আকাশ তোমার আমার

কবি এখনো আসেননি
মুল কবি আসার পুর্বে ‘ আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও’,’ বাবুদের তাল-পুকুরে হাবুদের ডাল-কুকুরে’, ‘ আমি হব সকাল বেলার পাখি ‘, ‘ নন্দলাল তো একদা একটা করিল ভীষণ পণ ‘, ‘ ঐ দেখা যায় তাল গাছ ঐ আমাদের গাঁ ‘ এসব মিউজিক ইনসট্রুমেন্ট গুলো সাউন্ড সিস্টেমে সমন্বয় করা হচ্ছে।
হঠাৎ ছন্দ পতন,শব্দযন্ত্র গুলো কোন কারনে বন্ধ হয়ে যায়,হেঁড়ে গলায় ভেসে আসে।হেঁড়ে কন্ঠকের নাম জানা যায়নি।

তোমার একটাই আকাশ আমারো
তোমার বিশাল সে আকাশে আছে নীল
মেঘ বৃষ্টিতে ভিজে যায় পাহাড় অরণ্য
সমুদ্র  স্ফীত হয় স্বচ্ছ ফোটায়
লবণাক্ততা দূরীভূত হয় কিছুটা
পাখি ওড়ে
অতিথি পাখি পাড়ি দেয় হাজার মাইল
ফিরে যায় আবার সব,কিছু খাঁচায় থেকে যায়
ভেজে দেহ ভেজায় মন পথিকেরা
পায় প্রাণ সোনালী ফসলেরা, হেসে ওঠে
তীব্রতায় ছাতা মেলে নিজেকে বাঁচায় জনা কতক
মেঘে ছায়া নেয় ক্লান্ত পথিক।

আমার ক্ষুদ্র আকাশে নেই মেঘ
দক্ষিণা বারান্দায় যতটুকু দেখা যায় ঠিক ততটুকুই
আছে শুধুই নীল।

অতঃপর
পাশের চেয়ারে বসা অচেনা মানুষটির অস্ফুট উচ্চারনঃ
‘ সব শালা কবি হবে
পিপিলিকা গোঁ ধরেছে উড়বেই
বন থেকে দাঁতাল শুওর
রাজ আসনে বসবেই।… ‘

 ব্লগে এই মুহূর্তে অবস্থান নেয়া বিপদজনক, পঁচা ডিম আজকে বাজার হতে কোন কারনে উধাও।এই লেখা পড়ে যদি কেহ মন্তব্য করেন তবে উপরের চার লাইন থাকবেই মন্তব্যে জানি আমি 🙂

মোট পড়েছেনঃ ৬৮১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫০টি মন্তব্য

  1. হঠাৎ ছন্দ পতন ঘটিয়ে আপনি তো বিরাট সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। ভয় নেই আমি কিন্তু পঁচা ডিম কিনি নাই।
    মনের সাধ অপূর্ণ রাখতে নেই। 🙂

    1. পঁচা ডিম আপনি কিনেন নি?তাহলে বাজার হতে উধাও হলো কিভাবে?ঐ চার লাইন কোট করতে ভুলে গেলেন নাকি? কোট করুন আপু,মনের সাধ অপূর্ণ রাখতে নেই :p

      1. না ছোট মানুষ দের আমি পঁচা ডিম দিয়ে আঘাত করব এত নিষ্ঠুর আমি নই। আমিতো দলের লোক। 🙂
        ঐ যে একটু পর ই ডিম রহস্য পরিষ্কার হবে। বাঘিনীর দল আসিতেছে,,,,

  2. ইশশ, ইশশিরে,
    কাকের সংখ্যা আবার বেড়েই চলছে।
    বুদ্ধিমান হউন, ঠিক কাজটি করে কাকদের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির আওতায় আনুন।
    কলিকালের নমুনা, ভাব উঠলেই কাকা ও কা কা।
    হুশশ হুশশ, তফাৎ যা, যাহ, আর করিস না কা কা।

    1. আররে কাকের কথা তো লিখতেই ভুলে গিয়েছি।বুদ্ধিমান হতেই হয়।অবশ্য অকবির নাম জানা যায়নি,আসুন ডিমের সদ্ব্যবহার করি 🙂

  3. :c চাল্লু। আপনি ভাই জব্বর লোক আছেন। (y)

    চারলাইন কিন্তু আমার কয়েকবার পড়া হয়ে গেল। ও চার লাইনের যাদু আলাদা। আমার কাছে বেশ লাগলো। নিজের ভিতরে একটা হাসি খেলা করে যাচ্ছে। 😀

    গ্রেট! (y)

    1. নিজের ভিতরের হাসি বাইরে নিয়ে আসুন।হাসি আটকে রাখবেন না।মাত্র চার বার পড়লেন?আমি হলে পড়তেই থাকতাম ঐ চার লাইন 🙂

