মোহনীয় ডুগডুগি

“”মোহনীয় ডুগডুগি “”

 

অতি সাধারণ ও ছোট একটি বাদ্যযন্ত্রের নাম ডুগডুগি । যা কিনা  হাতে থাকে ফেরিওয়ালার , বাজিগরের, নিম্নশ্রেণীর ব্যবসায়ীদের ।

আমাদের দেশের গ্রামগঞ্জে  এই যন্ত্র বাজিয়ে বাচ্চাদের আকৃষ্ট করা হয় । অত্যান্ত মোহনীয় তার শব্দশৈলী ।

গ্রামে জন্ম নেওয়া প্রতিটা বাচ্চা এই যন্ত্রের সাথে পরিচিত।সবাই এই যন্ত্রের শব্দ শুনে একটি বারের জন্য হলেও ছুটে গেছে  তার কাছে । গ্রামে জন্ম নেওয়া কেউ এটা অস্বীকার  করতে পারবে না ।

 

আজকাল অনেক কম শোনা গেলেও এক সময় ব্যাপক প্রচলন ছিল এই যন্ত্র বাজিয়ে বাচ্চা একত্রে করে সাপ খেলা , বানর খেলা ,ম্যাজিক খেলা দেখানোর।

সময় বদলে গেছে , পরিবেশ পালটে গেছে অনেক তবে সেই ডুগডুগির মোহনীয় শব্দটা কাল পরিক্রমায় এখনো একই আছে ।

এখনো সেই আগের মত জোর আছে , এখনো সেই আগের মত মন টানে । এখনো ডুগডুগির শব্দ শুনে সবাই একত্রে গোল হয়ে বাজিকরদের খেলা দেখতে বসে যায় ।

বৃদ্ধ বনিতা থেকে শুরু করে গ্রামে জন্ম নেওয়া প্রতিটা মানুষে অন্তরে যেন এই সুরটা বেধে আছে ।

আমৃত্যু বেঁচে আছে  আগের মত করে ।

সবার অন্তরে চিরকাল ধরে বেঁচে থাকুক

এই ডুগডুগি।

 

ফ্যাক্ট :  এই বয়সে ডুগডুগির শব্দ শুনে ছুটে যাওয়া ।

মোট পড়েছেনঃ ১,১৬১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. এক সময় ডুগডুগির খুব চল ছিল। সব পণ্য বিক্রেতার হাতে ডিগডুগি থাকতো। তারা গ্রামে পাড়া মহল্লায় ডুগডুগি বাজিয় ক্রেতার দৃষ্টি কেড়ে নিত। বানর খেলায় ডুগডুগির প্রচলন ছিল সবচেয়ে বেশী। এখন ডুগডুগি তেমন ব্যাবহার হয় না। বানর কেনায় এখনও ডুগডুগির চল আছে। আমাদের হারানো ঐতিহ্যগুলি আবার ফিরে আসুক।

  2. বাহ্ চমৎকার ভাই। এমন একটি বাদ্যযন্ত্র যা সত্যি মনকে সেইসব ফেরীওয়ালাদের কথা মনে করিয়ে দিল। মাঝে মাঝে নাটক সিনেমায় এটা দেখি কিন্তু বাস্তবে পহেলা বৈশাখ ছাড়া দেখা যায় না। খুব ভালো লাগলো আপনার এমন স্মৃতি রোমন্থন। শুভ কামনা রইলো

মন্তব্য করুন