একটা কষ্ট খুব পোড়ায় খুব সুন্দর করে কোনোদিন চিঠি লেখা হয়নি তোমাকে অনন্য সুন্দর মার্জিত উপমায় দারুণ মিষ্টি সম্বোধনে অনুপম বুননে আর সুগন্ধি কাগজে এমন কিছু শব্দমালা যা হাজার কষ্টের রাত ভোর করে হয়ে ওঠে দীপ্ত হাসির সূর্য যার জমিন স্পর্শ করে আছে তোমার প্রিয়তম রঙ খুব সুন্দর করে কোনোদিন চিঠি লেখা হয়নি তোমাকে হয়তো [বিস্তারিত না লেখা চিঠি]
আমার সত্যি আকাশ ছিলো ছিলো বদ্ধঘর বাকুম-বাকুম আমাদের ঘ্রাণমাখা কম্বল সংবাদ – “রেললাইনের ফিশপ্লেট খুলে ফেলেছে বিরোধীরা” সম্পর্কহীন বগিরা দু’পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সামনের রেল রাস্তা ঝিমায় কর্মহীন… তারপর পথ ভুলে যাই বিপন্ন বোধ করি… তোমায় ছুঁয়ে থাকা নিদ্রাচিত্রে ডুবে থাকি কেউ জাগাতে পারে না না সুখ, না দুঃখ…
কতদিন খোয়াবে দেখছি তাইরে ! বেইন্যাবেলা শরমে চোখ তুইল্লা চাইতে পারতাম না। একলা বইয়া খালি ভাবতাম, জীবনের জোনাক রাইত গিলান বেক খরচ অইয়া যাইতাসে মগা জুয়ারির নোডের লাইন। পুবের বেড়ার ফাঁক দিয়া ঘরে ঢোহে দিনের পয়লা চিন। তাইর মুখটা হেসুম দেকতে বড় সাধ অয়। ছুডবালাত্তে আত্তাডা ছটফট করে তাইর নামডা হুনলেই। তাই ইশকুলে যাইত খুউব [বিস্তারিত খুব মায়া করি]
শতাব্দি ধরে জড়ো হওয়া স্মৃতিরা ওড়ে ওড়ে সদ্য ধুসর চুল মৃদু-মন্দ সাগর হাওয়ায় মন-ঘরের ভেজানো জানালা-কপাটগুলো খুলে যায় গাঙচিলের ছড়ানো ডানার মতো মুখে সুনসান নীরবতা, মুখরিত অন্তরাল ভাবনার পর্দায় ভেসে ওঠে অতীত নিপুণ যে ছবি বোঝে না ব্যস্ত জনারণ্য- শুধু অস্তগামী সূর্যের গা বেয়ে নামা গোধূলি আলো দেখে নেয় সবটুকু তার। স্মৃতিগ্রন্থের বুক থেকে কখন [বিস্তারিত সমুদ্রদর্শন]
মাতৃভাষাতেই শ্রেষ্ঠতম সুখ… ভাষা বিষয়টি আমাকে বরাবর আকর্ষণ করে… শিশুর মুখে উচ্চারিত প্রথম শব্দ থেকে শুরু করে শতায়ু বৃদ্ধের আঞ্চলিকতায় চমকিত, পুলকিত হই… ছোট্ট এ দেশটার না না অঞ্চলের ভাষার মধ্যে রয়েছে কতো বৈপরীত্য… কী পরম মমতায় মানুষ লালন করে মায়ের ভাষা… জানা ভাষাগুলোর মিল-অমিলের সৌন্দর্য… রুপান্তর… পরিবর্তন… বিবর্তন ইতিহাস বড় সুখপ্রদ… নতুন একটি ভাষা [বিস্তারিত ভাষা]
বিশ্বাস করুন- ও আর বাঁচতে চায় না শরীরটা আগের মতো নেই পৃথিবীর ঝড়-জলে ক্ষয়ে গেছে ওর পৃথিবীতে ঝড় বড্ড বেশি সে একটা হায়েনার তৃতীয় পক্ষ। নাকফুল ছিল হয়তো কখনো একটা লাল শাড়ীও হয়তো পেয়েছিলো পায়নি আর কিছুই। ও আর বাঁচতে চায় না। শরীরটায় অপুষ্টির বিষাক্ত ছোবলে মাংস অপর্যাপ্ত। মাংসাশী জন্তুদের লালসার আগুন মিইয়ে গেছে তাই। [বিস্তারিত বারবনিতার নাকফুল]
টুপ-টাপ টুপ……….. টাপ.. টুপ………………. টুপ………. কোন এক শীতের ভোর। চৌচালা টিনের ঘর। টিনে টুপ-টাপ শব্দ হচ্ছে বেশ জোরেই। প্রায় ঢিলের মতো শব্দ। নিজের বাসার বাইরে ঘুমালেই আমার খুব ভোরে ঘুম ভেঙ্গে যায় । একদম ছেলেবেলার কথা বলছি। নানু বাড়ি বেড়াতে গিয়েছি । কী যেন একটা অনুষ্ঠান ছিল। বাড়ী ভরতি লোক, তাই পাশের বাড়ির এক নানার [বিস্তারিত চৌচালা ঘর]
চারপাশ ঘিরে সমৃদ্ধ বৃক্ষদল ফুল-ফল-কাঠে পল্লবিত অহং পাতার বিলাসে কখনো বাতাসে গান কখনো সুখ জল হয়ে নামে বৃষ্টির ফোঁটায় ফোঁটায় অদূরে আমি বয়সী হিজল দিতে না পারার কষ্টে ম্রিয়মান বিবর্ণ রোজনামচায় স্থবির লুকোতে পারি না নিজেকে কেবল শ্রান্ত কোন পাখি এলে পেতে দিই ছায়ার চাদর খুলে ফেলি মনের দুয়ার বয়সী হিজল [বিস্তারিত বয়সী হিজল]
কী ভালো লাগছে মাঝ ফাগুনের এই সুশীল রোদ্দুর। আজন্ম চেনা ঘর-বাড়ির দেয়ালগুলো যেন পিঠ পেতে আছে রোদের দিকটায়… পুরো একটা বছর পর, আমি আমার এলাকার গলিটা পেরুলাম! কি অদ্ভুত! যেন মনে হয় গতকাল সন্ধ্যায়ও এখানে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিয়েছি… এই যে শহীদ ফারুক সড়ক কতো আপন… আশৈশব বন্ধু আমার… যাত্রাবাড়ীর ধুলোও যেনো চেনা… কতদিন পর চোখ [বিস্তারিত ছায়াবাসী আমি]