  4. একটাই কমেন্ট মনে আসতেছে.. সব শালা কবি হবে
    পিপিলিকা গোঁ ধরেছে উড়বেই
    বন থেকে দাঁতাল শুওর
    রাজ আসনে বসবেই।… 😀
    বাচ্চা ছেলেটাও কবি হয়ে যাচ্ছে, ওদিকে পিচ্চি হয়ে গেছে সবুজ তরুনী। দিনকাল যতই ওল্টাট সজীবের স্ক্রু ঢিলা বুদ্ধি থাকবেই। নিজেকে এভাবে পঁচাতে হয়না বাবুসোনা, পঁচানোর জন্যে তো আমরা আছিই।

  5. এই জন্যেই তো কবিতা লিখিনা, সজীব ভাইয়া আমার কবিতা পড়ে ঠিক এই কথা বলে মনে মনে 🙁
    আমিতো জানতাম আকাশ একটাই, এখানে দেখছি দুইটা। এতদিনে পরিষ্কার হলো, কেন দোকানীরা পঁচা ডিম রেখে দেয় দোকানে।

  6. সব শালা কবি হবে
    পিপিলিকা গোঁ ধরেছে উড়বেই
    বন থেকে দাঁতাল শুওর
    রাজ আসনে বসবেই।…
    ভাবতেছি এসব কাট ফাট করে কি লাভ। আমি বরং তোমার পাশেই দাঁড়াই দেখি তোমাকে কে পচা ডিম মারতেছে।

      1. আমি বড় হয়ে গেছি না। আমাকে দেখলে আর কেউ ডিম মারবে না। আর আমার শিষ্য তো ফেলনা কেউ না যে চাইলেই পচা ডিম মারবে।

        1. কিন্তু শুন্য আপু আমাকে বাবু সোনা বলেছে 🙁 এর চেয়ে কষ্টের আর কি থাকতে পারে ওস্তাদ ;( আমি ফিডার খাই,এই বয়েসে নিয়ে গেলেন আমাকে 🙁 সবচেয়ে বেশী পচা শুন্য আপু 🙂

        2. তাইলে তুমি উনাকে বেবি সোনী বলে ডাকো।
          আমাকেও পিচ্চি ডাকে তোমার ওস্তাদ কে। তাহলে তো তোমাকে ও নামে ডাকবেই। কি আর করা বল!!!?

          কিন্তু তারপরেও শুন্য খুব পচা না একটু পচা হ্যা??!

  7. বাব্বাহ! পিঁপিলিকার পাখা ওড়ে মরিবার তরেই। তবে হে বৎস আপনার পাখা উড়িলো,
    পাখীর মতোই। “সকলেই কবি নহেন, কেহ কেহ কবি।” আমি তো জানি সবার মধ্যেই কবিত্ত্ব রাজত্ত্ব করে।
    কেউ ভাব(আমি নিজেই :p ) নেয়া আর কেউ ভবের(আমার বুড়ো ঠাকুর)।

    ও মা সিংহাসনে তো দেখি বসা মহারাজ ব্লগার সজীব! 😮
    কূর্ণিশ! কূর্ণিশ!! 🙂

        1. প্রশংসা শুনলে খুশীতে আমার দম বন্ধ হয়ে যায়,মরে গেলে তো আপনি দায়ী হবেন :p
          আর এমন লেখা দেয়া হবে না। হেলাল ভাইয়া কাক বলছে,আর শুন্য আপু বাবু সোনা ;(

        2. ইস বললেই হলো! এমন লেখা আর দেয়া হবেনা!!! :@
          বহু বহুবার দিতে হবে, দিতে হবে।
          কাক অনেক উদার কোকিলের বাচ্চাকে পালন করে। কোকিল তো স্বার্থপর।
          আর বাবু সোনা তো অনেক আদরের ডাক। আমাকে আমার বন্ধু একটা বাবু বলে ডাকে। যদিও ক্ষ্যাপি খুব, কিন্তু মজা পাই। ভালো লাগে :p
          আর আপনি তো একটা ছোট্ট বাবু সোনা। -{@

  8. সব শালা কবি হবে
    পিপিলিকা গোঁ ধরেছে উড়বেই
    বন থেকে দাঁতাল শুওর
    রাজ আসনে বসবেই 🙂

    আমাদের সজীব ভাইয়া কত্তো ভালো, পোস্টের সাথে মন্তব্যও দিয়ে দেয় 🙂
    ভাইয়া আপনি এত্তো ভালো ক্যান ;?

  9. পাখি ওড়ে
    অতিথি পাখি পাড়ি দেয় হাজার মাইল
    ফিরে যায় আবার সব,কিছু খাঁচায় থেকে যায়

    আর কিছু যায় আমাদের পেটে। :D)

  10. কোন বেদনায় চলে গেলেন ভাইয়া? কেউ মনে হয় আপনার লেখার ভিতরটা দেখতে পাননি।যারা হাসায়,তাদের মৃত্যুর সময়েও মানুষ হাসে, এটি বড় নির্মমতা।কোন একজনের আকাশ বড় হতেই পারে এটা।মন খারাপের কিছু নেই,জীবন একটাই।নিজের মত সাজিয়ে নিন।

মন্তব্য করুন