অসম্পূর্ণ কিছু পংক্তি

*প্রথমা*

প্রতিযোগিতা যন্ত্র এবং   চাঁদের 
প্রতিযোগিতা যন্ত্র এবং   চাঁদের

কতোকাল হয়ে গেলো একটি বিকেল ঘাসফড়িঙের পেছনে ছুটোছুটিতে আর নেই। সন্ধ্যের চাদর জড়িয়ে একটি কৈশোরী বেলা সলজ্জ্ব উঁকি দেয়না, কতো বছর জানি! উত্তপ্ত রাজপথে দৃপ্ত পদক্ষেপে সকল চোখ রাঙানো উপেক্ষা করে, হেঁটে যাওয়া একটি তরুণী বেলা চশমার নীচে ঝাঁপসা হয়ে ভেংচি কাটে। কতোকাল….

*দ্বিতীয়া*

হিসেব কষতে পারিনা, বড়ো ভুল আজকাল অঙ্কে।ভুল, বড়ো ভুল।

*তৃতীয়া*

শিশিরের জলে কবে ধুঁয়ে-মুঁছে গেছে ঘাসের ধূলি ।নিশ্চিন্তে শুয়ে আছে ভোর। শরতের শরীর জুড়ে খেলা করে কচি রোদ, নীল আকাশ চেয়ে দেখে।চিরস্থায়ীভাবে আটকে থাকা সময়ে হৃদয়ের ওভাবেই অবস্থান। দুজন থেকে একে আজ সমান্তরালভাবে ছুটছে। শূন্যে ভেসে ভেসে একদিন হয়তো মৃত্যুর দেশে দেখা হবে। জীবনের কথা অনেক হলো, এবার একটু সত্যিকারের হাসির কথাই ভাবি।

*চতুর্থী*

পৃথিবীটা এখন বড়ো বেশী ক্লান্ত এবং বিপর্যস্ত ।এখানে আর কোনো নির্ভেজাল, নি:স্বার্থ হাসি নেই।অপ্রয়োজনে কেউ শব্দব্যয়ও করেনা। বিষণ্ণ বাতাসে থমকে আছে চারদিক। পৃথিবীটা আজকাল বড়ো বেশী নীরব এবং নিস্তব্ধ। রুটিনমাফিক কেবল ঘুরেই যাচ্ছে।

*পঞ্চমী*

ধরা যাক তোমার চালে ধরা খেলাম। ইস যদি সত্যি ধরা খেতা। মাঝে-মধ্যে বোকাদেরও হোঁচট খাওয়া বুদ্ধি হয়, পাশায় জেতে । কিন্তু বিশ্বাস করো , আমি হেরেই যেতে চেয়েছিলাম আজ।

*ষষ্ঠী*

তবুও ভালোবাসা
তবুও ভালোবাসা

তবুও ভালোবাসা রং ছড়ায়। প্রতিযোগিতা যতোই হোক না কৃত্রিম-অকৃত্রিমে। জয়ী হয় ওই আধখানা চাঁদ-ই। ক্লান্তবিনোদনও একটুকরো হাসিতে মেতে ওঠে। ভালোবাসা রঙ ছড়ায় বলেই আয়না জুড়ে স্বচ্ছ এই মুখশ্রীর হাসিটুকু আলো ছড়ায় সবখানে।

হ্যামিল্টন, কানাডা
তারিখ ভিন্ন ভিন্ন।

মোট পড়েছেনঃ ৯৭০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৯টি মন্তব্য

  1. নীল পরি আজ কি তুমি একটু অস্থির? ভাবনা গুলো উড়ে বেড়াচ্ছে এখান থেকে সেখানে। অতীত বর্তমানের সময় গুলো হাতের মুঠোয় আনতে চাচ্ছ। কি হয়েছে মেয়ে? আজ তুমি বিষন্ন ? তোমার আঙিনায় কি আজ বৃষ্টি হচ্ছে? জোছনা ঝরেনি রাতে?

