বন্ধু হতে চেয়ে তোমার (৩য় পর্ব)

৩. -তুমি আমাকে আর ছোঁবে না ‘ কেন হঠাৎ আবার কি হল?’ – ছোঁবে না, ব্যস। আমাদের পরিচিত পাগল-পাগলি নতুন কলা ভবনের সামনের সিঁড়িতে বসে আছে। ওদেরকে পাগল ও পাগলি হিসাবে পরিচয় করালেও ওদের যার যার নাম রয়েছে। শিহাব ও রুনা। এরাই ওরা। আজ রুনার মন খারাপ। ভীষণ খারাপ। এবং বিমর্ষ। সকাল থেকেই হৃদয়ের ঈষাণ [বিস্তারিত বন্ধু হতে চেয়ে তোমার (৩য় পর্ব)]

বন্ধু হতে চেয়ে তোমার

২. জোড়ায় জোড়ায় ছেলেমেয়েরা বসে আছে। চ্যাট করছে। লাইব্রেরীর বারান্দায়। এখানে ওয়াইফাই এর নেট বেশী পাওয়া যায়। অধিকাংশই মোবাইলে নেট ইউজ করছে। ল্যাপটপ এবং ট্যাবের সংখ্যাও কম নয়। ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে থাকলেও কেমন একটা প্যাটার্ণ আপনাতেই এসে গেছে। চারুকলার যে ছেলেটি ওর গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে বসে আছে… তাঁর চোখের ভাষা পড়তে ব্যস্ত… ওকে বললেই সে এই [বিস্তারিত বন্ধু হতে চেয়ে তোমার]

বন্ধু হতে চেয়ে তোমার

[ছেলেবেলায় কোনো পাগল দেখলে জিজ্ঞেস করতাম, ‘ এই পাগল, তোর পাগলি কই?’ পাগল নিশ্চুপ থাকতো… একা একা বিড় বিড় করতে করতে বিভ্রান্ত মস্তিষ্ক নিয়ে চলে যেত। তখন খুব জানতে ইচ্ছে করত সে কি বলছে। আজ অনেক বড় হয়েছি! এতোটা বড় হয়েছি যে কল্পনায় সেই পাগলকে নিয়ে আসতে পারি। শুধুই কি তাই? ওর হারিয়ে যাওয়া পাগলিও [বিস্তারিত বন্ধু হতে চেয়ে তোমার]

ফিরতি পথে

” এতো রাতে ফোন করলি কেন? তোর হাজব্যান্ড কোথায়? ” তারিকের আওয়াজে বিরক্তির ঝাঁঝ। ” আনহ্যাপি মহিলারাই এত রাতে এইভাবে ফোন করে ” মিলার মুখ গাল কান থেকে গরম ভাপ উঠতে লাগলো, কঠিন গলায় বললো, ” রাত সাড়ে দশটা, তুই তখন বললি বলেই ফোন করলাম। যাকে তাকে রাত্রে ফোন করি না আমি। রিসিভ ও করি [বিস্তারিত ফিরতি পথে]

অচ্ছুৎ

সচিবালয়ের বিপরীতে সবাই অনশনে বসেছে। হাজারখানেক মানুষ। সবাই দেশের একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক। এরা এই ঈদের দিনেও নিজেদের কিছু ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য এখানে একত্রিত হয়েছে। এদের কয়েক মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়ে গেছে।এর আগেও তারা বেশ কয়েকবার একই দাবীতে আন্দোলন করেছে। তবে তাদের নেতারা তাদেরকে আশ্বাস দিয়ে ফিরিয়ে এনেছে বারবার। সরকার আর মালিকপক্ষের সাথে বৈঠকের [বিস্তারিত অচ্ছুৎ]

কে আছ?

