গতদিন হরতালের ২য় কিন্তু প্রান গেল ৮জন মায়ের বুক শুন্য করে ৮ জনের। এতে দলের নেতা/নেত্রীর কিছু যায় আসে না। তারা ব্যাথিত না হয়ে দলের জন্য আনন্দিত কারন এতের লাশ ডিঙ্গিয়ে হবে শোক ও সরকার ও দেশ ধংসের অপরাজনিতি। এতে তো দেশ রক্ষা হবেনা? কোন কোন নেতা হয়ত গিয়ে সমব্যাদনা জানা বে আর কি? দায়িত্ব শেষ, আর মুল্যবান বাক্য হল আপনাদের ছেলে মরে নাই, দেশের জন্য শহিদ ও দেশের জন্য করবানি হয়েছে। শেষ তাদের দায়িত ও কর্তব্য।
![]()
এই ছোট ছোট ছেলেদের তারা অস্ত্র বানিয়েছে কোন নেতার সন্তান খুব কমই আছে।

এই গাড়ি মালিকের কি অবস্থা একটু সবাই কি অনুথাবন করেন রাজনিতি বিদরা।

কত কষ্ট ও শ্রমের বিনিময়ে এই সম্পদ অর্জিত এই চিন্তা কি তারা করে?

এই অস্ত্র কেন রাজনিতির নেতারা বহন করেনা?

দেশের এই সম্পদদের ক্ষতি পুরন কে দেবে?
মানুষ 
মানুষ যদি তাদের চাই তবে কেন এই সব বোমা তৈরি ও হামলা করা হয়?
দেশের মানুষ কি রাজনীতিবিদদের নিকট এটা আশা করে না শান্তি ও বন্ধু পরম পরায় বাস করতে চাই?
(y)
আমরা ক্রমাগত অসুস্থ হচ্ছি ।
এসব দেখলে মন খারাপ হয়ে যায়। এই হরতাল এড়ানো যেতো।
আমরা যারা রাস্তায় অসহায় অবস্থায় চলাচল করি সবাই থাকি আতংকে কি জানি কখন কি হয় এই বুঝি মরব না বাঁচব এই নিয়ে পালাতে থাকি বোমার আক্রমণে।
হরতাল অব্যশই এড়াতে পারতেন রাজনিতিকগন।
এক মত
\|/ বাংলার নোংরা রাজনিতী যত লাশ পড়বে ততই তারা উল্লাসে ফেটে পড়বে \|/
হরতাল এর রাজনীতির অবসান হওয়া উচিৎ ।
যে সরকারই আসুক হরতাল দেয়া চলবে না , এই আইন করে দিতে হবে।
কেন যে মায়ের সন্তানেরা পঙ্গপালের মত আগুনের ঝাপ দেয় পাগল কেন হয় তারা।
হরতাল মুক্ত দেশ চাই ।
অসুস্থ মানুষের কাজ এগুলো। সুস্থ রাজনীতি কি সত্যি আসবে না? নাকি হাসিনা-খালেদাদের ইচ্ছাতন্ত্রই গণতন্ত্র হয়ে রইবে?
তাই এখন দরকার নব্য বঙ্গবন্ধুর।