    1. আরে না আপু। এসব রাস্তায় হেঁটে হেঁটে আউল-ফাউল লেখা। কিন্তু দিয়েছি যে কেন! মাঝে-মধ্যে হয় এমন লেখায় মাথা কাজ করা ছেড়ে দেয়। হৃদয় দিয়ে লেখা না।যে এসব।

  2. এই যদি অসম্পূর্ণ পংক্তি হয় তবে সম্পুর্ন পংক্তি চাই না
    অনেক ভালো লেগেছে প্রতিটি।

    ” তবুও ভালোবাসা রং ছড়ায়। প্রতিযোগিতা যতোই হোক না কৃত্রিম-অকৃত্রিমে। জয়ী হয় ওই আধখানা চাঁদ-ই। ক্লান্তবিনোদনও একটুকরো হাসিতে মেতে ওঠে। ভালোবাসা রঙ ছড়ায় বলেই আয়না জুড়ে স্বচ্ছ এই মুখশ্রীর হাসিটুকু আলো ছড়ায় সবখানে। ” ——– বারবার পড়ছি এটি।

    1. নানা তোমার সত্যি ভালো লেগেছে? আমার একটুকুও ভালো লাগেনি। তবুও কেন যে মাথায় ছিট ধরলো সময় না দেখেই লেখাটা দিয়ে ফেললাম। ^:^

  3. এ যে একের মধ্যে অনেক।
    কো্‌নটা রেখে কো্‌নটা পড়ি, কোন্‌টা রেখে কোন্‌টায় যাই
    দারুণ এক যন্ত্রণায় জড়াই।
    সব রং বুকে নিয়ে ভালোবাসা ভালোবাসুক ভালোবাসাকেই।

      1. ভালো লাগলো সহজভাবে সত্যিটা বলেছেন বলে। লেখার ব্যাপারে মন থেকে যিনি সত্যি বলেন, আমি তাঁকে অনেক বেশী সম্মান করি। কৃতজ্ঞতা।

      1. স্বাগতম আপু। দীর্ঘ পাচঁকর্ম দিবসের নির্বাসন কাটিয়ে মন্তব্য করতে পেরেছি, একটা সুন্দর লেখাতে সেটাও কম না। জানিনা কি হয় আমার, কমেন্টস করতে পারি না মাঝে মাঝেই, নিরব পাঠক হয়ে যেতে হয় আমায়।

        1. সেটা ত বলতে পারিনা, সোনেলায় আসার পর থেকে দ্বিতীয়বারের মত এমন হল। প্রথমবার এত দীর্ঘায়িত ছিল না, কিন্তু এই বার একটা দীর্ঘ হয়ে গিয়েছিল। জিসান ভাই অবশ্য চেষ্টা করেছিল সমাধান করার কিন্তু হয়নি। পরে এমনিতেই ঠিক হয়ে গেছে।

  4. নীলা আপু, আপনার লেখায় আজ আমার মন ভরেনি। অবশ্য কিছু লেখা থাকে নিজের জন্যে, তাও হতে পারে। অনেকদিন পরে সোনেলায়। এমনও হতে পারে আমার জ্বর জ্বর লাগছে বলে হয়তো স্বাদবোধ কম কাজ করছে। মাথায় কিছু রেজিস্টার হলো না, তাই বলছি। ভাল থাকবেন।

    1. আমি সারপ্রাইজড। এভাবে মনের সাথে মিলে যাবে আপনার মন্তব্য সত্যি ভাবিনি। এমন সত্য কথন পেলে এতো ভালো লাগে। মনে হয় আমার লেখাগুলো কারো কারো মনে যত্ন পায়। আর লেখা তো সন্তান আমার। নিজের সন্তানের দোষ-ভুল যারা ধরিয়ে দেয়, তারা অনেক আপন। আমার মামনি কথাটি বলেছিলো।
      এভাবে আমার লেখাগুলোকে সত্যি মন্তব্য দিয়ে ভরাবেন,
      আশা রাখলাম।
      আর হ্যা সাবধানে থাকুন। গত তিনদিন আমিও জ্বর নিয়ে ডিউটি করেছি। আজ একটু ভালো। আবহাওয়া বদলের ধাক্কা প্রকৃতি তো আমাদেরকেই দেয়। (y)

        1. সফট ড্রিঙ্কস পছন্দের ছিলো স্প্রাইট। এখানে এসে জিঞ্জার এল। তবে এখন আর খাইনা। জলের চেয়ে কোনো পানীয়ই পছন্দের নয়।
          পুষ্প হুম বুঝলাম। আমার পছন্দের নাম নীল। নীলা ভালো লাগেনা। 😀
          পুষ্পের জন্যে -{@ -{@ -{@ -{@ (3 (3

