ডিসেম্বর ক্যালেন্ডারের একটি পাতা নয়। আমাদের বিজয়ের মাস। এই মাসেই পাকিস্তানীদের পরাজিত করে বাংলাদেশ সম্পূর্ণ শত্রুমুক্ত হয়।
সামনে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি —-২৬ মার্চ ২০২১। বিজয়ের মাস শুধু উল্লাসের দিন নয় ; সেই সাথে বেদনার ও লাখ লাখ শহীদের রক্তেরও তাজা গন্ধের ইতিহাস। দেখতে দেখতে ৪৯ টি বছরে আমরা কতোদূর এগোলাম? সমাজ, অর্থনীতি, শিক্ষা সবমিলিয়ে আমরা কোথায় আছি? চলুন দেখে আসি, পরিসংখ্যানগত অর্জন।
স্বাধীনতার আগে দারিদ্রসীমার নীচে ছিলো ৮৮% মানুষ। এখন সেখানে ২০%। ধান, চালের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৪ গুণ। লোকসংখ্যা বৃদ্ধিরর হারও তুলনামূলকভাবে কম।
জিডিপি প্রবৃদ্ধিরর হার স্বাধীনতার পর ছিলো ৪/৫ শতাংশ। আজ তা বেড়ে ৮ শতাংশ। ফলে, মাথাপিছু আয় আমাদের বেড়েছে প্রচুর। ১৯৭২/৭৩ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিলো ১২৯ ডলার। আর ২০১৯/২০ সালের অর্থবছরে ২০৭৯ ডলার। সেই সময় রাজস্ব বাজেটের পরিমাণ ছিলো মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকা আর ২০২০/২১ সালে মোট বাজেটের পরিমাণ ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এডিপির পরিমাণ ছিলো ৫০১ কোটি টাকা। ২০২১ সালে তা ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা।
অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ রেমিট্যান্সের পরিমাণ স্বাধীনতার সময় ছিলো ০.৮০ কোটি ডলার। অবিশ্বাস্যভাবে তা আজ ১৮ বিলিয়ন ডলার। এমনকি আজ আমাদের ব্যবসায়ীরা সরকারি ভাবে ডলার নিয়ে বিদেশে ব্যবসা করছেন। আমরা এখন ভীষণ শক্তিশালী দেশ।
পাকিস্তান বলেছিলো, আমরা ” ভিক্ষুকের জাতি। ” অথচ তারা ১৫০ রূপি দিয়ে এক ডলার ক্রয় করে। আর আমরা উন্নয়নের রোল মডেল। কৃষি, তৈরি পোশাক, রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতির মূলভিত্তি। এমনকি অনেক সূচকে আমরা ভারতের থেকেও এগিয়ে। তারা এখন আমাদের বিস্ময়কর উত্থানের কারণ খুঁজছে।
গ্রামাঞ্চলে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ। বার্ষিক মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সর্বশেষ পরিমাণ ২৪ হাজার মেগাওয়াট। খাদ্য শস্যের উৎপাদন ৪৫০ লাখ মেট্রিক টন। এক থেকে দেড় কোটি নাগরিক বিদেশে চাকরি করে ডলার পাঠাচ্ছে।
গ্রামের বাজার এখন প্রতিদিন বসে। ঢাকার দামেই এখন গ্রামেই পাওয়া যায়। টাকা পরিশোধ বিকাশে। স্কুল কলেজের ছড়াছড়ি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৫০ টি।
ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে। হাতে হাতে মোবাইল। মিনিটে মিনিটে খবর। মানুষ ভাত কাপড় পাচ্ছে। শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম দুধের উৎপাদনও বেড়েছে।
সুতরাং আর পিছনে ফিরে তাকাবার সময় নেই। দ্রুতগতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক। নাম লেখাক বিশ্বের দরবারে।
“আমার সোনার বাংলা” নামটির যথার্থ প্রতিফলন ঘটুক। এমন প্রত্যাশা সকল বাংলাদেশির।
