নীল একজন রঙ

 

গর্ভবতী জ্যোৎস্না
গর্ভবতী জ্যোৎস্না

কবিতার খুব কাছাকাছি বসেছিলাম। নীরব-নিস্তব্ধে। প্রদীপের শিখার মতো জ্বলে যাচ্ছিলো
জোনাকীর আলো গভীর অরণ্যে। কার মুখ জানি দেখেছিলাম সেই রাতে, মোমের মতো গলে গলে ঝরে পড়ছিলো
কুয়াশার ভেতর। এক আবছায়া যেনো। অস্পষ্ট সেই মুখচ্ছবি অন্ধকারে হাওয়ার মতো এসে ফিসফিস করে বলে গেলো,
“ধূসরতার মধ্যে আর কতোকাল প্রতীক্ষা? কার জন্যে?” উত্তরহীন, নির্বাক। কি ভাষায় ফোঁটানো যায় উষ্ণ আবেগের কুঁড়ি?
সে তো জানেই নীল রং ছাড়া আর কিছুই নেই আমার জীবনের কোনো রঙে। যতোই মেঘ ঢেকে রাখুক পৃথিবীর এই আকাশ ওই; তবুও আকাশ যে নীলই থাকে।
সমস্ত আলো জ্বালিয়ে সূর্য যতোই পোড়াক মাটির বুক, মাটির ভেতর সেই মেটো রং-ই থাকে।

পৃথিবীর এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত অব্দি চোখ যেতে পারেনা, মন তীব্রবেগে ছুটে চলে। কোথাও ভোর, কোথাও সন্ধ্যে-দুপুর-রাত।
একেকটি রঙে সেজে ওঠে এ বেলা-ও বেলা। আমার কেবলই একটি-ই রঙ। যা জানা হয়েছে, আর যা অজানাই থেকে গেলো, ওই নিয়েই দিব্যি কেটে যাচ্ছে দিনকাল।
হৃদয় কাঁপে, পাশ ফেরে শোয়, জানালায় শুক্লপক্ষের আধা কাঁটা চাঁদের মতো। কখনো গর্ভবতী চাঁদের মতোই মাতৃত্ত্বের হাসিতে সাজায় মধ্যরাত। রাত এক এক করে সিঁড়ি বেয়ে ওঠে, তারপর কোলাপসিবল গেট খুলে ভোরকে সময়ের কাছে এনে বসিয়ে রেখে চলে যায়। নভোনীল দেখে যায় অনন্ত চরাচর। শুধুই নীল, চারিদিক জুড়ে কেবলই নীল। তবুও একটি শূণ্যতা উৎসবের আনন্দ মেখে একজনের প্রতীক্ষায় ঠোঁটে রক্তিম হাসিটুকু ধরেই রাখে।

নীল, তুমি কবে আসবে? শারদীয়ার আবাহনের শঙ্খ আর মাত্র একটি মাস পর বেজে উঠবে। কবে তুমি ফিরে আসবে, কবে?

মেঘের আড়ালে নীল
মেঘের আড়ালে নীল

 

হ্যামিল্টন, কানাডা
৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ ইং।

মোট পড়েছেনঃ ২,৪৬৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৬২টি মন্তব্য

  1. তুমিও এমনি করে নীলের অপেক্ষায় রয়েছ আপু? কই দেখতে তো পাইনি, চেষ্টাই করিনি হয়তো। মন এমন তীব্রবেগে প্রান্ত বদল করে বলেই তো যত জ্বালা। নীল ফিরে আসুক, যদিও প্রতীক্ষার আনন্দ যে বুঝেছে তার আর কিছুই পাওয়া হবেনা।

    1. নীল ফিরবে কোথায়? আস্ত একটা নীল নিয়ে জন্মেছি। এখানেই নীল। আরে শুন্য আপু নীল আমার শৈশবের প্রেম যা এখনও রং ছড়ায়।
      লেখা দিয়ে কাউকে কি চেনা কিংবা বোঝা যায়? -{@

      1. লেখা দিয়ে বোঝা যায় তো আপু। এইযে আমি তোমাকে বুঝতে পারার বিশাল ভাব করছি, এই ভাবটাও তুমি লেখা দিয়ে বুঝতে পারছ।
        গান শোনাও। কি গান শুনছ এখন? সেটা দাও।

        1. হায়রে সেই কখন গান শুনতে চেয়েছো, আর আমার চোখে পড়লো এখন। এজন্য আমার এই ভেনভেনানী গলার গান তোমাকে শোনাবো। 🙂 আপাতত এই গানটা শোনো।
          https://www.youtube.com/watch?v=hjZrp4TlwIk

