খেয়ালী মেয়ের হেয়ালী গর্ব

ঝিনুক একদিন গর্ব করে বলেছিলো, আমার হৃদয়ে আছে শক্তি…
আমি বললাম, আমার হৃদয়েও আছে যন্ত্রনা সহ্য করার অফুরন্ত শক্তি…
প্রশান্ত মহাসাগর বলেছিলো, আমার বুকে আছে অনেক জল…
আমি বললাম, আমার বুকেও আছে বিপুল ভালোবাসা…
পিরামিড বলেছিলো, আমার ভেতরে আছে আশ্চর্য শ্যাম…
আমি বললাম, আমার ভেতরে আছে প্রেম…
তাজমহল বলেছিলো, আমার দেহে আছে হাজারো পর্যটকের ছোঁয়া…
আর আমি বললাম, আমার দেহে আছে এক অদৃশ্য ছায়ার মায়াবী ছোঁয়া…

(খেয়ালী মেয়ের কাল্পনিক কথোপকথন)

মোট পড়েছেনঃ ৭৯৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৫টি মন্তব্য

    1. আঙুল দিয়ে কীবোর্ডের বাটন চেপে 🙂
      সবাই দেখি প্রথম মন্তব্যকারীকে ধন্যবাদ দেয়, তাই আপনার জন্যও রইলো অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ -{@ 🙂

  1. এইভাবে খেয়ালী মেয়ে যে সবার থেকে আলাদা তা প্রমান করে গেলেন আজ। তবে এইভাবে ঝিনুক, মহাসাগরের সাথে তর্ক করে জেতা যা তা কথা নয়! কাল্পনিক কথোপকথন এমন হয় ক্যামনে!!! বেশ ভালো লেগেছে।

    1. কল্পনায় কাল্পনিক কথোপকথন তো এমনিই হয় 🙂
      আমি তো কল্পনায় এইভাবেই কথা বলি :p
      তবে কথা হচ্ছে ঝিনুক, মহাসাগরের সাথে তর্ক করে আমি জেতেছি, তাই জেতার জন্য আবারও পুরষ্কার বরাদ্দ করা হোক 🙂

      1. বড় মুশকিল!! ভালো কথা হলো হব জিতাতে পুরষ্কার দিতে হয় না। এখন আপনাকে যদি পুরষ্কৃত করা হয় তাহলে আপনার সেলফ স্যাটিসফাইডের কারণে আগামীতে হেরে যাবার আশংকা থাকবে। তাই পুরষ্কার একেবারে শেষে আয়োজন করা হপে। এখন পুরষ্কার চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।

  2. দৃশ্যপট সুন্দর হইলেও মাঠে মারা গেলো বলে মনে হইলো। কারন গল্পের শুরু মনে হইলেও শেষ হইলোনা। এন্ডেড সাডেনলি…

      1. মুখ বাকা হইলো ক্যান? বুঝাইতে চাইছিলাম যে আমার এইটা অসমাপ্ত মনে হইছে।

        প্রতিটা পার্ট সুন্দর, কিন্তু একই ধাচের। তাই পুরাটা মিলে ইউনিট হইলোনা।

        আমি কবিতা বেশি বুঝিনা। কিন্তু কবিতার মধ্যে গল্প খুজি। এটা সেই গল্পের শুরু, শেষনা। আরো শুনয়ে চায় পাঠক। আরো রকটু বেশি।

        এইটা আমি নিলাম। এক্সপান্ড করতে চেস্টা করবো। মুখ বাকা করানোর শাস্তি…

        1. এই লেখাতে আমি এর চেয়ে আর বেশি কিছু আনতে পারি নাই, তাই খারাপ লাগছে যে কেনো আমি পারি না 🙁

          আমি কখনো কবিতা লেখি না, সব আমার খেয়ালী মনে এলোমেলো ভাবে বিচরন করা কিছু ভাবনা.. ঐগুলোকেই মাঝে মাঝে শব্দজটে বাঁধি…

          ভুল যদি কিছু করেই ফেলি তবে শাস্তির জন্য আমি প্রস্তুত 🙂

        2. খেয়ালী মেয়ে কেবল খেয়ালী ই না, বোকাও। শাস্তি তো আমার হবে। আমি এইটা ধার নিলাম। এইটাই আবার লিখবো একটু বড় করে। এটাই আমার শাস্তি…

    1. জিসান ভাইয়া উৎসাহ যে কিভাবে দিতে হয় তা আপনার কাছ থেকেই শিখতে হবে 🙂
      আমি কিন্তু আপনার এই মন্তব্যে দারুন উৎসাহিত হয়েছি \|/ -{@

  3. সেই বিখ্যাত কবিতা মনে করিয়ে দিলেন!

    ঝিনুক নীরবে সহো
    ঝিনুক নীরবে সহো,ঝিনুক নীরবে সহে যাও
    ভিতরে বিষের বালি,মুখ বুঁজে মুক্তা ফলাও!

