নাগরিক অভাব

আঁকছি- একটি অভাবী মুখের অঙ্গচিত্র;

এ চোখেও কাজলের অভাব
এ কানেও ঝুমকোর অভাব
এ নাকেও নোলকের অভাব
এ গালেও টোলের অভাব
এ ঠোঁটেও লালের অভাব

পুরো মুখশ্রীতে আজ
মুখোমুখি সংঘর্ষের নিদারুণ অভাব।

অভাবেই কাটছে
সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত,সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়।

বলছি- লাজুক কাব্যের খোলস ভেঙ্গে
শুনছো কি?
এ নগরে অভাব অভাব হাহাকার
শুধু তুমি দীর্ঘমেয়াদী স্পষ্টভাষী
নাগরিকা, তোমার রসালো মনোতন্ত্রের অভাব।

নেত্রকোনা,  ময়মনসিংহ।

মোট পড়েছেনঃ ৯৭৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. হ্যা হ্যা এভাবেই আমি যখন থাকবো তখন পোষ্ট দেবেন নাজমুল, তাহলেই প্রথম হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবেনা।

    প্রেমিকার এত কিছুর অভাব হলেতো প্রেমিক এক্কেবারে ধরা!! ☺☺

    আহা! কত্ত হাহাকার। কবিতা ভালো লেগেছে ভাই।

    1. ধন্যবাদ ভাইয়া বারবার । আপনার জন্য এখানে আসতে পারা। প্রথম হওয়ার দরকার নাই , আপনাদের স্নেহ আর ভালোবাসা পেলেই আমি প্রথম।

      আর কবিতা যে শুধু কবির জীবনকেন্দ্রিক হয় তা নয় । সুতরাং কবিতাটি কবির জীবনের কোনো অংশের প্রতিচ্ছবি নাও হতে পারে। কবিতাটি একটি দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরতেও সক্ষম।

      সুতরাং, কবিতা এরকমেই কবির ভাবনায় এক , আর পাঠকের ভাবনায় বহুমাত্রিক।

  2. প্রেয়সীকে ভালোবেসে এই অভাবকে দূর করতে হবে।তবে প্রেয়সীর প্রেম স্বচ্ছ মানসিকতার উদয় করতে হবে।না হলে এই কষ্টজীর্ণ অভাব থেকে কিছুতেই মুক্তি মিলবেনা।কবিতাটি আরেকটু ভাব সম্প্রসারিত রুপ দেয়া উচিৎ ছিলো।জীবন মূখী লেখাতো এ জন্য বললাম।

    1. অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি মন্তব্য উপহার দেওয়ার জন্য।

      কবিতা যে শুধু কবির জীবনকেন্দ্রিক হয় তা নয় । সুতরাং কবিতাটি কবির জীবনের কোনো অংশের প্রতিচ্ছবি না। কবিতাটি একটি দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরতে সক্ষম।

  3. কাজল, ঝুমকো, নোলক, অধরের লালিমা সব অভাব পূরণ হয়ে যায় পরিপূর্ণ ভালোবাসায়। মনে প্রশান্তি থাকলে নগরের তপ্ত রাজপথকেও ফুলের আঙিনা মনে হয়। ভালোবাসার শক্তি অপরাজেয় হয়।

    সুন্দর লেখা। নাগরিকা শব্দটি ভালো লাগলো। নূতনত্বের ছন্দ এনেছে কবিতায়। শুভ কামনা নাজমুল, ভালো থেকো সব সময়। 🌹🌹

    1. কবিতা যে শুধু কবির জীবনকেন্দ্রিক হয় তা নয় । সুতরাং কবিতাটি কবির জীবনের কোনো অংশের প্রতিচ্ছবি না। কবিতাটি একটি দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরতেও সক্ষম।

      কবিতা এরকমেই কবির ভাবনায় এক , আর পাঠকের ভাবনায় বহুমাত্রিক।

      ধন্যবাদ আপু । আপনিও অনেক অনেক ভালো থাকবেন । এভাবেই অনুপ্রেরণা যোগাবেন।

      1. যেকোনো লেখাকেই লেখকের ব্যাক্তিগত জীবনি ভেবে নেয়া উচিৎ নয়। যতক্ষন না লেখক সেখানে নিজে তার উল্যেখ করেন। কবি, কবিতা পাঠের পর পাঠকদের পাঠক্রিয়ার প্রকাশের ব্যাপারটিকেও লেখকের মাথায় রাখতে হবে। পাঠক যখন মন্তব্য করেন, জরুরী নয় তিনি লেখাটি কে ব্যাক্তিগত ভেবেই পড়েছেন। হতে পারে পড়ার পর পাঠকের নিজের কিছু সংলাপ মনে এসেছে, আর সেটাই তিনি মন্তব্য হিসেবে প্রকাশ করেছেন। মনে রাখতে হবে, লেখায় লেখকের ভূমিকা একটি, সে লিখেছেন। আর পাঠকের ভূমিকা দুটি, সে পড়েছেন এবং মন্তব্য লিখেছেন। অতএব পাঠকের সুবিধা অগ্রাধিকার প্রাপ্য।

        শুভ কামনা 🌹🌹

  4. নিদারুণ অভাব।

    অভাবেই কাটছে
    সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত,সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়।
    চমৎকার লিখেছেন দাদা ।
    শুভ কামনা।

  5. এতো চমৎকার লেখার লিখুনির আর অভাব হয়! আবার অভাব না হলে যে তার গুরুত্বও বুঝা যায় না।প্রেমিকা বিশ্লেষণধর্মী কবিতা।খুব ভাল হয়েছে।

মন্তব্য করুন