১. – আমি খুব ডিজহার্টেড ‘ কেন? কি হল আবার?’ – কিছুই ভালো লাগে না আমার। চারপাশে সবাই, কিন্তু মনে হয় কোথাও কেউ নেই। ‘ হ্যা, ‘কোথাও কেউ নেই’ এর মুনা ই তো তুমি! – নামে মাত্র মিল। কিন্তু ওর ভালবাসার বাকের ভাই আমার নেই। ‘ আমি কি তোমার জন্য কিছু করতে পারি মুনা?’ – [বিস্তারিত কে আছ?]

ইচ্ছে পূরণ

নিজের ছোট্ট রুম থেকে বের হয়ে চারপাশটা দেখলেন। কিছুটা মুগ্ধ হয়েই। এরপর দরোজায় তালা লাগালেন। প্রতিবারই এমন হয়। কিছুক্ষণ নীল আকাশ ও সাদা মেঘের উড়ে যাওয়া দেখলেন। মনে মনে বললেন, ‘সুবহানাল্লাহ!’ বহুদিনের অভ্যাস। এখন আপনা আপনিই মন থেকে ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে বের হয়ে যায়। মহান সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টিসমূহ দেখতে থাকলে মনের অগোচরেই তার পবিত্রতার বহিঃপ্রকাশ ঘটে [বিস্তারিত ইচ্ছে পূরণ]

ভালবাসার সাত রঙ – ৩

৩. মোর বীণা উঠে কোন সুরে বাজি… লাবনি পয়েন্টের সাথেই হোটেল কল্লোল। এর রিসেপশন থেকে বের হয়ে এলাম। ছুটির দিনের এক অলস বিকেল। ‘ও’ ফোন করেছে। দেখা করতে যাচ্ছি। সাধারণত এমনটি কদাচিৎ হয়। আমার প্রয়োজনে আমিই ওকে ডাকি। ও ধরা দেয় না। দূরে দূরে থাকে। আজ নিজে যেচে আমাকে ডাকল! ‘তোমায় আমি ডেকেছিলেম ছুটির নিমন্ত্রণে’!! [বিস্তারিত ভালবাসার সাত রঙ – ৩]

ভালোবাসার সাত রঙ (১ ও ২)

[ তিন পর্বে লেখা ‘ভালবাসার সাত রঙ’ গল্পটির প্রথম দুটি পর্ব আজ পোষ্ট করলাম] এক. সখি বয়ে গেল বেলা… পাহাড়ের (আসলে মাটির টিলা) যেখানটিতে আমি বসে আছি, তার চারিদিকে হাজারো অচেনা শব্দ এক সাথে ভেসে আসছে। কিন্তু তারপরও এক অভাবনীয় নৈঃশব্দ্য বিরাজ করছে। ঘরে ফেরা পাখীদের ডাক, বুনো প্রান্তরের লুক্কায়িত কীট-পতঙ্গের আওয়াজ-এ সবকিছুকে ছাপিয়ে সমুদ্রের [বিস্তারিত ভালোবাসার সাত রঙ (১ ও ২)]

এক হৃদয়হীনা

তখন একটি বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করি। ভালুকায় আমার অফিস। প্রতিদিন খুব ভোরে অফিসের গাড়ি মেইন রোডে একটি নির্দিষ্ট সময়ে আমার অপেক্ষা করে। দু’মাস হল এখানে জয়েন করেছি। বাসা থেকে বেশ খানিকটা পথ হেঁটে হেঁটে বাসস্টপের সেই যায়াগাটায় যেতে হয়। বাসস্টপের সাথেই একটি পত্রিকার দোকান। পাশেই একটি টি-স্টল। মজার ব্যাপার হল এতো ভোরেই দোকানদুটো খোলা [বিস্তারিত এক হৃদয়হীনা]

ডানাহীন এক নীল পরী: (ছোট গল্প)

