দেশের প্রতিটা গ্রামের মত এখানেও সবুজের সমারোহ। যতদুর চোখ যায় শস্যের ক্ষেত, মাঝে মাঝে দেখা যায় দু’একটা বিরাট গাছ। দুরের পথিক গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম করে, গা’টা জুড়িয়ে নিয়ে শুরু করে আবার পথ চলা। মানুষের সাথে দু’টো কথাও হয় গাছের ছায়ায় বসে মানুষের। পরিচিতি হয়, জানাজানি হয়, হয় সম্পর্কও। হিন্দুতে হিন্দুতে হয়, হয় হিন্দু মুসলমানে [বিস্তারিত জীবনের খরতাপ – ৩]
মেইন রাস্তার সাথে সরাসরি অথবা পরোক্ষে সংযূক্ত রাস্তাগুলোর একটা দিয়ে হাঁটছিলাম । দু’পাশে দালান, অট্টালিকাগুলি দাঁড়িয়ে পাশাপাশি । রাস্তার পীচ ছাড়িয়ে মাটির অংশের ১০/১২ ফিট দূরে দাঁড়িয়ে বাড়িগুলো । মাটির অংশে অবস্থিত যে গাছগুলো, সেগুলির একটির ছায়ার নীচে বসে চা বিক্রী করছেন তিনি । একটি ইটের উপর বাজারের ব্যাগ বিছিয়ে বসে আছেন, সামনে বড় একটা [বিস্তারিত বিড়ম্বিত মানুষ এবং আজকের ছাত্রসমাজ]
আজ আট বছর জেলে আছেন আনিস। পাঁচ বছর আগে তার মুক্তি হয়েছিল। কিন্তু অপর এক মামলায় জড়িয়ে আবার তাকে জেলগেট থেকেই এ্যারেষ্ট করা হয়। অনেক আশা করে রিসিভ করতে এসেছিল জোর করে তার স্ত্রী হয়ে-যাওয়া সঞ্চিতা। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকা ছাড়া যার কিছুই করার ছিলনা। হাত উঠিয়ে বিদায়ই জানিয়েছেন শুধু ওরা একে অন্যকে। কয়েকদিন থেকে [বিস্তারিত জীবনের খরতাপ – ২]
জ্ঞানসাধক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ জাতীয় অধ্যাপক সরদার ফজলুল করিমের মৃত্যুতে নাগরিক শোকসভা নাগরিক শোকসভাটি ছিল গত ২৮ জুন, ২০১৪ তারিখ সন্ধা, স্থান বাংলা একাডেমি। আমার যাওয়ার কোন কারন ছিলনা, কারন সরদার ফজলুল করিমের নাম আমি শুনেছিলাম, তবে কোন পরিচয়ই ছিলনা ওনার সাথে। শুনেছিলাম খুব নামকরা লোক ছিলেন উনি, ছিলেন আমাদের জাতীয় অধ্যাপক এবং কমিউনিষ্টও, [বিস্তারিত একটি নক্ষত্রের পতন]
চৈত্রের দুপুরের খরতাপ ছড়িয়ে পড়েছে সবর্ত্র। হাইওয়ের পীচ বরাবর তাকালে মনে হবে রাস্তায় জমে রয়েছে পানি। বাজারের প্রতিটি মানুষের গায়ের জামা ঘামে ভিজে গেছে। স্বস্তি পাচ্ছেনা কেউ। তবুও জীবন থেমে থাকেনা, থাকার নয়। বাজারের এক জায়গায় একটা ছাতার নীচে বসে জুতা সেলাই করে চলেছে ১৫/১৬ বছরের একটা ছেলে। আনিস ওর নাম। একটু আগে ওদের স্কুলের [বিস্তারিত জীবনের খরতাপ]
কুয়াশার কারনে দৌলতদিয়া ঘাটে সেদিন প্রচন্ড জ্যাম ছিল। ১০/১২ ঘন্টার আগে ফেরী চলাচল শুরু হবেনা। প্রত্যুষের এই সময়টায় করার কিছু থাকেনা, নাইট জার্নির পর কতক্ষনই আর বসে থাকা যায় বাসে! হাঁটাহাঁটি শুরু করি। দেখি দৌলতদিয়া রেলস্টেশনের উঁচু প্ল্যাটফর্ম। ওটা ধরে কিছুদুর এগোতেই দেখা যায় একটা জটলা। কাছে গিয়ে দেখি এক মহিলার নিথর শরীর পড়ে [বিস্তারিত আমার তনিমা]
বাবা আর মায়ের ঝগড়ার বিষয়টা বোঝার বয়স না হলেও সেলফোনে মায়ের উত্তপ্ত বাক্য আমার মনে ভয় ঢুকিয়ে দেয় । ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকি আমি মায়ের সেলফোনটার দিকে চোখেমুখে দারুন একটা ভীতি নিয়ে । মায়ের কথা শুনতে পাই, বাবু অর্থাৎ আমার উপর নাকি আমার বাবার কোন টান নাই । পৃথিবীতে আরো বাবা-মাযেরা কী আমার বাবা-মায়ের মতো [বিস্তারিত বাবা]
