তার ভালোবাসার মানুষের সাথে তার বিয়ে হলো না, আর যার সাথে তার বিবাহিত জীবন তার সাথে ভালোবাসা হলো না। শুধু শারিরিক প্রয়োজনে কাছে আসা, বছর ঘুরে সন্তান আসা এভাবে মেয়েটির মাথার চুল কখন যে শুভ্র হয়ে যায় সে নিজেও টের পায় না। এদিকে তার বিয়ের আগের প্রিয় মানুষটি বাবা মায়ের ইচ্ছেতে তাদের পছন্দের মেয়েকে বিয়ে [বিস্তারিত ভালোবাসি ভালোবাসি]
এক মেয়ে আর এক ছেলের সাথে কঠিন সম্পর্ক ছিল। ১৪ বছর আগে তাদের কিভাবে যেন বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একটা যুক্তিযুক্ত কারণ ছিল। পারিবারিক, সামাজিক.. আজ তার স্মরণের কিছু প্রয়োজন নাই। ১৪ বছর পরে মেয়েটার ক্লাসমেটদের মধ্যে একজনের সাথে এই ছেলেটা ওই মেয়েটার কিছু মিল পেয়ে যায়। ঠিক কোথায় এই মিল তা ছেলেটাই ভালোভাবে জানে না। [বিস্তারিত দ্য ফার্স্ট কিস]
পুরুষ তার ইচ্ছা প্রকাশ করলো, নারী তার। নারীর নি:স্ব ভংগিতে চলে যাওয়া দেখে পুরুষ বুঝল না, সে নিজে ও যদি না পেয়ে থাকে, নারী নি:স্ব কি কিরে হল? পুরুষ এই পর্যন্ত নারীকে তার নিজস্ব ইচ্ছানুযায়ী সময় দিয়েছে… একান্ত বোবা অনুভূতির সময়ে ভাষা হয়ে নারীকে প্রগলভ হতে সাহায্য করেছে। আর যখন সে কথা বলার মত সক্ষমতায় [বিস্তারিত দুর্বোধ্যঃ অণুগল্প]
রাসেল এবং তিশা দুজনে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত। দুজনেই উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে দুজনে পড়ালেখা শেষ করেছে। ওরা চট্টগ্রামে বড় হয়েছে। রাসেলের বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। সে ওর খালার বাসায় থেকে চট্টগ্রামেই পড়ালিখা শেষ করেছে। ভার্সিটির অঙ্গনে কাছাকাছি-পাশাপাশি থাকবার সময়ে দুজনের ভিতরে বন্ধুত্ব হয়। একজন অন্যজনের কাছে আসে। ভালোলাগা থেকে ভালবাসার দিকে পথটি ঢালু হয়ে যায়। [বিস্তারিত দ্য আউটসাইডার]
ইদানিং শিহাবকে কেন যেন দূর্বোধ্য লাগছে কণার কাছে। সেই একই মানুষ… কাছে আসার সময়টাতেও সেই চিরচেনা,তবুও হঠাৎ হঠাৎ কেন এমন অচেনা মনে হয়? সেদিন চশমার দোকানে গেল দু’জনে। পরিচিত দোকানদার দু’জনের জন্য চা আনালো পিচ্চিকে দিয়ে। শিহাব ধীরে ধীরে তার নিজেরটা শেষ করে কণার জন্য ‘সানগ্লাস’ পছন্দ করায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল। কণাকে এক একটা চোখে [বিস্তারিত সেই তুমি # অণুগল্প]
শেষ বিকাল। সোনারোদে পৃথিবী মায়াবী। পার্কের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে পথের পাশ থেকে এক টুকরা কাগজ কুড়িয়ে নিলো যুবক। কেউ ঝালমুড়ি খেয়ে ফেলে গেছে। শিউলি ফুলে সাদা হয়ে আছে পথের পাশে ফুটপাথ। সে মাড়িয়ে যেতে পারছে না। শৈশবের দিন মাখামাখি হয়ে আছে শিউলির সাথে। স্মৃতির ভিতর যত্নে রাখা। তার ওপর পা ফেলা যায় না। তাকে [বিস্তারিত ভালোবাসা একপলক]
হাসপাতালের দরজা পার হয়ে ভিতরে ঢোকার পর থেকে আনাম নিজের হার্টবীট অনেক জোরে শুনতে পাচ্ছিলো। দেখলো বাবা শুয়ে আছেন শান্তভাবে। আনামের মনে হল, শব্দে ভরা পৃথিবীটা হঠাৎ নিরব হয়ে গেছে। শব্দটা আচমকা থেমে গিয়ে অদ্ভুত অনুভুতি সৃষ্টি করল আনামের সারা শরীর মনে। মনের ভিতর নি:শব্দ আবেগ সাড়া দিল, ‘ আব্বা! ‘ বাবা কি সেই কথা [বিস্তারিত কেবিন নাম্বার ৩১৮]