” … ভেবেছিলাম মধ্যাহ্ন নিদ্রায় কিংবা প্রতিটি মধ্য নিশীথে তোমার শরীরের শিরায় শিরায় তুলে দেবো বৈশাখী বৃষ্টির মতো তৃপ্তির এক সুখানুভূতি, ভেঙ্গে যাবে যামিনীর নীরাবতা তোমার সুখের উল্লাসে, পরিতৃপ্তির আত্মচিৎকার ভেসে বেড়াবে গভীর রজনীর হিমেল বাতাসে।…” কবি জেবু নজরুল ইসলামের কবিতাটির এই লাইনগুলো ওকে এতোটা নিবিঢ় ভাবে টানবে, ভেবেছিলো কি? পুরো কবিতাটি কয়েকবার পড়া হয়ে [বিস্তারিত ডানাহীন এক নীল পরী: (ছোট গল্প)]

দ্য লাস্ট পেইন্টিং

আজিজ মিসির আর রেবেকার ডিভোর্স হয়েছিল পনের বছর আগে । সেটার একটা যুক্তিযুক্ত কারণ ও ছিল।দেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হিসেবে মিসির নিজের ছবি, আর্ট কম্পিটিশন নিয়ে এতোটা ব্যস্ত থাকত। বড় লোকের মেয়ে রেবেকা যদিও ওকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল, কিন্তু ওর ওকে সময় না দেয়াতে সে ধীরে ধীরে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়ে মিসিরের উপরে। রেবেকার বাবা-মা যদিও [বিস্তারিত দ্য লাস্ট পেইন্টিং]

কিছু চাওয়া আর কিছু পাওয়া

অনুভূতিগুলো সব যেন গাছের পাতায় পাতায় ছুঁয়ে আছে। আর যেখান থেকে এর উৎপত্তি, সেই অদৃশ্য স্থানটি গাছের মগডাল থেকে মাটির বহু নীচে শেকড়ের সূচ-বিন্দুতে আসা যাওয়া করছে। থেকে থেকে ‘ইলেক্ট্রিক ব্লু’ বেদনাকে জাগিয়ে তোলা… সসীমের ভিতরে অসীমকে ধারণ করা… ক্ষুদ্র বীজের ক্রোশ বিস্তৃত বটবৃক্ষকে ডিসপ্লে করার এক চিরন্তন অতিমানবীয় কর্মকান্ডে ইর্ষনীয় নির্লিপ্ততায় ডুবে থাকা। অতঃপর [বিস্তারিত কিছু চাওয়া আর কিছু পাওয়া]

অ্যানালগ রূপবান ও ডিজিটাল রোমিও – ৩

তিন নীরব রাতের খাবার শেষ করে নিজের বিছানায়। একটা পেপারব্যাক হাতে বালিশে পিঠ দিয়ে আধশোয়া হয়ে আছে। গান পাগল সে । আর বই এর পাগল । প্রতিদিন অন্তত একটা বই । একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি গল্প-উপন্যাস- পড়ার একটা নেশা আছে তার । বুদ্ধি হবার পর থেকে তার সবচেয়ে প্রিয় , সব চেয়ে কাছের বন্ধু বই । [বিস্তারিত অ্যানালগ রূপবান ও ডিজিটাল রোমিও – ৩]

অ্যানালগ রূপবান ও ডিজিটাল রোমিও – ২

দুই টেবিলটা অনেক গোছানো। টেবিলের উপর একটা ডায়েরি। সেখানে ওর নিজস্ব কিছু কথা লিখা আছে। তবে এটা একান্তই ওর নিজের। প্রথম পাতায় লেখা – “মোহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম নীরব, দশম শ্রেণী, কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ, চট্টগ্রাম।” বেশীরভাগ স্কুল পড়ুয়া ছেলের পড়ার টেবিল এলোমেলো থাকে। টেবিলের পিছনে বলিউডের না হলে হলিউডের যে কোন তারকার পোস্টার থেকে। ওর [বিস্তারিত অ্যানালগ রূপবান ও ডিজিটাল রোমিও – ২]