তথ্যসুত্র : বিভিন্ন পত্রিকা
বিজয় দিবসের অনেক শুভেচ্ছা রইল কবি মুক্ত আপু
বিজয়ের লাল সবুজ শুভেচ্ছা।
দীপ্তপদে এগিয়ে নিবো প্রিয় স্বদেশ আজকের দিনে এটাই একমাত্র প্রত্যাশা।
বেশ তথ্যসমৃদ্ধ লেখনীতে তুলে ধরেছেন নতুন বাংলাদেশ।
বিজয়ের সোনালী শুভেচ্ছা রইল আপু।
বিজয়ের লাল সবুজ শুভেচ্ছা।
অসামান্য ভাবনায় নান্দনিক লেখনী ।
আপনার চিন্তা ও চেতনায় সমৃদ্ধ ।
ধন্যবাদ ভাই।
বিজয়ের লাল সবুজ শুভেচ্ছা।
আমরা এগিয়ে চলেছি । অবশ্যই এগিয়ে যাব আরও।
শুভ কামনা রইলো।🥰🥰
ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
তথ্য সম্মৃদ্ধ পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। স্বাধীনতার পর হতেই এ দেশ ছিলো ফের রাজাকারদের কব্জায়।বিগত কয়েক বছর যাবৎ দেশ ক্ষমতায় স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির কাছে।এ অল্প কয়বছরে যে উন্য়য়ণ হয়েছে তা রীতিমত বিষ্ময়কর।দেশ আরো এগিয়ে যাক এই আশাই করছি।
জি ভাই। বিস্ময়কর!
এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়।
অনেক কিছুর উন্নতি হয়েছে, আয় বেড়েছে, চিকিৎসা সেবা বেড়েছে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হয়েছে কিন্তু মানুষের মনের কালিমা বেড়েছে, হিংস্রতা বেড়েছে, স্বাধীনতা নিয়ে দলাদলি, রেষারেষি বেড়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, উদ্দেশ্য মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে। স্বাধীনতা আজ পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ।
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
এখন, আমি বা আপনি প্রতিবাদ করতে গেলেই তো মাথা কাটা। তারপরেও চুপ থাকতে ইচ্ছা করে না। কলমের খোঁচায় দু এক লাইন চলে।
তথ্যমূলক লেখনী।
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা,দিদি ❤️
দাদা, ধন্যবাদ ও শুভকামনা
তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট। বাংলাদেশ মাথা নোয়াবার নয়। একজন বাঙালি হিসেবে অবশ্যই আমরা গর্বিত। দেশের অগ্রযাত্রা সমুন্নত থাকুক এটাই চাই।
ভালো থাকুন আপু, শুভকামনা সব সময়। বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা রইল।
আপনাকেও ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন সবসময়
পাকিস্থানের তুলনায় আমরা সব দিক থেকে অনেক এগিয়ে আছি।
বাংলাদেশের উন্নয়ন সারা বিশ্বেই প্রশংসিত, শুধু একশ্রেণীর হিংসুটে বাংলাদেশী এই উন্নয়ন স্বীকার করে না।
তাদের মুখে ছাই দিয়ে এগিয়ে যাবে আমাদের সোনার বাংলা।
ভালো পোষ্ট,
শুভ কামনা।
ইনশাল্লাহ্ বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে বিশ্বের দরবারে লাল সবুজ পতাকা ওড়াবেই।
শুভকামনা সবসময়।
অতি সুন্দর ও তথ্য সমৃদ্ধ একটি পোষ্ট তাতে কোন সন্দেহ নায়। আমরা এখন অনেক দিক থেকেই এগিয়ে। অনেক শুভেচ্ছা তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্টের জন্য।
জি ভাই। সবাই চাই, দেশটা আরও এগিয়ে যাক
অনেক চরাই উতরাই পেরিয়ে যাচ্ছে এগিয়ে।