অশুদ্ধ – শুদ্ধ (১ম পর্ব)

incotect-1-2

বানান নিয়ে এতদিন বহু বক বক করলাম।অনেকেই হয়তো মনে মনে গালি দিচ্ছেন 🙁  (-3   কেউ কেউ বলছেন, বয়স হয়ে গেছে, এখন আর মনে থাকে না। কেউ কেউ বলছেন, ব্যাকরণ বড্ড কঠিন। তাই আর কি করা, সকলের সুবিধার্থে এবার আর ব্যাকরণের আশে-পাশে না গিয়ে সহজভাবে অশুদ্ধ ও শুদ্ধ বানানগুলি পাশাপাশি দেবার চেষ্টা করছি।

অশুদ্ধ – শুদ্ধ

১। অংক – অঙ্ক

২। অংকন – অঙ্কন

৩। অংকুর – অঙ্কুর

৪। অংগ – অঙ্গ

৫। অংগন – অঙ্গন

৬। অংগাংগী – অঙ্গাঙ্গি

৭। অকল্যান – অকল্যাণ

৮। অকারন – অকারণ

৯। অগ্রগন্য – অগ্রগণ্য

১০। অগ্রহায়ন – অগ্রহায়ণ

১১। অচিন্ত – অচিন্ত্য

১২। অচিন্ত্যনীয় – অচিন্তনীয়

১৩। অঞ্জলী – অঞ্জলি

১৪। অণ্বেষণ – অন্বেষণ

১৫। অতিথী – অতিথি

১৬। অতিব – অতীব

১৭। অতিষ্ট – অতিষ্ঠ

১৮। অত্যাধিক – অত্যধিক

১৯। অত্যান্ত – অত্যন্ত

২০। অদ্ভূত – অদ্ভুত

২১। অদ্যপি – অদ্যাপি

২২। অদ্যবদি – অদ্যাবধি

২৩। অধঃস্তন – অধস্তন

২৪। অধিকরন – অধিকরণ

২৫। অধীনস্ত – অধীনস্থ

২৬। অধ্যাবসায় – অধ্যবসায়

২৭। অধ্যায়ণ – অধ্যয়ন

v

২৮। অধ্যূষিত – অধ্যুষিত

২৯। অনিন্দসুন্দর – অনিন্দ্যসুন্দর

৩০। অনিষ্ঠ – অনিষ্ট

৩১। অনু – অণু

৩২। অনুকুল – অনুকূল

৩৩। অনুর্ধ্ব – অনূর্ধ্ব

৩৪। অনুসঙ্গ – অনুষঙ্গ

৩৫। অন্তঃসত্তা – অন্তসত্ত্বা

৩৬। অন্তকরণ – অন্তঃকরণ

৩৭। অন্তর্ভূক্ত – অন্তর্ভুক্ত

৩৮। অন্তর্মুখি – অন্তর্মুখী

৩৯। অন্যমনষ্ক – অন্যমনস্ক

৪০। অপসৃয়মান – অপসৃয়মাণ

৪১। অপাংক্তেয় – অপাঙ্‌ক্তেয়

৪২। অপেক্ষমান – অপেক্ষমাণ

৪৩। অভিভুত – অভিভূত

৪৪। অভিমুখি – অভিমুখী

৪৫। অভ্যন্তরিক – আভ্যন্তরিক

৪৬। অভ্যস্থ – অভ্যস্ত

৪৭। অমানুসিক – অমানুষিক

৪৮। অমাবশ্যা – অমাবস্যা

৪৯। অমিতাক্ষর – অমিত্রাক্ষর

৫০। অর্ধ্ব – অর্ধ

৫১। অর্পণা – অপর্ণা

৫২। অলংঘ – অলঙ্ঘ্য

৫৩। অশিরিরী – অশরীরী

৫৪। অসুয়া – অসূয়া

৫৫। অস্তমান – অস্তায়মান

৫৬। অহঃরহ – অহরহ

চলবে ………………

সুত্রঃ উইকিপিডিয়া

মোট পড়েছেনঃ ১,৯৪২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪০টি মন্তব্য