        2. শুন্য আপু কি বলো তুমি এসব? আমার গান মাছির ভ্যানভ্যানের মতো, মশার গানের মতো গুনগুন হলে শোনাতাম।
          বরং আমার ছেলের ছোটবেলার গান শোনো। এখন আর গান গাইতেই চায়না।
          https://www.youtube.com/watch?v=7DX7wzZlh9g&list=PL4EACA9C8D2A4498B&index=6

        3. আরে আরে আমিতো নভোনীলের আরো একটা গান শুনে এলাম। এই তাহলে আমাদের নীলাপুর লাজুক ছেলেটা। তোমার ছেলে, গানতো গাইবেই আরেকটু সময় দাও। ছেলেও যে তোমার রবিবাবুর ভক্ত রে আপু। লাকি ইউ আর।
          মাছির ভ্যানভ্যানানি শুনবোই শুনবো। আল্টিমেটাম দিলাম কিন্তু। জলদি।

        4. শুন্য আপু এই ছেলে বদলে গেছে। আর বলোনা কি থেকে যে কি হয়েছে। এখন বুড়োর গান কি র‍্যাপ গান উফ অসহ্য ওসব করে।
          কি যে রাগ ওঠে, কি বলবো তোমায়।
          বাপু রে গান কি করে দেবো? আমি জানিনা কিভাবে ব্লগে অডিও দেয়া যায়। আমি তো এই মাছির গান শোনাতেই চাই। 😀

        5. তোমার প্যায়ারের নানা থাকতেও চিন্তা!! মিডিয়াফায়ারে আপলোড করো, রাইট ক্লিক দিয়ে URL নাও, এরপর লিঙ্ক দাও যেভাবে এখানে সেভাবে। যদিও আমি কোনদিন করিনি। ড্যাস ড্যাস ভাইতো আছেই, নো চিন্তা। আজই দিয়ে দাও আপু। প্লিইইইইইজ।

        6. তা ঠিক। আমার ভূত বয়ফ্রেন্ড প্যায়ারের নানা তো আছে। তাও চেষ্টা করবো।
          শেষে কি থেকে কি করে ফেলি। আজ হবে না গো আপু। দেবো কথা দিচ্ছি। বলে দাও কোন গান দেবো? যেটা তুমি বলবে, সেটাই দেবো। খুশী? -{@ (3

          আপাতত এই গান শোনো
          https://www.youtube.com/watch?v=GrCXwJTpGgo

        7. সত্যি?!! কিন্তু এযে বড় বিপদে ফেললে গো, কোনটা বলি এখন? যেটা তোমার কন্ঠে ভীষণ খেলে সেটা শোনাও। আর দুটা অপশন -আমি হৃদয়ের কথা বলিতে ব্যাকুল নয়তো মিতালির সুখ পাখিরে, পিঞ্জিরা তোর খুলে দিলেম আজ।
          আর শোন একবার শিখে ফেলো, এরপর দেখো কতোবড় লিস্ট ধরিয়ে দেই। (3

  2. তোমার নীল তোমারই, তবে আমাকেও সাথে নিও ভাগ দিও। nil মানে যে শুন্য আর nil আমার মেইন মেইল আইডি। ভেবেছ কি এমনি এমনি এত টান!!

      1. তোমার রং আমার শুন্য,
        মিলে মিলে যোজন ফাঁরাক
        বেহুদা বনবাতাসে সুরের নেকাব
        যার নেই কথা ছাড়া দাম
        অকারণে দিন তবু কিছু খুঁজেই হারাক..

        1. এখন ঘুম! একটু পর বাইরে যাবো, পড়ছি আর গান শুনছি।
          হাঁড়ি উফ! অসহ্য!!
          আপু কেন কেন কেন আমাদেরই জন্যে?

          চলো বাজনা বাজাই ওসব হাঁড়ি দিয়ে। 😀
          আর সেই বাজনায় \|/

  3. নীলাকাশ নীল হয়েছে নীল নিয়েই বা আকাশ ছড়ায়ে আছে নীল হয়ে আকাশে আকাশে।
    এমন করে ডাকলে না এসেই পারে না। আবার এসে পড়লে আমাদের অবস্থা গলে গলে অদৃশ্য হওয়ার মতই।
    তবুও চাই এ চাওয়া ধরা দিক পাওয়া হয়ে।
    লেখাটি কোথায় যেন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যাচ্ছে আনন্দের বেদনা হয়েই।

    লেখেন কী করে!!!!!!

