এইসব বিষাদের শহরে

শহরের দরগাহ শরীফের মোড়ে বহু মানুষের ভিড়। কেউ কেউ বলছে মনে হয় বাঁচানো গেলোনা। আত্মাটা যায় যায় অবস্থা। কেউ যদি হাসপাতালে নিয়ে তাহলে হয়তো লোকটা…।
বৃদ্ধ বয়সী একজন মানুষ। বেহুশ, অনাহারী বাতাসে ঘুরপাক খেয়ে মাটিতে পড়ে আছে। অথচ মাথায় এক ফোঁটা পানি ঢালবার মতো কেউ নেই। আফসোস! বাঙালীরা শুধু চিল্লাচিল্লি করে লোকজন জড়সড় করতে পারে কিন্তু…।
পাশেই ২৬ শে মার্চের ভাষণ দেওয়ার জন্য মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। স্বাধীনতার গান, বিজয়ের শুভেচ্ছা বাণী পাঠকরার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে। অথচ, জীবিত মানুষটি স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত।
বৃদ্ধ বয়সী মানুষটিকে রিকশায় উঠাতে গিয়ে একটা পলিথিন ব্যাগের সন্ধান মেলে। হাসপাতালে ভর্তি করার পর ব্যাগটি খুলে দেখি সেখানে মুক্তিযুদ্ধের সার্টিফিকেট, পরিচয় পত্র, মুক্তিযুদ্ধ ভাতার বই আর বেশকিছু অগোছালো টাকা।

মোট পড়েছেনঃ ৭৯৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. বৃদ্ধ বয়সটা সত্যিই মানুষের জীবনের জটিল একটা সময়, সেই সাথে যদি দরিদ্রতার সহাবস্থান হয় তাহলে তো কথাই নাই। একজন মুক্তিযোদ্ধার এমন অবস্থা কাম্য নয়।

  2. বাস্তবতা এতই নির্মম, যেই মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে এতো আয়োজন তারাই অবহেলিত। ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকুন শুভ কামনা। শুভ সকাল

  3. শেষ সময়ে এত ভালোবাসার মানুষগুলো কেন যেন হঠাৎ করে দূরে সরে যায়।
    কি করে এত নিষ্ঠুর হয় মানুষ। কে জানে…….
    শুভকামনা।

  4. বড়ই মর্মান্তিক।
    মুক্তিযোদ্ধারা কষ্টে থাকারি কথা
    যারা ছিল প্রতিষ্টিত তাদেরকে
    অপবাদ দিয়ে করা হল হত্যা
    আরা যারা ছিল নি:শ্ব তারা মরল ধুকে ধুকে
    দীর্ধ ২১ টি বছর
    আজ চোখে পড়ে বেশী কারন সবাই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি এখন কৃতজ্ঞ।
    শুভ কামনা।

মন্তব্য করুন