কৃষাণ

রাখাল ছেলে,,

ঐ যে দেখছিস সবুজ গাঁয়ে,সবুজ ভরা মাঠ,
আবাদি জমি রঙিন ফসল-নেই ছেলেটার লাজ
ঐ যে দেখছিস সবুজ গাঁয়ে-সবুজ ভরা মাঠ,,
দীঘির জলে সাঁতার কাটা-সেই ছেলেটার স্বভাব!
নদী,,
ঐ খানেতে ছিল আমার সেই চপলা নদী
দুই ধারেতে কাশ বন রোদের ঝিলিমিলি,
কতো শহর ঘুরে এলাম,
পাইনি তো সবুজ গাঁয়ের ছবি ?
পানকৌড়ি আর মাছরঙ্গাদের,দৌরাত্ম্যের ভিরে
কতো নাও যে ভিড়িয়ে গেলো,মনুনদীর তীরে,
পানসি ছেলের জেলে নৌকা,কেয়ার মহাজনি…
সূর বাঁধতো বোন হাসেরে-ছলাৎ ছলাৎ ধ্বণী?
রোদ মাখাসেই ক্লান্ত দিনে গাঙচিলিকের খেলা….
জেলের জারে পড়তো ধরা রুইকাতলার দল!
কিষাণ,,

কিষাণ বৌয়ের নূপুর বাজে,নিত্য করে খোকা,
ফাগুন মাসের দুপুর হাসে,রোদ বাতাসের খেলা,
অগ্রহায়ণে সোনার ফসল, মন মাথালো গন্ধে
শস্য সফলা নদীর ধারে,ক্লান্ত দুপুর হাসে!
ঐ যে দেখছিস সবুজ গাঁয়ে-রাখল চড়ায় গোরু
কৃষক চালায় লাঙল ফলা,হাসে কৃষক বধূ,
মায়ের হাতের রান্না ভালো, সুস্বাদেতে মাখা
সবুজ গায়ে সব আনন্দ,শহর যেনো ফাঁকা!!

সঞ্জয় মালাকার/

মোট পড়েছেনঃ ১,২২২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

  1. সেই দেখা আর দেখা মেলে না। গাঁ গেরামও শহর হয়ে যাচ্ছে। সাথে সেই চেনা চিরসবুজ যেন হারিয়ে যাচ্ছে।
    গাঁ গেরামের সবুজ নিয়ে সুন্দর উপস্থাপন।

    1. হু – ঠিকই বলেছেন দিদি এমন দৃশ্যপট এখন আর দেখা যায় না। এখন তো গাঁ গেরামও শহর হয়ে যাচ্ছে।
      ধন্যবাদ দিদি, ভালো থাকুন সব সময় নিরন্তর কামনা।

  2. হারিয়ে যাওয়া যুগের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন। এখন যান্ত্রিক যুগ। সামনে আসছে রবোটিক যুগ।
    কবিতা সুন্দর হয়েছে।

  3. আপনার কবিতা পড়লেই সেই গ্রামে ফিরে যেতে মন চায়। সেই সুজলা সুফলা শষ্য শ্যামলা গ্রামটিকে খুব মিস করি। খুব ভাল হয়েছে কবিতা।

মন্তব্য করুন