- তুমিই আমার বেণীমাধবঃ সাদিয়া শারমীন।
সেদিন ছিল পহেলা শ্রাবণ,
ছাতিম গাছের নিচে-
বৃষ্টিতে ভিজেছিলে,
কদম ফুলটা নিয়ে।
তোমার দেয়া বকুল মালা,
খোঁপায় গুজিনি।
নিন্দা হবে বলে।
মনে মনে ডেকেছি তোমায় “বেণীমাধব।”
কারণ-
“আমি তখন নবম শ্রেণী,আমি তখন ষোল,
তোমার,আমার প্রণয় খেলা তখন শুরু হল।”
আমারও যে তোমায় ভেবে অংক হত ভুল।
জীবন খাতার প্রতিটি পাতা থাকেনি নির্ভুল।
তুমিও আমায় ভুলেছো বেশ “বেণীমাধবে”র মতই।
কর্পূরের মত উবে গেছে প্রেম,ভালবাসি যতই।
আমিও তাই গেয়ে উঠি-
“বেণীমাধব বেণীমাধব তোমার বাড়ি যাব
বেণীমাধব তুমি কি আর আমার কথা ভাব?”
মোট পড়েছেনঃ ৭৮৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
দারুণ প্রকাশ ।
ষোড়শী প্রেম দারুন লাগলো। ভালো লিখেন। ধন্যবাদ আপু। শুভ কামনা রইলো
ষোড়শী এই শিহরণ জাগানিয়া প্রেম সত্যিই ভোলার নয়, ভুল করার শ্রেষ্ট সময়ই এটা…….নষ্টালজিক
আরে বাহ্! দারুণ রোমান্টিক কবিতা।
চমৎকার উপস্থাপন
“বেণীমাধব বেণীমাধব তোমার বাড়ি যাব
বেণীমাধব তুমি কি আর আমার কথা ভাব?”
ষোড়শীর ব্যর্থ প্রেমের আকুতি
ভালই লাগলো।
শুভ কামনা।
বেণীমাদব তাড়াতাড়ি আসো।
ভাবো কিনা তাও বলো।
কিশোরী বেলার হৃদয়-পটে বেণীমাধবের ছবি অম্লান হয়ে আছে। আকুলতা ঝরে ঝরে পরছে বৃষ্টির মূর্ছনায়।
বেণীমাধব ফিরে আসুক এই দারুণ বেলায়।
চমৎকার লিখেছেন 🙂
* লেখার শিরোনামের নিচেই লেখকের নাম অন্তর্ভুক্ত থাকে। আলাদা করে আর দিতে হয়না।
শুভ কামনা 🌹🌹
বাহ 🙂
কিশোরী বেলার ভাবনা কবিতায় চলে এসেছে।
খুব সুন্দর কবিতা।
চমৎকার কবিতা। ভালো লাগলো্