তারা কয়েক ভাই। বড়জন হাসান মাসুদ ছোটখাট একটা চাকরি করেন। রাজধানীতে থাকে পরিবার নিয়ে। যা আয় হয় সেটা ব্যয় হয়ে যায়। আরো কিছু বাড়তি টাকার প্রয়োজন প্রতি মাসে পড়ে। অন্য ভাইদের একজন ঢাকায় চাকরি করে। বেশ বড় পোষ্টে। একজন ব্যবসা করে। বিচ্ছিন্নভাবে এই পরিবারটি জীবনের সাথে এক একভাবে তাল মিলিয়ে চলেছে। …… সকালে ছোটভাই মুহসিন [বিস্তারিত জীবনের দিন]
[ এক বন্ধু একবার আমাকে বলেছিল, শুধু প্রেম, ভালোবাসা নিয়েই লিখছ। এর বাহিরে একটু অন্য ধরণের লিখতে পার না? অনেক ভাবলাম, শেষে ভেবে ভেবে উদাস হয়ে গেলাম। কিন্তু এরপর যা লিখলাম, সেখানেও ঘুরে ফিরে হৃদয়েরই প্রাধান্য রইলো। কিন্তু এবার কল্পনা একটু পরাবাস্তবের সাথে মিশে গিয়ে কিছুটা অন্য ধাঁচের লেখায় পরিণত হল। কেমন হল, পাঠকই বলতে [বিস্তারিত বন্ধ জানালা]
একজন সাদেক সাহেব। প্রতিদিন সকালে মসজিদে যান নামাজ পড়তে। সেখান থেকে মর্ণিং ওয়াকে বের হন। রোজকার অভ্যাস। আজ বছর দশ হল সরকারি চাকুরী থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন অফুরন্ত অবসর। কিন্তু সময় যে কাটেনা! আজও একা একা হাঁটতে বের হয়েছেন। মসজিদটা বাজারের ঠিক মাঝে। গার্লস স্কুলের পিছনদিকে। ফজরের নামাজে যে ক’জন মুসল্লী আসেন তাদের ভিতরে কয়েকজন [বিস্তারিত তিনপুরুষ]
”মেঘের কোলে রোদ হেসেছে বাদল গেছে টুটি… আজ আমাদের ছুটি ও ভাই আজ আমাদের ছুটি” কবিগুরুর এই কথাগুলো মাথার ভিতরের কোনো এক যায়গায় বারবার বেজে যাচ্ছিল। কিন্তু ঠিক কোন যায়গাটিতে যে, সে বলতে পারেনা। তবে প্রায়ই এরকম হবার মুহুর্তগুলো শেষ হবার পর, নিজের কাছে জানতে ভীষণ ইচ্ছে করে- এই গান কিংবা কবিতার লাইনগুলো আসলেই কি [বিস্তারিত ফুল ফুটেছে]
আমার ভুবনে আমি একা। বড্ড নিঃসঙ্গ! সবাই থেকেও যেন নেই। নিজের থেকে নিজেই যখন দূরে সরে যায় কেউ, তখন চেতনায় দীর্ঘশ্বাসের জমাট বাষ্পে পরিচিত ছায়াগুলোকেও কেমন ঝাপসা দেখায়! আমার বেলায়ও তাই হয়েছে। আমি এখন আর আমাতে নেই। অন্য কেউ-কিছু একটা আমাকে দখল করেছে। এক মরণব্যাধি ধীরে ধীরে আমাকে গ্রাস করে চলেছে। সবাই জানে। আমিও… অথচ [বিস্তারিত যেতে যেতে দুয়ার হতে]
” ইদানিং আমি আর তোর শরীর নিয়ে ভাবি না… এখন তোর হৃদয় নিয়ে ভাবনাগুলো ডালপালা গজিয়ে কোন সুদূরে উড়ে বেড়ায় সারাক্ষণ! May be I’m fallen in Love…“ ফারাহ মৃদু হাসি মুখে স্ক্রীনের মেসেজটার দিকে অপলক তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। হালকা একটা নি:শ্বাস ফেলল। চোখে হাসির আড়ালে সামান্য বিষাদ। তাতে কিছু স্মৃতি, কিছু বিস্মৃত সুখ, কিছু আড়াল [বিস্তারিত নিঝুম অন্ধকারে]
৫. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলায়… বিভিন্ন যায়গা থেকে দলবেঁধে- একা একা অথবা জোড় বেঁধে সুন্দরের প্রতি চিরন্তন আকর্ষনে সবাই এসেছে। সব বয়সের নারী-পুরুষ- শিশু রয়েছে। এ যেন রঙিন প্রজাপতির হাটে রঙের মেলা বসেছে! কত রঙিন পোষাকে দর্শনার্থীদেরকে দেখা যাচ্ছে।এদের মাঝে আমাদের সেই পাগল-পাগলি, রুনা এবং শিহাবও রয়েছে। তবে আজ একা ওরা। আলাদা আলাদা ইতস্তত বিক্ষিপ্ত [বিস্তারিত বন্ধু হতে চেয়ে তোমার (শেষ পর্ব)]
৪. ক’দিন ধরে ঝগড়া… কথা বন্ধ রুনা ও শিহাবের। মামুলি এক ব্যাপার নিয়ে। প্রায়ই এমন হয় ওদের দুজনের ভিতর। ভীষণ ছেলেমানুষ ওরা। শিহাবের খুব ইচ্ছে করছে রুনাকে এক নজর দেখতে। কিন্তু ইগোর বেড়াজাল ডিঙ্গাতে পারছে না সে।মোবাইল হাতে নিয়ে সেভ করা পরিচিত নাম্বারটি বের করেছে অনেকবার… সবুজ বাটনটিতে জাস্ট একটা প্রেস করাটা যে এতো ভারী [বিস্তারিত বন্ধু হতে চেয়ে তোমার (৪র্থ পর্ব)]