বৃষ্টির জলে চাঁদ দেখা

বৃষ্টিস্নাত মন উড়ো ধূলোর মতন লিখে যায় ভালোবাসার কবিতা,
রবি ঠাকুরে লিখে রাখা গানে গুনগুনিয়ে যায় চোখের জলে লেপ্টে থাকা ছবিটা।
ভাবছেন ‘এ কি কথা!’
দেখুন, আকাশ কাঁদছে; দিন-মান-ক্ষণ ভুলে কি’বা সন্ধ্যে বা চাঁ-সূর্য লেগে গেলে
মনও কাঁদছে, বৃষ্টিতে ভিজেই! ছেলেমানুষি আবেগে মেতে ওঠার ছলে অথবা
শৈশবের খেলার তালে; এই বৃষ্টিতে ভিজেই।
বলবেন ‘এ’ আর নতুন কি!’
বলছি, পারুন যদি আলাদা করতে চিবুকে লেপ্টে থাকা বৃষ্টির জল আর
চোখের পাঁপড়ি গড়িয়ে নামা নোনা জল; পারবেন! হয়তো বা।
শুনুন ‘আদিখ্যেতা ছাড়ুন আর এ’সবে না থেকে জীবনকে এগিয়ে আনুন’
হাহাহহা… সত্যি তাই, জীবনকে এগিয়ে আনতেই তো এমন! তা না হলে রোজ,
হ্যাঁ! হররোজ বৃষ্টিকেই প্রার্থনা করে যেতুম!
দু’হাত কুঁচিয়ে বৃষ্টিজলে মুখ ডুবিয়ে জীবনকেই নতুন করে দেখতাম তবে!
দু’হাতের তালুতে যেক’টি রেখা এখনো টিকে আছে সে ক’টি রেখায় চাঁদ মুছে নিতাম,
চেটোর খসখসে চামড়াতে কাঁড়ি কাঁড়ি স্বপ্ন ফুটিয়ে তুলতে পারতাম; আর
রাতের গভীর ঘুমে চোখ পিটপিট করে ঘুমানোর স্বপ্নই দেখে নিতাম!
পারিনি! জীবনকে এ’ভাবেই এগিয়ে নিতে পারিনি।
আজো আমার দু’হাতে তালুতে বৃষ্টির জল থাকে যেখানে চাঁদ দেখবো বলে চোখের নোনা জল লেগে আছে।

মোট পড়েছেনঃ ৫৯৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

    1. তৈলমর্দনকারী, চাটুকার, চামচে এদের হাতের তালুতে হাত ঘষার অভ্যেস বেশী তাই বলেছি 😛 অর্থাৎ শুধু চাটুকারী করে যাওয়া। হাতে রেখা ফুটে একমাত্র হাত মুঠো করে বারংবার করার ফলেই। জন্মের সময়েই মূঠো করে থাকি। তাই রেখা ফুটে উঠে… 😛

  1. “বৃষ্টিস্নাত মন উড়ো ধূলোর মতন লিখে যায় ভালোবাসার কবিতা,
    রবি ঠাকুরে লিখে রাখা গানে গুনগুনিয়ে যায় চোখের জলে লেপ্টে থাকা ছবিটা।”- পুরোটা ভাল লাগল, তবে এই লাইন দুটো একটু বেশি।

  2. আমারও মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় বৃষ্টি নিয়ে ২/১টা লাইন লিখি…কিন্তু পারি না…অথচো আপনি কতো সুন্দর করে লিখে ফেলেছেন বৃষ্টিস্নাত মন উড়ো ধূলোর মতন লিখে যায় ভালোবাসার কবিতা (Y)

মন্তব্য করুন