কেটে যাক উৎকণ্ঠা

তৌহিদুল ইসলাম ১০ এপ্রিল ২০২১, শনিবার, ০৭:৫৫:২৫অপরাহ্ন সমসাময়িক ১২ মন্তব্য

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় ভূক্তভোগীরা দিনকাল অতিক্রান্ত করছেন সেটি নিজের চোখে না দেখলে অনুধাবন করতে পারবেন না।

কর্মস্থলে প্রতি ঘন্টায় লাশের মিছিলে স্বজনদের আহাজারি শুনছি। দেখছি মৃতদের দাফনকাফন সম্পন্ন করার অগ্রীম প্রস্তুতি হিসেবে খুঁড়ে রাখা সারি সারি কবর! এগুলো বর্ণনা করলেও বুক কেঁপে ওঠে।

এই দূরবস্থার জন্য কোন একপক্ষ দায়ী নয়। জনগণের স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে উদাসীনতা এবং আমাদের দায়িত্বশীলদের পর্যাপ্ত সময় পাওয়া সত্ত্বেও অজ্ঞতা ও তৈলবাজীর বুলি অনেকাংশেই দায়ী।

একসময় কেউ আবেগজাত হয়ে বলেছিলেন করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আমরা বিশ্বের রোলমডেল। ২০০০ শয্যার আইসোলেশন কেন্দ্র উদ্বোধন করে কেউ বলেছিলেন বিশ্বে এত দ্রুত আর কেউ এমন হাসপাতাল বানাতে পারেনি।

অথচ সেসবের এখন আর কোন অস্তিত্ব নেই, যেন বাতাসে ভ্যানিশ হয়ে গিয়েছে। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হাসপাতালগুলোকে রক্ষণাবেক্ষণ করলে আজ এই দূরাবস্থা কিছুটা হলেও লাঘব হতো।

মাঝেমধ্যে চিন্তা হয় আমাদের দেশপ্রেম শুধুমাত্র কিছুলোকের মধ্যে সীমাবদ্ধ কেন? দেশপ্রেম সত্ত্বায় কেন আমরা সমন্বিত চিৎকারে মন থেকে বলতে পারিনা- ভালোবাসি বাংলাদেশ।

এগুলো নিত্যদিন দেখে আর লেখা আসছেনা আমার। চরম বিপর্যস্ত হচ্ছে আমার জীবনযাপন। সকল উদ্বেগ উৎকণ্ঠা কেটে গিয়ে মানুষের মুখে হাসি ফুটে উঠুক এটাই প্রার্থনা।

সকলে ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন।

(ছবি- সংগৃহীত)

৯৮৯জন ৮৭৭জন

১২টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

মাসের সেরা ব্লগার