    1. শেষের প্রশ্নের উত্তর লিখি ল্যাপটপে, টাইপ করি অভ্র বাংলা ফন্টে।
      নীল এলে আপনাদের অবস্থা আরোও ভালো হবে। সবসময় আমার সেনসোডাইন হাসি দেখতে পাবেন লেখায় আর জীবনেও 😀

  4. আমি তব হায় দিন গুনে যাই
    আসবে সে ভেসে মেঘের ভেলায়
    সেই প্রতিক্ষায়,,,,,,
    কি হবে এত প্রতিক্ষার আপু। একটা জীবন পার হয়ে যায় তবুও প্রতিক্ষার তো শেষ হয়না।
    এই কষ্ট কগজে কলমে লিখে বোঝানো যায়না।
    অনেক অনেক ভাল লাগল পড়ে।
    তবে মনটা কিঞ্চিৎ কেন যেন খারাপ হয়ে গেল,,

    1. প্রতীক্ষা আছে বলেই আমরা বেঁচে আছি আপু। অরুনি আপু ভালোবাসা থাকলে প্রতীক্ষাও থাকবে যে।
      মন ভালো করুন। এই দেখুন আমি না কখনো মন খারাপ করিনা। করলেও বেশী হলে ৫-১০ মিনিট। 😀

        1. আপু গান শোনো। আর যখন খুব মন খারাপ হয় যতো টাইপ নাচের গান আছে সে যে কোনো ভাষার ছেড়ে নাচুন। আমি তো রান্না করতে গিয়ে বেশী নাচি :p
          তবে আসলেই মন খারাপ জিনিসটা আমায় ছোঁয় কম। 😀

        2. আমার যেন কি হয়েছে গান আমি মটেও সহ্য করতে পারছিনা। অথচ আগে কত গান শুনতাম। ব্যাপার টা বড় অদ্ভুত লাগে আমার কাছে।
          আপনাকে দেখলে মনে হয়
          ভাল থাকার আছে অনেক উপায়,,,

        3. কেউ ভালো রাখতে পারেনা আপু। এ সত্যিটা যেদিন জেনেছি,তারপর থেকে নিজের মনকে সাজানো শুরু করেছি। জীবনটা আমার খুব যে মসৃণ তা কিন্তু নয়। কিন্তু আমি সেসবকে পাত্তা দেইনি। কঠিন ছিলো অসম্ভব তো ছিলোনা! আপু উপদেশ দিয়ে কাউকে ফেরানো যায়না কষ্ট ভুলে যাওয়া থেকে। নিজেকে শোনান, বলুন। আসছি কাজ আর এক ঘন্টা, আড্ডা দেবো বাসায় ফিরে। -{@

        4. ধন্যবাদ আপু। আসলে মূদ্রার এক পিঠ দেখেই আমি বিভ্রান্ত। আমার আরও অনেক অনেক বেশি দুনিয়া টাকে বুঝতে হবে। আর আপনার মত মজবুত হতে হবে।

  5. হাহাকার থাকবেই মানুষের।প্রাপ্তি পুর্ন হয়না কখনোই।পুর্ন হলে তখন অপ্রাপ্তির জন্য শূন্যতা থাকবে।কি বুঝলাম কে জানে। আপনাকে এমন ভাবতে বেমানান লাগে।ভালো থাকবেন নীলাদি -{@ -{@

    1. সজীব ভাইয়া যে চাওয়ায় কোনো ক্ষতি হয়না, সেই চাওয়া পাওয়ায় আসে। সময় নেয় কিন্তু আসে। এ জীবনে আমি এটা দেখেছি।
      আর এটা একটা লেখা মাত্র। অনেক ভালো থাকি। আমি জীবনে কষ্ট নিয়ে বেশীক্ষণ শ্বাস নিতে পারিনা।
      ভালো থাকবেন -{@

  6. নীলের কাছে নীল পরিপুর্ন ভাবে আসবেই একদিন
    তখন আবার আমাদের ভুলে যেওনা।

    এটি কেবল একটি লেখা মাত্র
    প্রবাসে ভালো থেকো -{@

  7. “যতোই মেঘ ঢেকে রাখুক পৃথিবীর এই আকাশ ওই; তবুও আকাশ যে নীলই থাকে।
    সমস্ত আলো জ্বালিয়ে সূর্য যতোই পোড়াক মাটির বুক, মাটির ভেতর সেই মেটো রং-ই থাকে।” (y)

    মন খারাপ নাকি আপু? নীল আসবে। আর নীল তো আছেই সারাক্ষণ! 🙂

    ভাল থাকবেন।

    1. মন খারাপ ব্যাপারটা সবার মধ্যে কতো গভীরভাবে থাকে। আমার কেন থাকেনা? আমার বন্ধু বলেছে আমার মধ্যে নাকি আবেগের গভীরতা নেই, যেভাবে লিখি ঠিক তেমন নই আমি। কথাটি খুব সত্যি তা নয়তো ও কেন বলবে?
      যাক ভালো আছি। হুম নীল আছে তো। এই যে আমার আমি।
      আর সত্যি মন ভালো। গান শুনবেন আমার? এখন গাইছি মনে মনে, “চলোনা ঘুরে আসি অজানাতে…” আহা তরুনীবেলা -{@