    1. আপনাকেও ধন্যবাদ।
      বানান বিষয়ের উপর আগেও কয়েকটি পর্ব সোনেলায় আছে। সময় পেলে দেখে নিতে পারেন।
      অশুদ্ধ-শুদ্ধ পোস্ট কয়েক পর্ব ধরে চলবে।

    1. আমার পোস্ট প্রথমে প্রিয়তে নেয়ায় অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। পোস্টগুলো পড়ে কারো বিন্দুমাত্র উপকার হলে আমার ভালো লাগবে।

      পাশে থাকবেন।

  1. আমার খুবই কাজে দেবে, তবে আসল সূত্র না জানা থাকলে
    সমস্যা থেকেই যাবে,
    আমার মত ভুল-ভাল লেখা চালু থাকবে,

    অবশ্য এটি চট করে দেখে নিলে অনেক উপকার,
    এই যেমন একটি আগেও টুপ করে দেখে নিয়েছি।

    1. সূত্র জানতে হলে ব্যাকরণ দিতে হবে সাথে। কার কার আবার ব্যাকরণ অসহ্য লাগে তাই এবার এ পদ্ধতি অনুসরণ করলাম। আগের পর্বগুলো মুখস্ত হয়েছে কি না একটা পরীক্ষা নিয়ে দেখতে হবে। 😉
      ভালো করে মুখস্ত করেন কইলাম 😀 😀

  2. আমার জন্য বিশেষ উপকারী পোষ্ট।
    আমি অংক, অংগ এভাবে লিখি ,আমি জানি এটা ভুল কিন্তু উপায় নাই । কারন আমি মোবাইলে লিখি।আমার কি বোর্ডে অনেক অক্ষর নাই তাই বাধ্য হই লিখতে।
    ধন্যবাদ মাষ্টার আফা। 😀

    1. মোবাইলে না থাকলেতো কিছু করার নাই। সেই ভুল ক্ষমা যোগ্য বলিয়া ঘোষণা করা হইলো 😉

      পোস্ট পড়ার জন্য আফনারেও ধন্যবাদ বুড়ি আফা 😀

  3. লিখলেনতো অনেক এবার মনে রাখতে পারলেই হলো।তবে যখনি প্রয়োজন পড়বে তখনি এই পোষ্টগুলো দেখে নিবো তাই প্রিয়তে নিলাম। -{@

    1. প্রিয়তে নেয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
      দেখতে দেখতেই একসময় মুখস্ত হয়ে যাবে 🙂 তখন আর দেখতে হবে না।

      পাশে থাকবেন।

    1. আপনার ভুল অনেক কমেছে জেনে ভালো লাগছে। তবে এখনো একটি ভুল খুব বেশি করেন। তা হচ্ছে ‘বের’ ‘বেড়’। যেমন:

      ১। বের- বাহির হওয়া। উদাহরণ : বাসা থেকে বের হলাম। পেস্ট বের করেছি। বেড়াতে বের হয়েছি।

      ২। বেড়- বেড়া, ঘিরে রাখা। উদাহরণ : বাগানের গাছগুলো বেড় দিয়ে রাখা হয়েছে।

      একটু খেয়াল করলেই ভুলগুলো কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ।
      অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    1. উইকিপিডিয়াতে দেখলাম প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুসরণ করে বানান আপডেট করা এমন লেখা আছে।

      প্রিয়তে নেয়া এবং মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ভাই।

    1. * সংস্কৃত ইন্‌-প্রত্যয়ান্ত শব্দের দীর্ঘ ঈ-কারান্ত রূপ সমাসবদ্ধ হলে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম-অনুযায়ী সেগুলিতে হ্রস্ব ই-কার হয়।

      যেমন: গুণী → গুণিজন, প্রাণী → প্রাণিবিদ্যা, মন্ত্রী → মন্ত্রিপরিষদ।

      * তবে এগুলোর সমাসবদ্ধ রূপে ঈ-কারের ব্যবহারও চলতে পারে।

      যেমন: গুণী → গুণীজন, প্রাণী → প্রাণীবিদ্যা, মন্ত্রী → মন্ত্রীপরিষদ

মন্তব্য করুন