  5. হেরে গিয়েও হয়তো জেতা যায়। সে জেতা জেতা কিনা কে জানে।
    তবে বোকারা হারতেও জানেনা।
    প্রকৃত হারার আনন্দ সবাই পায় না, হয়ত এত সহজ নয় বলে।

    1. বেশ বলেছেন তো! ওভাবে ভেবে লিখিনি। আসলে কি জানেন হেরে গিয়েও মাঝে-মধ্যে হেরে যাওয়া যায়না। ঠিক বলেছেন বোকারা হারতে জানেনা, তবে বাস মিস করতে জানে। 😀

    1. পিচ্চি আপু রে সম্পূর্ণ হলে আমি যে নাই হয়ে যেতাম। এতো ভালোবাসো কেন বলোতো আউল-ফাউল লেখাগুলোকে আপন করে নাও?
      অতো যত্ন পাওয়া আমার ভাগ্যে সয়না। বুঝেছো?
      লাভ ইয়্যু -{@ (3

      1. ধুর আপু কি যে বলেন?? আমার ভালোবাসা কি এতোই কমজুরি???? য্র আপনাকে নাই হয়ে যেতে দেবো! যেখানেই থাকেন ঠিক খুজে বের করে ফেলবো। লাভ্যু টু….. 🙂

  6. দ্বিতীয়ার সাথে একশোভাগ সহমত। একই জ্বালায় ভুগছি। ষষ্ঠীতে গিয়ে জগতের সত্যতা উপলব্ধি হলো নতুন করে। সবকিছু ছাপিয়ে ভালোবাসা রঙ ছড়ায়।
    চমৎকার করে গুছিয়ে বলা হয়েছে নীলাদি।

    1. নন্দিনী দিদি লেখাগুলো একই সময়ের নয়। যখন মন যেমন থাকে এক/দু’ লাইন যা আসে লিখে ফেলি পথে হেঁটে হেঁটে। সেসবই মনে হলো দিয়ে দেই। আমার মনটা যে কি অস্থির, সেটা ধরিয়ে দিতে। ভালো না বুদ্ধিটা? 😀
      অফুরান ভালোবাসা রইলো আপনার জন্যে। কোথায় থাকেন, আড়াল তুলবেন না প্লিজ। -{@

  7. চশমার আড়ালে তরুনীবেলা ভেংচি কাটে, এটুকুই যথেষ্ট আমার জন্যে। বাকিটা উপরি। পঞ্চমী তে নিজেকে একটু মেকাপ করিয়ে নিলাম সাজিয়ে গুছিয়ে নিলাম।
    তোমার চাঁদের ছবিটা দেখে খুব অবাক হয়েছি, ঠিক এমনি এক ছবি কথাগুলো ও খানিকটা তোমাকে ছুঁয়ে পোস্ট করেছিলাম ফেসবুকে। তোমাকে বড্ড জ্বালাই আমি তাইনা আপু? সারাক্ষন শুধু মিল খুঁজে বের করার চেষ্টা। কেন বোঝ?
    অংক নিয়ে একদমই মাথা ঘামাবে না, জব করে আগে স্যালারি হাবির হাতে ধরিয়ে দিতাম বরাবর, নে বাবা তুই চালা, আমার আরো অনেক কাজ আছে। আর তোমার আছে কবিতা। (3 -{@

    1. আপু এ কারণেই জিসান নানা তোমাকে অনেক ট্যালেন্ট বলে। আমার না কিচ্ছু মনে থাকেনা। মেলাবো কি করে?
      আরে আমার স্যালারি তো আমি নিজেই চোখে দেখিনা। জমা হলেই গেলো।

      সত্যি বলতে কি লেখাটা দিয়ে আমার মন ভরেনি। একটা দূরত্ত্ব কেমন জানি!
      ওহ শোনো তোমার গান আজ দিতে গিয়েও পারিনি। যখন রেকর্ড করছিলাম, তখন ফোন এলো। আর পারিনি। আরেকদিন শোনাবো। ঠিক আছে? -{@ (3

মন্তব্য করুন