      1. গান আমিও গাই পথে, ঘাটে, রিক্সায়। আমি একটা ব্যাপার খেয়াল করেছি আমি আপনা থেকেই গাইতে থাকি দুই ধরনের সিচুয়েশনে – আমি প্রচন্ড ভাল মুডে আছি কিংবা প্রচন্ড এলোমেলো আছি। মাঝামাঝিতে আপনা থেকে গান কেন জানি কম আসে। সে যাগগে, আপনার মন খারাপ হবে না, আমরা তা জানি। ভাল থাকা, মুখে হাসি আমাদের অনেক সময় অভ্যাস হয়ে ওঠে।

        “ঐ দূর আকাশের প্রান্তে সাতরঙা মেঘগুলো উড়ছে…”। 🙂

        1. একসময় ছিলো সবাই চেয়ে চেয়ে দেখতো একটা মেয়ে রিক্সার থার্ড ক্লাশে বসে গাইছে গান। পাশে সুস্মিতা আর মধুছন্দা। ঢাকা শহর এখন টানছে। উফ ইচ্ছে করছে এখুনি চলে আসি। অরণ্য আপনার সবুজ এখনও কি সংসদ ভবন সাজায়?
          ভালো থাকুন সবুজে সবুজ হয়ে। -{@

        2. রিক্সায় থার্ড ক্লাস দেখে এক ঝমঝম বৃষ্টির দুপুর মনে পড়ল। ভার্সিটির সবাই যে যার মত বিভিন্ন শেডে বা বারান্দায়। একটি রিক্সা ঘুরছে সমস্ত ক্যাম্পাস। বৃষ্টিতে ভিজছে সবাই, মুখে গাইছে ” আসবার কালে কি জাত ছিলে, এসে তুমি কি জাত নিলে… জাত গেল জাত গেল বলে…”।
          সংসদ ভবনের লনে এখন আর সাধারনেরা যেতে পারে না। সামনের পেভমেন্ট চওড়া করেছে। সেখানেই মানুষের আনাগোনা – আপনার ফুস্‌কা, আইসক্রিম। 🙂
          কিছু মানুষ বুড়ো হয় তবু বড় হয় না – ওরা সবুজই থাকে।

        3. থার্ড ক্লাশে উঠতে ইচ্ছে করছে। উঠে গাইতে ইচ্ছে করছে গান। একবার কি হলো গান গাইছি, রিক্সাওয়ালা বললো, “আপা মিলন হবে কতোদিনে গানটা গাইবেন?” নতূন বৌকে রেখে এসেছে গ্রামে :p
          মধুছন্দা আর সুস্মিতা বললো নীলাঞ্জনা গেয়ে ফেল। গাইলাম, আর পাশের রিক্সার যারা ছিলো ভালোই শোনালো কথা।
          সংসদে এবার যাওয়া হয়নি। ইস ফুচকা কেন নিলেন নামটা? সবুজ আমাদেরকেও রাখুন। এভাবেই সুন্দর মন্তব্যে মনটা ভিঁজিয়ে রাখুন -{@

        1. প্রচুর পেয়েছি গো আপু। এতো ভালোবাসা পেয়েছি এই এক জীবনে, এসব ভালোবাসা দিয়ে আজন্ম হেসে যেতে পারবো।

          এই যে তুমি আমায় ভালোবাসো, অনেক বড়ো পাওয়া। -{@ (3

    1. নন্দিনী দিদি কোথায় থাকেন আপনি? ব্যস্ত হোক সময়, “তবু মনে রেখো…।”

      আর কবিতায় মন্তব্য আপনার অনেক ভালো লাগে, এটি যে মনে রেখেছেন অনেক পাওয়া আমার জন্যে। -{@

  8. উফফফফফ্ কি লিখবো বুঝতেছি না..হৃদয়কে ছুঁয়েছে লেখাটা (y) নীল, তুমি কবে আসবে?
    মন তীব্রবেগে ছুটে চলে। কোথাও ভোর, কোথাও সন্ধ্যে-দুপুর-রাত। (y)
    কখনো গর্ভবতী চাঁদের মতোই মাতৃত্ত্বের হাসিতে সাজায় মধ্যরাত। (y)
    ছবি ২টার ক্যাপশন দারুন (y)

  9. কবে আসবে, কবে? 🙁

    পরী আপু ছবি দুটোই জানালার সামনে দাঁড়িয়ে তোলা। সামনে ছিলো জানলার গ্লাস,
    তাই একটু ঝাপসা।

    অফুরান ভালোবাসা তোমায়। -{@ (3

    1. আজীবন খুঁজে যাবো, বলেই যাবো, এভাবেই ডাকবো। একদিন তো আসবেই।

      নীলে লীন হতে চাইলে কি হওয়া যায় আপু?
      ভালোবাসা রইলো। -{@

মন্তব্য করুন