মাননীয় ডক্টর ইউনূস, আপনার নতুন ধারনার কথা জানলাম, ”সামাজিক ব্যবসা গ্রাম” । ২/১ দিনের প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত বিরাট এবিষয়ক প্রতিবেদন থেকে বিষয়টা অনেকের মতো আমারও নজরে এসেছে । প্রতিবেদনের প্রথমদিকে মনে হয়েছিল যে, কোন ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠান সামাজিক ব্যবসা হিসেবে লভ্যাংশটা কোন তরুন উদ্যোক্তাকে দেবে এবং লভ্যাংশটা বাদে তার বিনিয়োগকৃত অর্থটাই শুধুমাত্র ফেরৎ [বিস্তারিত সামাজিক ব্যবসা গ্রাম : আমরা চাকরীপ্রার্থী নই, চাকরীদাতা]
ঠিক গন্ডগ্রাম না হলেও শহরের কাছাকাছি একটি গ্রামে আমার জন্ম এবং বেড়ে ওঠা । বাড়ীর দু’পাশের একপাশ দিয়ে একটি বড় রাস্তা এক উপজেলায় এবং আরেকপাশ দিয়ে একটি সরু রাস্তা শহরের দিকে চলে গেছে । বাকী দু’দিক খোলা, যেখানে শস্য বোনা হয় বিভিন্ন রকমের । কেউ কেউ সবজিও বুনেন । আমার মনটা চঞ্চল হয়ে ওঠে [বিস্তারিত এতটুকু অভিমান]
সন্ধার কিছুটা আগে দিয়ে দু’টো জেলাশহর সংযোগকারী একটা রাস্তা দিয়ে চলে ঢাকায় ফিরছিলাম । যানের বামপাশের জানালা দিয়ে তাকিয়ে ছিলাম বাড়ীগুলোর দিকে । কুঁড়েঘর বলতে বাল্যকালে যা বুঝতাম আমরা, যেমন ছনের ঘর, সেরকম ছনের ঘর দেখতে পাওয়া যায়না আজকাল । সহযাত্রীর কাছে জানতে পারলাম, ছনের মূল্য ক্রয়ক্ষমতার বাইরে এঁদের আজকাল । বাসাগুলো টিনের বেড়া দিয়ে [বিস্তারিত বিষাদময় প্রান্তর]
জীবনের পথটা কেন যেন হারিয়েই ফেলেছিল জিতু ছোটকালে । বাবা মারা যায় তার বয়স যখন মাত্র ১২ । ছোট দুই এবং বড় এক ভাই ওর । চারজন ছেলেমেয়ে নিয়ে অভাগা মা তার অত্যন্ত হতাশ হয়ে পড়ে । বাবার রেখে যাওয়া কিছুই ছিলনা প্রায় তাদের । সেলাইয়ের কিছুটা কাজ জানা মা কাজের পরিসরটা কিছুটা [বিস্তারিত বিবেকের কষাঘাতে]
ছেলেটা কাছাকাছি থাকতে চায় সবসময় বলে মনে হয় ডা. মাশার কাছে । এমবিবিএস ও, চাকরী নিয়ে ঢাকা থেকে চলে এসেছে চিটাগাংয়ের এই ’মা ও শিশু’ হসপিটালে । গত কিছুদিন থেকেই দেখছে ও যে, বিশেষ করে শনিবার ছুটির দিনে ৮/৯ বছরের এই ছেলেটা পিছ পিছ ঘুর ঘুর করছে ওর । কেমন যেন একটা মায়া আছে [বিস্তারিত স্বপ্নের সলিল সমাধি]
ইদানিং একাত্তরের ২৫শে মাচ্চের রাত্রের জনাব তাজউদ্দিন এবং শেখ মুজিবর রহমানের মধ্যকার এক মতানৈক্য সম্পর্কে জনাব তাজউদ্দিনের বড় কন্যা কিছু মন্তব্য করেছেন মর্মে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে । তিনি বলেছেন, উক্ত রাতে জনাব তাজউদ্দিন আহমদ শেখ মজিবর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করতে বলেছিলেন, তাঁকে ধরা না দিয়ে গোপনে আন্দোলন সংঘটিত করে বাংলাদেশ [বিস্তারিত তাজউদ্দিন আহমদ সম্পর্কিত একটি লিখা প্রসঙ্গে]
আমার প্রিয় উপজেলাবাসী ভাইবোনেরা ; আপনারা আমার সালাম নিবেন । আমি আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচন করতে যাচ্ছি । আপনারা ভাববেন , কেন এবং আমার স্বার্থ-ই বা কি ! এ-সমস্ত বলার জন্য-ই এই জনসভা । আপনাদের এই বাজার-স্টেশন চত্ত্বরে আমি এটা বলে যেতে চাই । আমাকে আপনাদের নতুন মনে হতে পারে , [বিস্তারিত নির্বাচিতা একজন]
অচ্যুৎ সামন্ত নাম তাঁর, ‘দ্য গ্রেটম্যান’ বলে সম্বোধন করেছেন আমাদের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী তাঁকে ’প্রথম আলো’ কার্যালয়ে তাঁর পরিচিতি অনুষ্ঠানে । তিনি ভারতের ’ওডিষ্যার বিস্ময়’ । ‘এত দিন শুধু অচ্যুত সামন্তর গল্প শুনেছি। পত্রিকায় পড়েছি। সামনাসামনি তাঁর সাক্ষাৎ পাওয়াটা আমি মনে করি বড় ধরনের সৌভাগ্য। আমার মনে হয়, তাঁর কাজ আমাদের সবাইকে অনেক বেশি উৎসাহিত [বিস্তারিত আশাবাদের কাহিনী]