শেষ দৃশ্যে নাকি চুম্বন ছিল?


বড় অসময়ে যবনিকাপাত, শেষ দৃশ্যে নাকি চুম্বন ছিল।
সেই দৃশ্যটা না দেখেই দর্শক চোখ মুছে বাড়ি গেলো।
গ্রীনরুমে একেক চরিত্রের মেকাপ খুলে আসতেই
ভেতর থেকে উকি দেয় মধ্যবিত্ত শুকনো মুখ।
একটু আগেই যে মঞ্চে সম্রাট হয়ে হুঙ্কার দিলো,
এখন তার মাথায় কাঁচা বাজারের হিসেব ঘুরছে।
মুকুটহীন নাটকের সম্রাট মুঠোয় ধরা টাকার দিকে তাকায়,
আজকে পারফরমেন্স ভালো হলে কিছু বকসিস পাওয়া যেত
মেয়েটা মাছ খেতে চেয়েছিল।
মহল্লায় তখন গুঞ্জন উঠেছে,
“শেষ দৃশ্যে নাকি চুম্বন ছিল? “

মোট পড়েছেনঃ ৭৫৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৭টি মন্তব্য

  1. এ এক অন্য অভি আপু যেন। এমন লেখায় মন্তব্য আসেনা আসলে। নাটক, অভিনয় দেখে হাত তালি দেয়া মানুষ, বাহিরে এসে শুধু গুঞ্জনই যে করতে পারবে। সিটি বাজিয়ে মজা দেখবে আর আড়ালে মেকাপ বিহিন মানুষকে দেখে ঠোঁট বাঁকাবে। একজন মুকুটবিহীন সম্রাটের দৈন্যতা অসাধারণ ভাবে ফুটিয়েছেন।
    অসাধারন।

    1. ধন্যবাদ আপু, এমনই তো আমরা ভাবি। একজন সার্কাসের জোকারের কথা কেউ ভাবিনা। জোকারের মৃত্যুতেও হয়ত আমরা মজা পাবো।

  2. আমাদের বাহির আর ভেতর কত আলাদা তা যে ভেতরে উঁকি দিতে
    পেরেছে সেই শুধু দেখছে ।
    আপনি ভাল লেখেন জানি কিন্তু এ লেখাটি যে অসাধারণ বলতে ইচ্ছে করছে ।

  3. অল্প কথায় বিশাল অর্থবহ পোষ্ট।আসলে আমরা যেখান থেকে আনন্দ পাই তার ব্যাকগ্রাউনের খবর কেউ রাখি না।খুব ভাল লেগেছে আপু -{@ (y)

  4. ছবির জগতে যখন আমরা অভিনেতা তখন আমারা রাজা বাদশাহ উজির নাজির কিংবা খল চরিত্র বা কৌতুক চরিত্রের রুপ দানকারী দর্শক মনোরঞ্জন কারী যখন ই সেই সত্ত্বা থেকে বাহির হয়ে বাস্তব জগতের বুকে যখন পথ চলতে হয় তখন আমাদের আরেক সত্ত্বা। এই আনন্দ দান করতে গিয়ে নিজের জীবনের নিরানন্দ কে গোপন করে মানুষ কে কিছু সময় আনন্দ দান করা তার ভিতর এক ধরনের আলাদা তৃপ্তি আছে সেটা তারাই বুঝে যাদের রক্তের সাথে মিশে আছে অভিনয়ের নেশা।

  5. অদ্ভুত সুন্দর একটি কবিতা, আমি নির্বাক হয়ে পড়েছি কয়েকবার, বিশ্বাস করুন যতবার পড়েছি ততবার ভালো লাগার পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। এই কবিতার প্লটকে ঘিরে আপনার উপস্থাপনার কোন জুরি নেই। অন্তরের অন্তস্থল থেকে ভাল লাগা জানালাম দিদি।

  6. আপনার এমন লেখা এই প্রথম দেখলাম
    এমন লেখায় মন্তব্য করায় জড়তা এসে যায়।
    অনেক অনেক ভালো লিখেছেন আম্মা, স্যালুট আপনাকে।

মন্তব্য করুন