বাঁশি

রোজ রাতে বাঁশি বাজতো। উমা! সেকি সুর। বর্ষায় বানের জলে ভেসে ঘাটে ভিড় জমায়। আমি! বিক্রিত সুরের প্রলোভনে।

দেহের বসতভিটায় প্রেম জন্মেছে। পড়ার টেবিলে শুধুশুধু আঁকিবুঁকি। সীমানাহীন কল্পনায় ভেসে মন যখন বিরহে দৌড়ায়, খোঁজখবরে জানি বাঁশির মালিক কে ?

আনন্দে আহ্লাদে মেতে উঠি। প্রিয়মুখ দর্শনে দেহের কলকব্জাগুলো শিহরিত হয়। হৃদয় পকেটে অনুভূতির আগুন দাউদাউ করে জ্বলে।

সারাদিনের অনেকটা সময়ই কাটে একসাথে। চোখে চোখ পরলেই বোবা হয়ে যাই। বুকে ধুকপুক কাঁপুনি বাজে। বলিনি অব্যক্ত কথাগুলো।

বর্ষাও শেষ। থইথই পানিতে ভাসে না বাঁশিরসুর। যে সুরে ডুবে ডুবে দিশেহারা।

এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট পেয়েছি গতমাসে। সেও পাড়ি দিয়েছে শহরে। অন্য কেউ ডুবে ভাসবে সুরের মূর্ছনায়।

মোট পড়েছেনঃ ১,০৩১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

  1. বাঁশির সুর দোলা দেয় মনে-দেহে। বাঁশি যেমনই হোক, সুর যদি হয় মোহনীয় হয়, তবে শ্রোতার হৃদে বর্ষার ঢেউয়ের মতোই ভাসবে বৈকি!

    ভালো লেখেন আপনি 🙂
    শুভ কামনা 🌹🌹

মন্তব্য করুন