চিলেকোঠার দেয়ালে লেখা অজস্র নাম
জলের গভীরে বয়ে যাওয়া একটি পরিত্যক্ত বিস্মৃতি
ব্রিজের ওপারে মলাটের বই
হাতের উপর পরিচিতির সিলমোহর
অভিজাত একটি যুগকে পেছনে ফেলে,
ওয়ান ম্যান আইল্যান্ডের গা ছুঁয়ে বয়ে যায় এক হাজার দ্বীপবহনকারী সেন্ট লরেন্স নদী।
থাউজেন্ড আইল্যান্ড ক্রুজে
ইউএসএ।
২০ আগষ্ট, ২০১৮ ইং।
★বেশ লম্বা ট্যুর দিলাম এবার গ্রীষ্মে। আশা করি ভ্রমণকাহিনী লেখার। সময়, পরিবেশ সবকিছু মিলিয়ে এখনও মস্তিষ্ক স্থির হয়নি। ক্রুজে বসে এই লাইনগুলো লিখেছিলাম। সম্পাদনা ছাড়াই দিয়ে দিলাম আমার সোনেলার জন্যে।❤
মোট পড়েছেনঃ ৭৭৬জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
আপনার ভ্লাইন গুলো পড়লাম মুগ্ধ হলাম। আপু।
গা ছুঁয়ে বয়ে যায় এক হাজার দ্বীপবহনকারী সেন্ট লরেন্স নদী—- এখানেই শুরু থেকে শেষ অবধি উত্তর মেলে।
মজিবর ভাই থাউজেন্ড আইল্যান্ড বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানেই লিখেছি ক্রুজে বসে।
হটাৎ কিছু শব্দ যা মনের জানালায় উঁকি মারে। তার হাসিটা বড় মধুর। এ লাইনগুলো মুচকি হাসিতে হেসে উঠেছে।
লিখে ফেলো ভ্রমণ কাহিনী আপু।
আপু লিখতেই তো পারছিনা। মনস্থির করার চেষ্টায় ব্যর্থ। দেখি পরে পারি কিনা লিখতে!
থাউজেন্ড আইল্যান্ডে যেতে হবে একবার,
ওখানে গিয়ে ক্রুজে চড়ে এমন লাইন আসে কিনা দেখুমনে 🙂
নানা একটা নদীতে প্রায় ১৫৬৪ টি দ্বীপ, ভাবা যায়!
হম একবার যেও কানাডায় এলে।
পার-কবিনীদের এই এক মস্ত সুবিধে, সময়- বেসময় হাফ/ফুল টিকেট কুন ব্যাপার না!!
নদী বয়ে যায়
অজানার সীমায়,
পিছু না ফিরে
শুধুই কান্দায়!!
কবি হইতারলাম না, আম্নের মত!!
ভ্রমণ কাহিনীর অপেক্ষায় সময় গুজরান চালু রাখলাম।
;?
🙂
কুবিরাজ ভাই কবি যে কে, সেটা তো এই সোনেলার সকলেই জানে। ডরে আমি লেখাই ছাইড়্যা দিছি।
ভ্রমণ কাহিনীতে নজর লাগছে। কিছুতেই লিখতে পারছি না। 🙁
এ সব বলে পাড় পাবেন- না!!
লিখুন ও লিখুন।
আপনি বড়ো জ্বালান। ^:^
বাহ কি চমৎকার প্রতিটি লাইন !!!
লিখতে পারি কই আর! এসব তো চোখে দেখা কথা!
ধন্যবাদ আপনাকে।
কবিতার লাইনগুলি চমৎকার আপু, ভ্রমন কাহিনীরর অপেক্ষায় রইলাম। আমার খুব পছন্দের।
ভ্রমণ কাহিনী লেখার চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়তই। কিন্তু পারছিনা কিছুতেই। দেখি কবে পারি আবার লিখতে!
ধন্যবাদ আপনাকে।