একটি মজার গল্প ।

একটি মজার গল্প ।

প্রযুক্তির অনেক উন্নতি হওয়ার দরুন মোবাইলের মত মানুষের ও মেমরী ও আপডেট করা সম্ভব হচ্ছে ।

এখন আর মানুষ এত পড়াশুনা করে না । প্রয়োজন মত মেমরী কিনে লাগিয়ে নেয় ।

তেমনি কারনে এক লোক গেছেন মেমোরী কিনতে । নিজের সাধ্যমত মেমরী কিনবেন এই আশায় ।

দোকানে কাচের মধ্যে সাজানো বিভিন্ন দামের এবং মানের মেমরী ।

বিজ্ঞানীদের মেমরী মাত্র একশ ডলার ।
ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারদের মেমরী তিনশ ডলার ।
রাজনীতিবিদ দের মেমরী একহাজার ডলার ।

লোকটা বেজায় সমস্যায় পড়লেন বিজ্ঞানীদের মেমরী এত কম দাম আবার রাজনীতিবিদ দের মেমরী এত দাম কেন ?

এবারে তিনি কোম্পানির হেল্পলাইনে গেলেন ব্যাপারটা খোলসা করে জানার জন্য ।

বিজ্ঞানী দের মেমরী দাম সবচেয়ে কম কারণ এরা সারাজীবন গবেষণা করতে করতে মেমরি প্রায় সবটুকুই শেষ করে ফেলেছেন সুতরাং ওটা আপনি বেশীদিন ব্যাবহার করতে পারবেন না ।

ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার , এরা জীবনভর পড়াশোনা আর কাজ নিয়েই পড়েছিলেন তাই মেমরির প্রায় অর্ধেক শেষ করে ফেলেছেন তাই দাম মধ্য মানের ।

আর রাজনীতি বিদ এদের মেমরীর দাম এত বেশী কেন ?

সহজ হিসাব স্যার এরা নিজের মেমরির এক পারসেন্ট ও ব্যবহার করেছে কিনা সন্দেহ আছে । মেমরি একবারে ইনটেক । তাই দাম তো বেশী হবেই ।

মোট পড়েছেনঃ ১,২৫০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

  1. হাহাহা। অনেক মজার একটা গল্প লিখেছেন, না হেসে পারলামনা।
    তবে অমন মেমোরি বোধহয় এখন তেমন কেউ আর চায় না, দেখছেন না মেধাসম্পন্নরা কেমন এড়িয়ে চলে!

    তবে নিজেদের ভবিষ্যৎ স্বার্থ রক্ষার্থে আর এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ নয়। নষ্টদের দখলে ষোল আনা চলে গেলে ভবিষ্যৎ কিন্তু অন্ধকার।

  2. রাজনীতিতে মেধাবীরা এগিয়ে না আসলে,দেশ খুব একটা আগাবে না।

    নিকট অতীতে এমনই গল্পের মতই তো সব।
    মজা পেলাম অবশ্য।

  3. এটা একটি জোকস মনে হয় তাইনা ভাইয়া? পড়েছি কোথাও হয়তো। আমার কাছে উল্টোটা মনে হয়, এদের মেমোরিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়। ভালো কর্ম করা সহজ। বদ কর্মের বুদ্ধি এবং করা দুইটাই কঠিন।

    1. দেশের বিভিন্ন ইস্যুতে আমাদের মাননীয় সম্মানিত মন্ত্রী মহাদয়দের মন্তব্য শুনলা তো মনে হয় না তাঁরা মাথার ব্যবহার যথাযথ ভাবে করেন ।

মন্তব্য করুন