূপ নিকলী হাওর

কিশোরগঞ্জ জেলা মূলত হাওর এলাকা। নিকলী হাওর ছাড়াও কিশোরগঞ্জে আরও অনেক হাওর রয়েছে। যেমন হুমাইপুর হাওর (বাজিতপুর), সোমাই হাওর (অষ্টগ্রাম), বাড়ির হাওর (মিঠামইন), তল্লার হাওর (বাজিতপুর-নিকলী-অষ্টগ্রাম), মাহমুদুর হাওর (নিকলী), সুরমা বাউলার হাওর ইত্যাদি। আমার আজকের পোষ্ট শুধু নিকলী হাওরের কিছু ছবি নিয়ে। হাওর মূলত সাগর শব্দের অপভ্রংশ মাত্র। উচ্চারণ বিকৃতিতে সাগর থেকে সায়র এবং সায়র [বিস্তারিত অপরূপ নিকলী হাওর]

বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সমাধি

মুর্শিদাবাদে গিয়ে ইতিহাস স্পর্শ করে শিহরিত হয়েছিলাম বারে বার। মনে হচ্ছিল আমার চারপাশের আকাশে বাতাসে এমনকি রাস্তার প্রতিটা ধূলিকণায় ও শুধু ইতিহাস আর ইতিহাস। তাদের মধ্যে খোশবাগে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবের সমাধি অন্যতম। মুর্শিদাবাদের ভাগীরথী নদীর উপারে খোশবাগে যিনি ঘুমিয়ে আছেন অসীম নিঃশব্দতায়। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী মুর্শিদাবাদ এর পলাশী নামক প্রান্তরে [বিস্তারিত বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার সমাধি]

ঢাকা টু চট্টগ্রাম – নরসিংদী (স্টেশন নং – ১১)

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম [বিস্তারিত ঢাকা টু চট্টগ্রাম – নরসিংদী (স্টেশন নং – ১১)]

বড় কষ্টের ছোট ঝর্ণা…….

মাংসন সাইতার বা মাসংন ঝর্ণাটা বান্দরবানের রোয়াংছড়ির রোনিন পাড়ায় অবস্থিত। রোয়াংছড়ি থেকে পাইক্ষ্যাং পাড়া হয়ে রোনিন পাড়া ৮ ঘন্টার মতো পাহাড়ি পথ। আর রোনিন পাড়া থেকে মাংসন সাইতার যেতে আরো এক ঘন্টার দুর্গম পথ। আর আমি সব সময়ই বলি দূর্গমতাই এ্যডভেঞ্চারের ভালো রসদ। তবে অসময়ে যাওয়ার কারণে এই ঝর্ণাটার যৌবন দেখা হয়নি। ঝর্ণায় পানি ছিল [বিস্তারিত বড় কষ্টের ছোট ঝর্ণা…….]

গাংচিল – ফটো ব্লগ

গাংয়ের বা নদীর উপর উড়ে বেড়ায় এমন চিল বিশেষ পাখিকেই আমরা গাংচিল বলে থাকি। অন্যান্য পোকা মাকড় খেলেও বকদের মতোই এদের প্রাধান খাদ্য মাছ। তাই গাংচিলদের সাধারণত আমরা দেখতে পাই জলাশয় নদী ও সাগরের আশেপাশে। তবে আমাদের আভ্যন্তরিন নদীতে এদের কমই দেখা যায়। বাংলাদেশে এদের সাধারণত দেখা যায় সাগরের আশেপাশে। কয়েক দিন আগে নারকেল জিনজিরা [বিস্তারিত গাংচিল – ফটো ব্লগ]

সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণ শেষ পর্ব

“সোনাদিয়া” কক্সবাজার জেলার মহেশখালি উপজেলার একটি সুন্দর দ্বীপ। এই দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৭ বর্গ কিমি.। কক্সবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে এবং মহেশখালি দ্বীপের দক্ষিনে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত। একটি খাল দ্বারা এটি মহেশখালি দ্বীপ থেকে বিছিন্ন হয়েছে। তিন দিকে সমুদ্র সৈকত, সাগর লতায় ঢাকা বালিয়াড়ি, কেয়া- নিশিন্দার ঝোপ, ছোট-বড় খাল বিশিষ্ট প্যারাবন এবং [বিস্তারিত সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণ শেষ পর্ব]

ঢাকা টু চট্টগ্রাম – জিনারদী (স্টেশন নং – ১০)

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম [বিস্তারিত ঢাকা টু চট্টগ্রাম – জিনারদী (স্টেশন নং – ১০)]

“অন্নপূর্ণা”র অন্য রূপ দেখতে সারাংকোট

নেপালের পোখারার পাহাড়ের উপর সারাংকোট এলাকাটা সারাদিন কেমন থাকে জানিনা। প্রায় পাঁচ হাজার ফুট উঁচু সারাংকোটের সানরাইজ ভিউ পয়েন্টে ভোর হতে না হতেই পর্যটকদের পদভারে ব্যাপক সরগরম হয়ে উঠে। অন্নপূর্ণা পর্বতমালার বরফ ঢাকা শ্বেত শুভ্র শরীরে সূর্যের আলোয় যে সোনালি আভা দেখা যায়, সেই মোহনীয় রূপ দেখতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভীর। অন্নপূর্ণা মানে অন্নদাত্রী বা [বিস্তারিত “অন্নপূর্ণা”র অন্য রূপ দেখতে সারাংকোট]

