এক মুঠো ভালোবাসা (৯ম পর্ব)

  ছায়াকে লিফট থেকে বেরুতে দেখে এগিয়ে গেলো অনিক। আনকেল ঘুমিয়ে পড়েছে, জিজ্ঞেস করলো অনিক। হাঁ, নার্স বললো বাবা আজ সারা রাত ঘুমাবে, সকালে জ্ঞান ফিরলে ডাক্তাররা দেখবেন, এরপর বলবেন বাবার ইমপ্রুভমেন্ট হচ্ছে কিনা, থামলো ছায়া। তাহলে এখন কি করবে, চলো বাসায় পোঁছে দিই। আপনি কই যাবেন? আমি অফিসে যাবো, প্রচুর কাজ পড়ে আছে। তাহলে [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৯ম পর্ব)]

এক মুঠো ভালোবাসা (৮ম পর্ব)

  অনিকের সেলফোনে রিং হচ্ছে দেখে ফোন রিসিভ করে হ্যালো বললো, অপর প্রান্ত থেকে ছায়া বললো, অনিক বাবার সেন্স আসতেছে, ডাক্তাররা বললো সেন্স আসার ঘন্টা খানেক পর ঘুম পারাবে, আপনি আসবেন? তাই, আচ্ছা আমি এখনই রওনা দিচ্ছি, বলেই ফোন ডিস্কানেক্ট করে এলভিনকে বললো, মাই ফ্রেন্ড আমার বেরুতে হচ্ছে, দ্রুত ফিরে আসবো। ওকে টেইক কেয়ার, জবাবে [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৮ম পর্ব)]

এক মুঠো ভালোবাসা (৭ম)

  আজ অনেকদিন পর ভালো করে গোসল করলো ছায়া, গত আট নয়দিন গোসল কি তাই ভালো করে দেখেনি ও, হাসপাতালের জেনারেল টয়লেটেই গোসল করতে হতো। ফ্রেস হয়ে রেডি হতে হতেই অনেক সময় লেগে গেলো ছায়ার, দ্রুত রেডি হয়ে রুম থেকে বেরিয়ে দেখে অনিক কিচেনে রান্না করছে, তা দেখে বললো সরি আমার দেরি হয়ে গেলো। না [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৭ম)]

এক মুঠো ভালোবাসা (৬)

  রওশনের বাবাকে আইসিইউতে দিয়ে অনিক বেড়িয়ে এলো ছায়াকে নিয়ে, গাড়ীতে উঠেই জিজ্ঞেস করলো, কোথায় যেতে হবে? ক্যানমোরে, ছায়া জবাবে বললো। অনিক গাড়ী ড্রাইভ করে এগুলো সাইড রোড ধরে, ডানে চেক করে ইন্ডিকেটর অন করে হাইওয়েতে উঠে স্পীড বাড়ালো। অনিক আবার জিজ্ঞেস করলো, ক্যানমোরের কোন রোডে থাকো? এইটত স্ট্রিট, সিক্সত লেইন। অনিক অবাক হয়ে বললো, [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৬)]

এক মুঠো ভালোবাসা (৫ম)

  দুপুর বারোটার পর হসপিটালে পোঁছালো অনিক, নিচে জিজ্ঞেস করলো অপারেশন কোথায় হয়, তয় তলায় শুনে দ্রুত লিফটের দিকে পা বাড়ালো, লিফটে কি সমস্যা কে জানে বারবার দ্বিতীয় তলা তিন তলা করছে দেখে এগুলো পাশের সিঁড়ির দিকে, তৃতীয় তলায় পোঁছে দেখলো সামনে ওয়েটিং রুম, ও ওয়েটিং রুমে উঁকি দিয়ে দেখলো ছায়া সোফায় বসে কোরআন শরীফ [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৫ম)]

এক মুঠো ভালোবাসা (৪’থ)

  অনিক ফোনটা রেখে ঘড়ির দিকে তাকালো, রাত আটটা বিশ। ফোনটা আবার তুলে নিয়ে ডায়াল করলো ছায়ার নাম্বারে, কয়েকটা রিং হতেই ছায়া রিসিভ করে হ্যালো বললো। আমি অনিক। ওহ বলুন। আনকেলের জন্য টাকাটা আমি দিতে চাই। ছায়া ফুঁফিয়ে উঠলো। কি হলো কোন সমস্যা? না না, উপকারটা হবে। তাহলে কখন দিলে ভালো হয় সে কথা বলো [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৪’থ)]

এক মুঠো ভালোবাসা (৩য়)

ছায়া একটু শান্ত হলে অনিক কথা শুরু করলো, কেমন আছো? ছায়া ফ্যালফ্যাল করে তাকালো অনিকের দিকে। তুমি আমেরিকায় কখন এসেছো? গতবছর, ছোট করে এক শব্দে জবাব দিলো। রওশন কই, ও কি এসেছে? ছায়ার গাল বেয়ে বাধ ভাঙ্গা জল নামলো, আবার ফ্যালফ্যাল করে তাকালো। অনিক পাশের টেবিলে রাখা টিস্যুবক্সটা নিয়ে ছায়াকে এগিয়ে দিলে ছায়া টিস্যু নিয়ে [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩য়)]

এক মুঠো ভালোবাসা (২য়)

    সন্ধ্যা সাতটার কিছু পরেই অনিক ওর ফ্যামিলি সহ এয়ারপোর্টে হাজির হলো, রাত সাড়ে নয়টায় ওর ফ্লাইট, গাড়ী থেকে নেমেই অবাক হলো অনিক, ওর প্রিয় বন্ধু রওশন গাড়ীর সামনে দাঁড়িয়ে আছে লাগেজ ট্রলি নিয়ে। তুই এইখানে, অনিকের চোখ ছলছল করে উঠলো। দাঁড়া আগে লাগেজ গুলো নামিয়ে নিই, জবাবে বললো রওশন, দ্রুত পিছনের বনেট থেকে [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (২য়)]

