মূল লেখায় যান

ভেতর বাহির এবং আমি…

জবরুল আলম সুমনএকান্ত অনুভূতি, কবিতা, সাহিত্য৫টি মন্তব্য

১.
ট্রেনের ফ্ল্যাট ফর্মে দাঁড়িয়ে
যে দুটো চোখ আমাকে
গিলে খেতে চেয়েছিলো-
ও দুটো চোখের বাহির দেখেছি শুধু,
দেখিনি ভেতরের চঞ্চলতা।
আমার উদাস দৃষ্টি সেই চঞ্চলতাকে
সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে  কাঁচের জানলা
বেয়ে পৌছে গিয়েছিলো
খুব কাছে থেকে বহুদূর।

২.
আমি তার মুখোমুখি সেও আমার
একই কম্পার্টমেন্টের ভেতর,
আমার চঞ্চল হৃদয় তাকে গিলে খেতে চায়
সে চায়না না আমায়।
বহুদূরে নিক্ষেপিত দৃষ্টি স্থিতিশীল হয়না,
মরিয়া হয়ে উঠে ভেতরে আসার জন্য-
অথচ তার ফর্সা বাহির দেখে
সহজে ধরা পড়েনা ভেতরের অন্ধকার।

৩.
আর কিছুক্ষণ পরেই ট্রেনের চাকাগুলো
নিথর হয়ে যাবে পাথরের মতোন,
সজীব হয়ে উঠবে ভ্রমনক্লান্ত প্রাণগুলোও।
আমিও উঠে দাঁড়িয়েছি নেমে যাবো বলেই
“জনাব, কিছু ফেলে গেলেন কি ?”
বাসের মতোন লেখা ভেসে উঠেনা ট্রেনের দরজায়
তবুও আমি স্মরণ করি কিছু ফেলে গেলাম কি ?

জবরুল আলম সুমন
বাণীনগর, লালমনির হাট।
১লা জুন, ২০১১ খৃষ্টাব্দ।

মোট পড়েছেনঃ ১০৩১জনআজ পড়েছেনঃ ০জন

৫টি মন্তব্য

    1. সবাইকে দিয়ে সব কিছু হয়না যেমন আমাকে দিয়ে কবিতা, অন্তত আপনার মতো কবিতার দক্ষ কারিগর আমি নই। বছর দেড়েক আগে আমি উত্তরবঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলাম, উল্লেখিত স্থানে রেল লাইনের উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে লেখার বিষয়গুলো মাথায় ঢুকলো, নিজের মতো করে আগোছালো ভাবে লিখে ফেললাম। লেখাটি আপনার ভালো লেগেছে জেনে বেশ প্রীত হলাম হেলাল ভাই…

মন্তব্য করতে লগিন করুন অথবা নিবন্ধন করুন।