আবর্তন

ভোরের আগমন...
ভোরের আগমন…
অনন্ত পথ পাড়ি দিয়ে সহজ-সরল এক ভোর এলো অবশেষে।
ঘুমের দরোজা বন্ধ করে দিয়ে
আলো নুয়ে ছুঁয়ে গেলো চোখের জানালা।
বেজে ওঠে তানপুরায় ভৈরবী তান
সেই ঝঙ্কারে আড়মোড়া ভেঙ্গে জেগে ওঠে প্রকৃতি
হে আগন্তুক,
আসন গ্রহণ করো দিনের এই প্রথম লগ্নে;
ওই দেখো, নতূন এক ভোর সময়ের উঠোনে এসে দাঁড়িয়েছে
দ্বিধাহীন এই পথযাত্রায় সেই তারই পদচিহ্ন!
তপ্ত চৈত্রের এমন উৎসব কবিতা ছাড়া কি মানায় বলো?
কিছুতেই না!
কার আগমনী বার্তা শুনিয়ে যাচ্ছে ঝরা পাতারা?
আগামী ডেকে যাচ্ছে আজকের এই আজকে,
এসো, ধরো হাত।
 চলো যাই এ বছরের গানের অস্থায়ী থেকে আগামীর অন্তরা পেরিয়ে সঞ্চারীতে।
হ্যামিল্টন, কানাডা
১০ এপ্রিল, ২০১৬ ইং।
(3  প্রথম ছবিটি হ্যামিল্টন শহরের ভোর ছোট্ট সেলফোন থেকে তোলা
(3  দ্বিতীয়টি আমার ছেলে নভোনীল তীর্থের। ২০০৮ সালে ও সিলেটের স্কলার্সহোম স্কুলের ছাত্র ছিলো।
-{@  সকলকে বাংলা নববর্ষের হার্দিক শুভেচ্ছা।  -{@
শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা...
শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা…
মোট পড়েছেনঃ ৭৫১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. শুভ নববর্ষ দিদি।
    ভূমিকম্পের কঠিন ঝাঁকুনির মধ্য দিয়ে নতুন বছরে ঢুকেছি। কপালে কী আছে একমাত্র উপরওয়ালা ভালো জানেন। 🙁

      1. খুব ভয় লাগে গো দিদি। আমি কাজে থাকি সময়ে বাচ্চা দুইটা দুই জায়গায় থাকে। ওদের নিয়ে চিন্তা হয় খুব। তিনজনে তিন জায়গায় থাকাকালীন সময়ে ভূমিকম্প হলে কী হবে ভেবে ওরাও খুব ভয় পায়। 🙁

  2. ভোরকে নিয়ে তোমার লেখাটা অত্যন্ত ভালো লেগেছে,
    শুন্য শুন্যালয়ের ভোর আর তোমার ভোর আলাদা, মেজাজও ভিন্ন 🙂

    নববর্ষের শুভেচ্ছা তোমাকে।

      1. যতদুর জানি, শুন্য শুন্যালয়ের এক্সাম জুলাই মাসে, ২৪ ঘন্টার ৩০ ঘন্টা পড়াশুনা করেও পাস করা কঠিন
        জুলাইয়ের আগে তিনি আর আসছেন না সোনেলায়।
        দোয়া করো তার জন্য

  3. ভোরকে নিয়ে লেখা কবিতা, আড়মোড়া ভেঙে চায়ের কাপে চুমুকে কবিতা আবৃত্তি কিন্তু মন্দ না। সারাদিন এক রোমান্টিক ভাব থাকে।
    আর চৈত্রের খর দুপুরে, একলা ঘরে মৃদু শব্দে কবিতার চরণ শুনতে কেমন মন আমার চনমনে।
    নববর্ষের শুভেচ্ছা রইলো। যদিও দুদিন পরে।

মন্তব্য করুন