আমাদের দেশে শিক্ষিত সমাজ বলি আর বুদ্বিজিবি বলি তাঁদের নৈতিকতা ও মানবিক উন্নতি আদও হবে কি? আজ আমাদের দেশে শিক্ষিত ও বুদ্বিজিবিরা তাঁদের মতামতে অনেক বিভেদ তৈরি করেছে। আমাদের দেশের শিক্ষিত সামাজের কারজকলাপঃ
আজ আমলা, রাজনিতিবিদ, শিক্ষক, পুলিশ দেশের সব সেক্টরে ই শিক্ষিত সমাজে আজ অনৈতিক, দুর্নীতি, অবৈধ আইনের ব্যাবহার এই শিক্ষিত সমাজই করছে।
০১. দেশ পরিচালনায় তারা দুর্নীতি ।
০২. শিক্ষিত ব্যাক্তির শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতি
০৩. শিক্ষিত পিতামাতার নকল করতে সন্তানকে সহায়তা।
০৪. মানুসের বাচার জন্য খাবার নকল করে এই শিক্ষিত সমাজ।তেঁতুলের চাটনি, বরুই চাটনি, দই, মিষ্টি।
নকল প্রাণঘাতী মেডিসিন তৈরি করছেন শিক্ষিত ব্যাক্তিবর্গ।
নকল ডিম ভাঙ্গলে কুসুম ও সাদাংশ মিশে জায় আর আসল ডিম ভাঙ্গলে কুসুম ও সাদাংশ আলাদা থাকে যা দৃশ্যমান।
অবৈধভাবে তৈরি রাইস স্যালাইন। যা মানুষকে রোগমুক্ত না করে মিত্যুতে পতিত করবে।
চলচ্চিত্র দুইনাম্বারি।
আমার দেশের পা ফাটা চাষা কন দুর্নীতি ও কুকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকেনা। তারা আবাদ সোনার ফসল ফলায়, গান গায়, ঘুমায়। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেনা।
সব ধর্মের সমান বসবাস বিরাজ করে।





নকল সার্টিফিকেট 
শিক্ষিত মানুষই দুর্নিতি করে। সহজ সরল মানুশ এসব বুঝেনা।
হ্যা বস।
মুক্তি কি?
যেখানে দুর্নীতি সেখানে আমরা-আবার যেখানে আমরা সেখানেই দুর্নীতি..ব্যাপারটা এমন যে,আমরা যেন একে অপরের হয়ে গেছি…কাউকে বদলানোর ক্ষমতা আমাদের নেই,তবে নিজেকে বদলাতে পারি..নিজেকে দিয়েই শুরু করতে পারি দুর্নীতিকে না বলা..দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দেওয়া……
শিক্ষিতের রক্তে কনিকায় দুর্নীতি
কিভাবে দূর হবে?
শিক্ষিত মানুষই দূর্ণীতি করে নাকি দূর্ণীতি করতেই মানুষ শিক্ষিত হয় নাকি শিক্ষার উদ্দেশ্য ই দূর্ণীতি!! না তা হবে কেন!!! ইদানীং এসব জিনিসের জন্য মাথায় প্যাচ লাগে।
উত্তর জানিনা ভাইয়া।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া।এদেশের খেটে খাওয়া মানুষের ঘামে অসততা নেই।শিক্ষিতরাই সমাজের বড় বিষফোঁড়া হয়ে গেছে এখন।ভাল লাগলো লেখাটা…।
শিক্ষিতরাই সমাজের বড় বিষফোঁড়া হয়ে গেছে এখন।ভাল লাগলো লেখাটা…।
সহমত।
আমাদের সহজ সরল মানুষেরা দুর্নীতির উর্ধ্বে।
তারাই প্রকৃত মানুষ।
সহমত
এটাই এখন বাংলাদেশের সাধারণ চালচিত্র হয়ে গেছে।
হুম,
মরুভূমির জলদস্যু
সহমত।
ভালো পয়েন্ট ধরেছেন ভাই। (y)
(y)
লেখাটি মনে হয় আপনি সম্পুর্ন গুছিয়ে লিখতে পারেননি। আপনার বিষয়বস্তু সঠিক। শিক্ষিত মানুষরাই এমন করে থাকে।
হ্যা, আমি কোন খাতা ব্যাবহার করিনাই, অফিসের ফাকে ফাকে এই কাজ করি।
ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
এগুলোর সাথে আমরা যেন এখন নিজেকে মানিয়ে নিতে শিখেছি শ্রদ্ধেয়, চোখের সামনেই এসব ঘটছে অহরহ তবে আমাদের উদাসীনতাও কিন্তু কম না। আমরা (কেউ কেউ বাদে) এগুলোতে মাথা ঘামানোর কথা চিন্তাও করি না। খুব সুন্দর একটি বিষয় তুলে ধরেছন, অনেক ধন্যবাদ প্রিয় মজিবুর ভাইয়া।
হ্যা, এগুল এখন সমাজে অহরহ।
বিগত ১০-১৫ বছর আগে যান একজন পুলিশের সাথে মেয়ের বিয়ে দিতনা।
একজন অসৎ ফ্যামিলিতে বিয়ের সম্পর্ক করতনা।
এগুল সব উলটা হয়ে গেছে।
টাকা থাকলেই হল
আর কিছু দরকার নাই।
ভালো লিখেছেন ভাইয়া ।
ধন্যবাদ দিদি।
প্রমান সহ খুব সুন্দর রিপোর্ট করেছেন।বেশ ভাল লাগল।কখনও বুঝবে কিনা কর্তারা এ সব নকলে নিজেদের জন্যতো হুমকি।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মনির ভাই।
শিক্ষা মানুষকে বুদ্ধিমান করে তোলে, নতুন নতুন দূর্নীতির উপায় বের করা গ্রামের সহজ সরল মানুষগুলো কিভাবে পারবে?
বর্তমানে আমাদের দেশে শিক্ষার উদেশ্য যেনতেন অর্থ উপার্জন।