একটা সময় অর্থের দূরত্ব,রক্তের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়

অর্থের দূরত্ব,রক্তের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়।

বড় হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভাই বোনের সম্পর্ক আর ভাই বোনের সম্পর্ক থাকে না। তখন যতোটুকু সম্পর্ক থাকে তা শুধুই সম্পদের।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হয় সম্পর্কের দূরত্ব বেড়ে যায়। একটা সময় এই সম্পর্কগুলো পরিমাপ করা হয় অর্থের মাপকাঠিতে।

অনেক নিকটাত্মীয় অর্থনৈতিক অস্বচ্ছলতার কারণে অনেকের কাছের আত্মীয় পরিচয় দিতে অনিচ্ছা পোষণ করেন। তাঁরাই আবার অনেক দূরসম্পর্কীয় সম্পদশালী আত্মীয়ের পরিচয় দিতে একটুও লজ্জাবোধ অথবা ইতস্তত করেন না ।

তখন পরিচয় দেয়ার ক্ষেত্রে মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায় নিজ স্ট্যাটাস। রক্তের সম্পর্ক বলে আপাতত তখন কোনো পরিচয় থাকে না। ভুলে যাই নিজেই নিজের রক্তের আত্মীয়কে। প্রিয় হয়ে ওঠে অনাত্মীয় গুলো।

ঈদে, অনুষ্ঠানে পারিবারিকভাবে দাওয়াত পায় না পরিবারের লোক, দাওয়াত পায় অর্থের মাপকাঠিতে আত্মীয় হওয়া অনাত্মীয় গুলো।

আস্তে আস্তে যখন এই অর্থের দূরত্ব বাড়তে থাকে তখন রক্তের সম্পর্ক গুলোর দূরত্ব বাড়তে থাকে। অনেকটা সময় পর রক্তের সম্পর্ক গুলো অর্থের দূরত্বের কারণে হারিয়ে যায়।

এভাবে একটা সময় অর্থের দূরত্ব,রক্তের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয় ।

মোট পড়েছেনঃ ৮৫৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

  1. অদ্ভুত! অর্থের দূরত্ব , রক্তের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়। এটি আমাদের প্রতিটি পরিবারের গল্প। ধন্যবাদ। শুভ কামনা রইলো

  2. বড় হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভাই বোনের সম্পর্ক আর ভাই বোনের সম্পর্ক থাকে না। তখন যতোটুকু সম্পর্ক থাকে তা শুধুই সম্পদের।
    বয়স বাড়ার সাথে সাথে মনে হয় সম্পর্কের দূরত্ব বেড়ে যায়। একটা সময় এই সম্পর্কগুলো পরিমাপ করা হয় অর্থের মাপকাঠিতে।
    অপ্রিয় সত্য। কিন্তু বাস্তব।
    চমৎকার উপস্থাপন।

    1. বড় হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ভাই বোনের সম্পর্ক আর ভাই বোনের সম্পর্ক থাকে না। তখন যতোটুকু সম্পর্ক থাকে তা শুধুই সম্পদের।

      ভালো বিষয়টি চোখে পরেছে।

  3. প্রতিটি কথার সাথে সহমত পোষন করছি। জীবনের কঠিনতম বিষয়গুলি তথা পর্দার আড়ালের প্রতিচ্ছবি।

    যেন এমনটাই এখন অঘোষিত নৈমিত্তিক জীবনধারা।

    সুন্দর লিখেছেন ভাইজান।

মন্তব্য করুন