বুকের ভিতরের ঐ রক্তলাল
হৃদপিণ্ড
টেনে ছিঁড়ে এনে আমি
স্নান করব
ঐ ফিনকী দিয়ে ছুটে আসা
রক্তের ধারায়…
নিঃশব্দের বিষাক্ত
সাদাটে ছোবলে
কুঁচকে ছোট করে দেব সাড়ে তিন হাত আকৃতি;
নীলচে কালো করে মিশিয়ে
দেব পঁচা পানিতে…
হায়েনার চিৎকার আর
শেয়ালের দাঁতের আঘাতে
ঠুকরো ঠুকরো করে গোলানো
হবে নধর দেহটি,
ডুবে ডুবে ভেসে ছড়াবে;
নগ্ন ঘৃণার নাক কুঁচকানো অনুভূতি
পুরোনো পরিচিত রূপ
বিতৃষ্ণার নতুন রুপে দিবে ঘৃতাহুতি…।
আমার! ছড়ির স্বশব্দ
ভুমি-আঘাতে
কম্পিত নগরী;
ভয়ঙ্কর ছোবলের হুঙ্কারে
ত্রস্ত সাড়ে তিন হাতি;
আমার হুঙ্কারের সাথে
শেয়াল হায়েনার হেহেকারের
জয়ধ্বনি;
আমার লেলিহান লকলকে
জিহ্বায়ের ছোঁয়াতে
ভেসে আসে মৃত্যুর পরশমণি…
আমি…হুঙ্কারে; ছোবলে;
রক্তস্নানে আর
জ্বলতে থাকা চারপেয়ের
হাসিতে ধেয়ে আসা
অন্ধকারের আদিম দোসর
শাশ্বত মৃত্যুর
পদধ্বানি..
মোট পড়েছেনঃ ৭৪৪জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
পুরো কবিতা এক নিঃশ্বাসে পড়ে নিলাম, এমন গতিময় লেখা এক নিঃশ্বাসে না পড়লে কেমন জানি রিদমটা হারিয়ে যায়। স্তবকে স্তবকে প্রকম্পিত ভালোলাগা। শুভেচ্ছা সহ সম্মান জানবেন কবি এমন একটি কবিতা উপহার দেওয়ার জন্য। -{@
আমি কবি নই…
আপনার অনুভূতির সুন্দর প্রকাশ দেখে মুগ্ধ হলাম বৈকি 😀
ধন্যবাদ
জ্বলতে থাকা চারপেয়ের
হাসিতে ধেয়ে আসা
-{@ -{@ -{@ -{@
:T (y) (y) (y)
দারুন কবি
স্যালুট
-{@
আমি কবি নই, কবি হওয়ার দক্ষতা বা যোগ্যতা আমার হয়নি 🙂
ধন্যবাদ লেখায় থাকার জন্যে 🙂
শেষটা বেশি ভাল লেগেছে।
ধন্যবাদ 😀 পিশাচের হাসি উপহার দিলাম 😀
বহুদিন পর এলেন ভালো লেগেছে আপনার অনুভূতির কবিতাটি।
ধন্যবাদ মনির ভাই… 😀
একটা নুতন শব্দ শিখলাম ‘ শাচ ‘ 🙂
মূল পিশাচ, একটু রং আনতে হাইফেনের ভেতরেই রেখে দিলাম… 😛
আপনার কবিতা পড়লেই আমি ঠকঠক করি কাঁপি। শাচ শব্দের আগে একটা হাইফেন দিয়েছেন, আমি কিন্তু বুঝে গেছি ওটা পিশাচ ধ্বনি :p
শাচ শব্দের আগে হাইফেন দিয়েছি… শুন্য শুন্যালয় ও হতে পারে 😀 😛
“শূন্য হতেই শুরু আমার শুন্যতেই শেষ
শুন্যের মাঝে বসবাস আমার
নিয়ে আদি পিশাচের বেশ”