২৫ জানুয়ারীতে হিমেল হাওয়া সারা বিকেলে বিচরণ করছিল। গোধূলী বেলায় চায়ের কাপ হতে ধোয়া কুন্ডলী পাকিয়ে হিমেল বাতাসকে গরম করতে ব্যার্থ চেষ্টা করছিল।আর আমি সুন্দর প্লাসটিকের চেয়ারে বসে ব্যস্ত ছিলাম ব্লগ আর ফেবু নিয়ে। একটু পরেই মাগরীবের নামাজের আযানের মিষ্টি সুর জানালায় প্রবেশ করবে। আনমনে  আমি হালকাভাবে পা দুটো দুলাচ্ছিলাম আর মন্তব্যগুলো খুবই গভীর মনোযোগ সহকারে দেখছিলাম। আর এতেই যেন চেয়ার গেল বিগড়ে। মূহুর্তে চেয়ার আমার নিকট হতে ছিটকে গেল প্রায় তিন হাত দূরে। আর আমি কতকটা ছিটকে ধপাস করে পরে গেলাম। আমার তীব্র চিৎকারে যেন হিম-শীতল বাতাস গরম হয়ে গেল। টাইলসগুলো যেন তীব্র ব্যাথায় নীল হয়ে গেল। আমার বোধশক্তিগুলো যেন শুন্যে মিলিয়ে গিয়েছিল। তীব্র ব্যাথার যন্ত্রণাগুলো সহ্য করার মত ছিল না।
স্বজনরা দ্রুত চিকিৎসার সব ব্যবস্থাই করলো। এখনো ব্যাথা কখনো কমে আবার কখনো বা বাড়ে। বিছানা যেন নি্ত্য সঙ্গী হয়ে গিয়েছে। ভাগ্য ভাল যে হাড় ভাঙ্গে নাই। মাংসপেশীতে টান পরেছে, কোন স্থান থেতলে গিয়েছে আর হাড়ে ঘষা লেগেছে। এই অল্পতেই যদি এই অবস্থা হয় তবে যদি হাড় ভাঙ্গতো তবে কী সর্বনাশ-ই না হতো। এখন শুনছি কতজন এই প্লাসটিকের চেয়ারে বসে তাদের এবং তাদের স্বজনদের সর্বনাশ হয়েছে। যাইহোক আপনারা আমার মত ভুল করিয়েন না-প্লাসটিকের চেয়ারে বসার সময় সাবধানতা অবলম্বন করিয়েন অথবা প্লাসটিকের চেয়ার এড়িয়ে চলিয়েন।

নোট: ব্যাথার সাথে বসবাস করছি। তাই মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরী হলে মনে কষ্ট নিয়েন না। আমার জন্য দোয়া করিয়েন।

৮৮৯জন ১২৮জন

২০টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য