স্বর্গ সুন্দর ভাটিয়ারী লেক

চট্রগ্রামের ভাটিয়ারীর নাম শুনলে আমার কাছে সব সময় মনে হতো বিশাল বিশাল বিদেশী জাহাজ কাটার বিষাক্ত ধোয়া, লোহা লক্কড়ের ঝনঝনানি আর শ্রমিকদের বিরামহীন কর্ম কোলাহলপূর্ণ পরিবেশ। অথচ এই ভাটিয়ারীর পাহাড়ের উপর যে রয়েছে অসাধারণ এক নৈস্বর্গিক লেক তা আমার জানা ছিলোনা। চট্টগ্রামের দর্শনীয় যায়গার নামের তালিকায় ভাটিয়ারী গলফ ক্লাব সংলগ্ন ভাটিয়ারী লেকের নাম শুনেই ওখানে [বিস্তারিত স্বর্গ সুন্দর ভাটিয়ারী লেক]

রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ি

শিলাইদহ কুঠিবাড়ি রবীন্দ্রস্মৃতি-বিজড়িত একটি ঐতিহাসিক স্থান ও পর্যটনকেন্দ্র। ১৮০৭ সালে রামলোচন ঠাকুরের উইলসূত্রে রবীন্দ্রনাথের দাদা দ্বারকানাথ ঠাকুর এ জমিদারির মালিক হন। রবীন্দ্রনাথ জমিদারি দেখাশোনার দায়িত্ব নিয়ে প্রথম শিলাইদহে আসেন ১৮৮৯ সালের নভেম্বর মাসে। কবির যখন ভরা যৌবন এবং কাব্য সৃষ্টির প্রকৃষ্ট সময়, তখনই তিনি বিচরণ করেছেন শিলাইদহে। কখনও একাকী, কখনও স্ত্রী, পুত্র-কন্যা নিয়ে এসেছেন শিলাইদহে, [বিস্তারিত রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ি]

ফুল ফুটুক আর না ফুটুক……

আজ ঋতুরাজের প্রথম দিন। পুরনো পাতা ঝরে নতুন পত্র পল্লবে সাজবে বৃক্ষরাজি। আম্রকাননে মুকুলের শোভায় ভিন্ন রূপ পাচ্ছে প্রকৃতি। কোকিলের কুহুতানের মিষ্টি সুরে মুখরিত চারপাশ। এবার বসন্ত আমাদের এক দিন ঠকিয়েছে। আগে ১৩ ফেব্রুয়ারী আসতো এবার এসেছে ১৪ ফেব্রুয়ারী ভালোবাসা দিবসকে সাথে নিয়ে। তাতে আমাদের কিইবা যায় আাসে? আমরা কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কথার সাথে সূর [বিস্তারিত ফুল ফুটুক আর না ফুটুক……]

ঢাকা টু চট্টগ্রাম – ঘোড়াশাল (স্টেশন নং – ৯)

একদিন বিকেল বেলা কয়েক বন্ধু মিলে রেল লাইনে হেটেছিলাম, আশেপাশের চমৎকার পরিবেশ ও গ্রাম্য প্রকৃতি আমাকে পাগল করেছিল, তারপর আরো কিছু পাগলের সাথে শলা-পরামর্শ করে বেড়িয়ে পড়ি রেল লাইনে হেটে হেটে গ্রাম বাংলাকে দেখার জন্য। এবং সিদ্ধান্ত নেই ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেল লাইন ধরে হাটবো। এটাই ছিলো আমাদের রেল লাইন পরিকল্পনা, ইতিমধ্যেই আমরা চট্টগ্রাম [বিস্তারিত ঢাকা টু চট্টগ্রাম – ঘোড়াশাল (স্টেশন নং – ৯)]

মেঘালয়ের কারাংছড়ি ঝর্ণা

কারাংছড়ি নামটা একেবারেই নতুন লাগছে? অস্বাভাবিক কিছু না। মেঘালয়ের পশ্চিম জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার ভেতরে অবস্থিত চমৎকার এই নীল জলের ঝর্ণা। খুব বেশীদিন হয়নি এই ঝর্ণাটা আবিস্কৃত হয়েছে। তাই আগে মেঘালয়ে গেলেও এটার নাম শুনিনি। আর কিছুদিন আগে মেঘালয়ে যাওয়া আমাদের ভ্রমণ বাংলাদেশ টিমের কাছে নাম শুনে ও ছবি দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি ওখানে যেতেই হবে। [বিস্তারিত মেঘালয়ের কারাংছড়ি ঝর্ণা]

সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণ -৩

“সোনাদিয়া” কক্সবাজার জেলার মহেশখালি উপজেলার একটি সুন্দর দ্বীপ। এই দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৭ বর্গ কিমি.। কক্সবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে এবং মহেশখালি দ্বীপের দক্ষিনে সোনাদিয়া দ্বীপটি অবস্থিত। একটি খাল দ্বারা এটি মহেশখালি দ্বীপ থেকে বিছিন্ন হয়েছে। তিন দিকে সমুদ্র সৈকত, সাগর লতায় ঢাকা বালিয়াড়ি, কেয়া- নিশিন্দার ঝোপ, ছোট-বড় খাল বিশিষ্ট প্যারাবন এবং [বিস্তারিত সোনাদিয়া দ্বীপ ভ্রমণ -৩]

সংরক্ষিত সাতছড়ির অরণ্যে

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক উদ্যান। ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ/সংশোধন আইনের বলে ২৪৩ হেক্টর এলাকা নিয়ে ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে “সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান” প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই উদ্যানে সাতটি পাহাড়ি ছড়া আছে, সেই থেকে এর নামকরণ সাতছড়ি (অর্থ: সাতটি ছড়াবিশিষ্ট)। সাতছড়ির আগের নাম ছিলো “রঘুনন্দন হিল রিজার্ভ ফরেস্ট”। এই জাতীয় উদ্যান হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন [বিস্তারিত সংরক্ষিত সাতছড়ির অরণ্যে]