নামে-বেনামে

দিন আসে, রাত যায়।

দেয়ালে সাঁটানো কিংবা সমাজে ঝোলান হাসি মুখ

একই রকম রয়ে যায়।

 

ভরা পূর্ণিমা কারো মনে প্রেমের আকুতি,

কিংবা কারো স্বপ্নের প্রেয়সী

আবার, কারো কাছে ফুটো থাকা ভিক্ষের আদুলি।

 

বট কিংবা পাকুড় দেখিয়ে যাও।

বল- এ হল সময়ের প্রতীক, মহাকালের পরমানুভূতি

অথচ, এই বট পাকুড়ের ছায়াতেই মিশে আছে নিভে যাওয়া হাসির ফাঁসির দড়ি।

 

চুলে পাক ধরে, চামড়া ঝুলে পড়ে।

তবু আস্তিনে লেপ্টে থাকা ঘামের মতই হাসিটাও অমলিন জেগে থাকে

এই ‘ভাল আছি’ হাসির সাথে ভাল থাকার অনুভূতিটুকুও মুছে গিয়েছে।

মোট পড়েছেনঃ ৬৭১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫৮টি মন্তব্য

        1. আয় হায়!!! আমি লেখক, কবি এইসব ভারী উপমার যোগ্য হতে পারলে এতোদিনে বর্তে যেতাম নিশ্চিত \|/

          আসলে আমরা সবাই বেঁচে আছি। কেউ সেটার মানে জানি, কেউ মানে জানতে বেড়িয়ে পরি আবার কেউ বেঁচে আছি কি নেই তাতেই প্রশ্ন রাখি 😀

  1. নামে -বেনামে বলে এমন অসাধারন ভাবনাগুলো কতদিন আড়াল করবি দাদা ভাই?
    দেয়ালে সাঁটানো কিম্বা সমাজে ঝোলান হাসি মুখ… ভালো আছি হাসির সাথে অনুভূতিও মুছে যায়। ইশ রে, অনেক ভালো লিখেছ। কেউ জিজ্ঞেস করছে কেমন আছো? এক হাতে ঘাড়ে হাত দিয়ে ব্যাথা বুলাই আর বলি, ভালো আছি। হাসির আড়ালে কতকিছু আড়াল হয়ে যায় তার কুল কিনারা নাই গো দাদা।
    তুইও কি ঠিক করেছিস, মন খারাপ করিয়ে দিবি? নাহ্‌ তুই কবিতা শেষ করেই দাঁত কেলাচ্ছিস, আমিও তাই করুম 😀
    দারুন কবিতা, তিন সত্যি। (y) -{@

    1. উ লা লা উলাল্লা
      হাসিতে উলালা…

      কবিতার ভেতরে ঢুকে গেলে কি করে শুন্যাপু!!! ;? দারুণ জবাব দিয়েছো… তোমাকে তাই হাসসতে নাচতে ফুলেল হাসি :D) \|/ -{@ 😀

      1. ছায়া বড় শান্তির ( ভূতের ছায়া বাদে ), ওর মধ্যে ফাঁসি ঢুকাতে নেই। দুঃখ হচ্ছে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেবার জিনিস। বুঝলি?
        তুই এর জবাবে তুমি হয় কি করে?

  2. -{@ বট কিম্বা পাকুড় দেখিয়ে যাও।

    বল- এ হল সময়ের প্রতীক, মহাকালের পরমানুভূতি

    অথচ, এই বট পাকুড়ের ছায়াতেই মিশে আছে নিভে যাওয়া হাসির ফাঁসির দড়ি। -{@

    সুন্দর কটি লাইন।

  3. চটের ব্যাগে ভরা বাজার এবং পথের পাশের ঘুম
    মানুষের সমান্তরাল দ্বৈততা।
    চতুষ্কোণের বাইরে দৈন্যতা ভরা হাহাকারের নীচেও
    খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে স্বর্গের শিশু
    মর্ত্যের বুকে কালিঝুলি মাখা, ডাষ্টবিনের পাশে
    আকাশের নীল কিংবা শ্রাবণের বৃষ্টি
    রঙ আনে চতুষ্কোণে।
    চটের বস্তা ভেঁজে মানুষের গায়ে।

    নীতেশদা মাত্র লিখলাম। কিন্তু আপনার লেখা পড়ার পর থেকে কথাগুলো মাথার ভেতর এলোপাথারিভাবে পায়চারি করছিলো।

    ও মনু এমন লেখা লেখেন ক্যামনে? ;? -{@

    1. মানুষের পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের কোন একটির স্পর্শ পেলেই তবে মানুষ কল্পনা করতে পারে, সেই কল্পনাকে শব্দে লিখে, শব্দে বলে, চিত্রে, চলচ্চিত্রে দেখাতে পারে। অর্থাৎ অভিজ্ঞতা না এলে মানুষ জানে না কি করতে হবে, বলতে হবে। অন্য অর্থে The limitation of Human species is they can’t draw a single moment in an any or single visible, hearable without experiencing it. But after experiencing there is no limitation of Human species to drawing the same thing in many ways.

    2. নীলা’দি আপনার এই হঠাৎ পাওয়া ভাবনাগুলোর সাথে আমার ভাবনার সাথে পাশাপাশি রাখলে পরিষ্কারভাবে দেখা যায়ঃ

      আশাবাদী আপনার ভাবনায় আমাকে হতাশাবাদী দেখাচ্ছে 😀 :c

      1. ধ্যৎ কি যে বলেন না দাদা। আপনি হতাশাবাদী র স্বয়ং ঈশ্বর এসে বললেও বিশ্বাস করবো না। একটা খুব সত্যি জানি যারা অনেক হাসে, হাসায় তাদের বোঝার মানুষ নেই, থাকেনা।

        ভালো থাকবেন

  4. কিম্বা কে এভাবে লেখা যায়? আজ জানলাম 🙂
    “ভালো আছি” হাসি আর “ভালো থাকা”র হাসি কিন্তু দুইরকম। আমি দেখলেই বুঝতে পেরে যাই, যদি চাই।
    চমৎকার একটা কবিতা পড়লাম নীতেশ দা…… (y)

    1. আমার বানাম ভুল হয় অনেক অসাবধানতা ও অজ্ঞতার কারণে। কিংবা বলা যায় অনিচ্ছাক্রিত কারণে :p ঠিক করে নিচ্ছি, থ্যাঙ্কু ভেরি মাচ। -{@

      আপনি তাহলে অনেক অনেক সৌভাগ্যবান একজন যিনি ভাল আছি আর ভাল থাকার তফাৎ বুঝে নিতে পারেন -{@

      থ্যাঙ্কু 😀

মন্তব্য করুন