    দৃশ্যমান অদৃশ্য ছায়ার মায়াবী ছোঁয়া যে আছে তা আমরা মাশাল্লা আপনার
    লেখা পড়ে খুব ভাল করেই বুঝতে পারছি।

  4. আমাদের খেয়ালী মেয়ে আপুটার সাথে কেউ যে লাগতে না আসে,সে সব দিক দিয়ে সেরা।ড্যামিশটাই বুঝলো না 🙁 আমরা কিন্তু ঠিকই বুঝি আপু 🙂 ভালো হয়েছে পরী আপু -{@

    1. হুমমমম সাবধান, খেয়ালী মেয়ে একজনই কেউ লাগতে এসো না 🙂
      ড্যামিশটাও মনে হয় আমার মতো বোকা টাইপের তাই বুঝলো না 🙁
      বুঝতে পারার জন্য অনেক ধন্যবাদ -{@

  5. ঝিনুক একদিন গর্ব করে বলেছিলো, আমি হৃদয়ে ধরি মুক্তো!
    আমি বললাম, আমার হৃদয়ও যন্ত্রনা সহ্য করার জন্য ঠিক অতটাই শক্ত।
    প্রশান্ত মহাসাগর বলেছিলো, আমার বুকে আছে অনেক জল…
    আমি বললাম, আমিও বুকে ধরি বিপুল ভালোবাসা, অনন্ত অতল।

    এরপর পিরামিড বলেছিলো, আমার ভেতরে আছে আশ্চর্য শ্যাম…
    আমি বললাম, আমার ভেতরের প্রেম বড়, নাকি তোর শ্যাম?
    তাজমহলঈ বা ছাড়বে কেন?
    সেও বলে দিল, আমার দেহে আছে হাজারো পর্যটকের ছোঁয়া…
    আর আমি বললাম, আমার দেহে আছে এক অদৃশ্য ছায়ার মায়াবী ছোঁয়া…

    তারপর কত দিন গেল, দিন গড়িয়ে মাস, মাসের পর বছর।
    আমি তাদের সেইসব দিনের কথাও বলবো ভেবেছি…
    যখন নদী সব নদী ছিলো, সাগর তখনো সাগর,
    চোখ ছিল চোখের মত, আর আকাশ তখনো আকাশে…
    সকল সূর্য্য সকল তারা আমাদের প্রতিবেশী ছিলো;
    হাতে হাত রেখে কাটিয়েছি কতটা সময়, কে তার হিসেব রাখে??

    এরপর ভাবছি ঠিক ঠিক চলে যাবো,
    যদি ছায়া হতে চায় সাথী,
    যদি ছুঁতে দেয় তার হাত,
    তাকেও নিয়ে যাবো…

    1. আমি কি লিখবো বুঝে উঠতে পারছি না–
      কিভাবে পারেন এতো সুন্দর করে লিখতে?..
      আমি কেনো পারি না?…

      অনেকবার পড়েছি–সত্যি দারুন লিখেছেন…অনেক ধন্যবাদ -{@

      1. আমি লিখলাম কই? এটা তো আপনার। আমি তো আপনার ভাবনা চুরি করলাম। এখন জেল জরিমানা না হইলেই হয়।

        আমার কাছে ব্লগিং এর আনন্দই এখানে। কি লিখলাম কে পড়লো সেটা না। কে কি মনে করলো তাও না। নিজেদের মধ্যে একটু গল্প হল, কিছু ফ্যান্টাসী, এটাই আসল…

        1. ভাবনার চুরি করে যদি তার থেকে সুন্দর কিছু হয় তাহলে তো সবারই উচিত ভাবনা চুরি করা—আর জেল জরিমানার বদলে হাততালি দেওয়া উচিত, যাতে আরো বেশি বেশি ভাবনা চুরি হয় :c -{@

  6. আপু এত কিছু আছে আপনার মাঝে?জানতাম না।কেন যে ব্লক খাওয়া পোষ্ট দিলাম? 🙁 সব কিছু জেনে গেলেন,না হলে চেষ্টা চালাতাম :p কেন যে আমাকে সবাই ছোট বলে? 🙁

    1. ইশশশশশশ কেনো যে ব্লক খাওয়া পোষ্ট দিতে গেলেন :p
      ছোটদের কে সবাই ছোটই বলে–আপনি এতোই ছোট যে এখনো এই সহজ কথাটাই বুঝেন না 🙂

        1. যারা আপনেকে ব্লক মেরেছে তারা কি ভুলে যাবে আর কি মনে রাখবে ওটা আমি কি করে বলবো?–আমি তো আপনেকে ব্লক মারিনি, তবে পোস্ট দেখেছি, একেবারে মনে রাখার মতো পোস্ট 🙂

  7. আমাদের গর্ব করার মত একজন আপু আছে।একারনে আমরাও গর্বিত।কেউ যেন আমাদের আপুটার সাথে প্রতিযোগিতায় না আসে,খবর আছে তার 🙂 -{@ (y)

  8. খেয়ালী মেয়ের এমন হেয়ালিপনা যে গর্ব করবার মতোই। তার আছে কল্পনা করবার মতো বিশাল একটা দুনিয়া, সেখানে সে একাই একশো, আর কি চাই? খুব সুন্দর পরী।

মন্তব্য করুন