মন ভাল নেই০২

মন ভাল নেই

মন বলে,মন বলে কি কিছু ,

বিদ্যমান ছিল তোমাদের আত্ত্বাতে?

আত্ত্বাতে নেই দেশ প্রেম,নেই মাতৃত্ত্বের মমতা।

মন ভাল নেই

অত্যাচারী হায়নার ব্রাস ফায়ারে

ক্ষতবিক্ষত করেছিল বাংলার মাকে ,সেই ভাবে ফাসিঁর মঞ্চে

একত্রে সব শিয়ালের শিরচ্ছেদের স্বপ্ন আমার ভেস্তে যে যায় ।

মন ভাল নেই

রাজনিতীর রাজচক্রে বন্ধী আজ

স্বাধীনতার স্বপ্ন,আশা-আকাখ্ঙার বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি

কলঙ্কিত বাংলার মা,মাটি,দেশ।

মন ভাল নেই

স্বাধীন দেশে স্বাধীনতা কাদেঁ স্বদেশী চক্রের ফাদে

বিয়াল্লিশটি বছর গড়েছে উঠেছে হায়নার দল

শান্তির ধর্ম ইসলামকে

পুজিঁ করে অশান্তির ছায়ায়।

মন ভাল নেই

চারদিক আগুনের স্ফুলিঙ্গ,পুড়ছে মানুষ পুড়ছে বাড়ী গাড়ী,

ফাসিরঁ মঞ্চে

দাড়ানো হায়নার তরে,

কি অদৃশ্য হাতের ইশারায়

ফাসির মঞ্চ হতে ফিরে যায়?।

মন ভাল নেই

নেই দেশ প্রেম ,নেই মাতৃদগ্ধের মূল্যায়ন,

নেই মায়ে চোখের পানি মুছে দেবার কেউ

সবাই যেন বলছে এখন ,

জয় রাজাকার জয়।

মন ভাল নেই

হয়তো আবারও তুলে নিতে হবে হাতে

কলম আর লাঙ্গলের স্হলে আগ্নেয়াস্ত্রে,

নব্য হায়নার নিশানায়

হয়তো কাটবে আধারঁ একদিন, 

সে দিন আমার পুরো মন ভাল নেই।

মন ভাল নেই

মনের অজান্তে মনকে বলি, তুই কেন বুজিসনা

আমিতো স্বাধীনতার হায়নার বিচার চাই,

তবে কেনো মিলে না মন অন্যের সাথে,

দ্বন্দ্ব কেনো এত স্বাধীনতার পক্ষে?।

মন ভাল নেই

মনকে দিয়েছি ছুটি, হবে না আর লিখা

বাংলা মায়ের দুঃখ কথা,চাইবনা আর বিচার ফাসির মঞ্চের

মন ভাসাব স্বপ্নের ভেলায়,

যেথার খুজেঁ পাবে স্বাধীনতার একটু সাধ।

 http://sonelablog.com/archives/9865

 

মোট পড়েছেনঃ ৭২৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৫টি মন্তব্য

  1. ভালো লিখেছেন। কিন্তু কোন জবাব নাই, কারন যে সরষের মাধ্যমে হায়েনা খতম করবেন তাতেই গলদ।
    কার কাছে আশ্রয় চাইব, কার কাছে এর প্রতিকার চাইব, কার কাছে এর জন্য মানুষকে জাগাবেন।

    1. একটি অপ্রিয় কথা বলব মনে লাগ লে ক্ষমা করবেন, আমি তখন মিরপুর ছয় নম্বর এর কাছা কাছি থাকতাম একদিন হঠা ৎ মেডিসিন প্রয়োজন হওয়ায় রাত আনুমানিক ১০ টায় বাহির হয় ফার্মেসির খোঁজে, এক দোকানে কিছু মুরুব্বীর আড্ডা চলছিলো ফার্মেসিতে বেঞ্চের উপর বসে। আড্ডা র একটি সংলাপ,” এখন মুক্তিযোদ্বা নাই, আছে মুক্তিচোদা।” পরে জেনেছি তিনি একজন মুক্তিযোদ্বা তিনি কোন একথা বললেন? তার মনে কি খোপ? তিনি তার আবেগকে ধরে রাখতে পারেননি, কারন বর্তমানে তাদের মাঝে আর সেই মন মানসিকতাও নাই, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সঠিক ভাবে পরিচালিত হয়নি।
      একজন মুক্তিযোদ্বা একঞ্জন মুক্তিযোদ্বা কে ঘায়েল করছে রাজনিতির স্বার্থে দেশের স্বার্থে না।

      1. রাজনিতীর কারনে আমরা বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু বলতে পারিনা ঠিক মহেত্ত্বাগান্ধীর মত।বর্তমান আওয়ামীলীগ মনে করে দেশকে স্বাধীন করেছে শেখ মুজিব তাই দেশ তাদের এখানে অন্যকেউ আসতে পারবেনা কিন্তু গণতন্ত্র কি বলে তাদের ঐরকম অহমিকাই বঙ্গবন্ধুকে সর্বত্র স্বীকারে অন্তরায়।যুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর অবদান যেমন অস্বীকার করা যায় না তেমনি জিয়াউর রহমানকে অবজ্ঞা করা ঠিক নয় তারা দুজন ছাড়াও কিন্তু আরো আছে যারা প্রান বাজী রেখে যুদ্ধ করেছিল তারা কি পেলো।আজও দেখি মুক্তিযোদ্ধারা ভিক্ষার থালা হাতে নিয়ে ঘুরে।আপনার সাথে সহমত কতটা ক্ষোভে সে বলেছিল ঐ কথা।ধন্যবাদ আপা (y)

মন্তব্য করুন