এক মুঠো ভালোবাসা

সন্ধ্যা সাতটার পর অনিক অফিস শেষে তার ফ্ল্যাটে ফিরে এলো, সে একাই থাকে এই ফ্ল্যাটে, ওর বাবা মা ভাই বোন সবাই দেশেই থাকে, ওই একমাত্র এই দেশ মানে আমেরিকার নিউইয়র্ক শহরের থাকে। অনিক ফ্রেস হয়ে এসে নিজের জন্য অল্প কিছু খাবার রান্না করেখেলো, সে বাসী খাবার খেতে পারেনা সেই ছোটবেলা থেকেই, একি কারণে প্রতিবার সে [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা]

স্বাধীনতাকে কি ভুলে গেছো?

  স্বাধীনতা সে কি ইতিহাস, নাকি পতাকার মাঝে জ্বলজ্বলে রক্ত পিন্ড ভুলে গেছো কি সেইসব দিন রাত, পথে ঘাটে হতো রক্তপাত খাবলে খাবলে খেতো শকুনে বক্ষ পিঞ্জর, ঠা ঠা করে হাসতো হায়েনার দল ভুলে গেছো কি মা বোনদের রক্তাক্ত ধর্ষিত যত্রতত্র পড়ে থাকা লাশ, রাজাকার পাক হায়েনাদের রক্ত উল্লাস, স্বাধীনতা সে কি ইতিহাস তোমরাই ছিলে, [বিস্তারিত স্বাধীনতাকে কি ভুলে গেছো?]

নতুন বছরে নতুন সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া।

  প্রথমেই অভিন্দন জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বঙ্গবন্ধু তনয়া শেখ হাসিনা ও নির্বাচিত আওয়ামীলীগের সাংসদ বৃন্দদের। নির্বাচন পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষ হিসাবে আমাদের কিছু চাওয়া পাওয়া আছে যা আমি এই লেখার মাধ্যমে তুলে ধরতে চাই, বিনীত নিবেদন রইলো আগামী সরকার গঠনের সময় সরকার যেন এইসব বিষয়ে একটু নজর দেন, এতে দেশ ও দশের উন্নয়ন [বিস্তারিত নতুন বছরে নতুন সরকারের কাছে আমাদের চাওয়া।]

রাত্রি ভয়ংকর

  ২০০৭ সালের কথা, ঢাকায় চলে এলাম নিজ প্রিয় শহরকে বিদায় জানিয়ে, ভাই মেঝ জন থাকে ক্ষিলখেতের কনকর্ড লেকসিটির এক এপার্টমেন্টে, সেই রিসিভ করে নিয়ে এলো তার বাসায়, মাস্টার বেডরুমে থাকার ব্যবস্থা হয়েছে আমার, রুমে টিভি থাকায় আমার বেশ সুবিধা হলো, রাতে ডিনার সেরে কিছুক্ষণ গল্প করে শুয়ে পড়লাম, সাধারণত আমি একা রুমে থাকিনা, বিদেশে [বিস্তারিত রাত্রি ভয়ংকর]

ঐতিহ্যবাহি চট্টগ্রামের মেজবান

  বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি মানুষেরই ইচ্ছে হয় চট্টগ্রামের মেজবান একবার খেয়ে দেখবেন আর যারা একবার খেয়েছেন তারা বারবার খেতে চান, অনেকে তো চট্টগ্রামের বন্ধু বান্ধদের চেপে ধরেন মেজবান হলে নিয়ে যাওয়ার জন্য, কিন্তু অনেকে মেজবানের নাম শুনলেও ইহা কি, কতো উপাদেয় খাদ্য তাহা বুঝতে পারেননা, হটাৎ আজ নিচের লেখাটি পেয়ে ভাবলাম সকল বন্ধুদের জন্য শেয়ার [বিস্তারিত ঐতিহ্যবাহি চট্টগ্রামের মেজবান]

সানিয়া ভ্রমণ (৫)

  আমাদের কনভেনশন শেষে আমরা হলরুম থেকে বেরিয়ে গিয়ে যার ‍যার রুমে ফিরে গেলাম, দুজনেই এতক্ষণ হাসফাস করছিলাম সিগারেট খাওয়ার জন্য, দুজনে আয়েশ করে সিগারেট ধরালাম, কাপড় ছেড়ে কিছুক্ষণ রেস্ট করে ড্রেস চেইঞ্জ করে নিলাম, সন্ধ্যা সাতটার সময় নিচে চলে এলাম, আজ আমাদের অফিসিয়াল ডিনার হবে একি হলরুমে, সবাই একে একে হলরুমে প্রবেশ করলাম, পুরা [বিস্তারিত সানিয়া ভ্রমণ (৫)]

সানিয়া ভ্রমণ (৪)

  পরদিন সকাল সাতটায় রেডি হয়ে নিলাম আমরা ব্রেকফাস্টের জন্য, রেডি হয়ে দুজন দোতলায় চলে এলাম, এইখানেই ব্রেকফাস্টের ব্যবস্থা হয়েছে, দুজন ভিতরে হাই, হ্যালো করতে করতে প্রবেশ করলাম, এরপর দুজনে গিয়ে হাজির হলাম ব্রেকফাস্ট নিতে, প্রথমে নিলাম ব্রেড, বাটার, স্টিমড ব্রেড, দুই ডিমের অমলেট, ওগুলো নিয়ে একটা টেবিলে সিইও সাহেবকে বসিয়ে দিয়ে ফিরলাম জুস নিতে, [বিস্তারিত সানিয়া ভ্রমণ (৪)]