
শেষ সৈনিক টি তৃষ্ণায় খাখা বুক নিয়ে ক্যান্টিনটি উচুঁ করে ধরে।
খটখটে ক্যান্টিন এক ফোটা …. দুফোটা জলবিন্দু গড়িয়ে দিয়ে নীরব হয়ে যায়।
এম্বুশার রা এগিয়ে আসছে……. সংখ্যায় সাতের বেশী, খট করে বাড়ি খায় শুন্য চেম্বারে ফায়ারিং পিন।
কোমড় থেকে টেনে নেয়া রিভলবারের চেম্বার থেকে একটা কার্তুজ খুলে নিয়ে, মুঠোয় পুরে পাশে পরে থাকা সদ্য সাবেক কোম্পানি কমান্ডারের দিকে একবার তাকিয়ে বাকি পাচটি গুলিতে তিনজন এম্বুশার কে সাবেক সৈনিক বানিয়ে দেয় শেষ সৈনিকটি।
মুঠোয় ধরা কার্তুজের দিকে তাকিয়ে মনে করে জি, আইয়ের শিখানো সেই অমোঘ উচ্চার ” every bullet have a name on it….. Son ; always keep the last one written own name “
– এবং ফেলে আসা জীবনের দিকে একবার ফিরে তাকিয়ে চোখ টিপে দিয়ে সেও সাবেক সৈনিক হয়ে যায়।
মোট পড়েছেনঃ ৬৭৮জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
অনুগল্প !! দারুন হয়েছে যদিও আমি মূল চিত্রকল্প ছুতে ব্যর্থ হয়েছি তবে হ্যাঁ আজকের সেরা পাঠ আমার জন্য এই লেখাটি।
আত্মসমর্পণের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়।
যদিও সে সাহস সবার হয়না 🙂
I hate war..:(
এতটুকু লেখাতেই অনেক বলা।
ভালো লেগেছে অনেক।
পাঠ প্রতিক্রিয়া আসলে ভালোবাসা প্রভাবিত হলে এমনই হয় 😀
” every bullet have a name on it….. Son ; always keep the last one written own name ”
এটি পড়লেই গা হিম হয়ে যায় ।
ট্রিগার টেপার পর থেকে বুলেট ছুটে গিয়ে হিট করার মাঝের কয়েক মাইক্রোসেকেন্ড গোটা একটা জীবনের সমান হেলাল ভাই 🙂
গা হিম হলেও কিছু করার নাই মৃত্যু একমাত্র সত্য
আমি যুদ্ধবিরোধী মানুষ । এ সব নিতে পারি না ।
🙁 🙁
কেন এমন নিজকে হত্যা ?
সজীব
আত্মসমর্পণের চে আত্মহত্যা শ্রেয় ,পুরুষের জন্য 🙂
আবার পড়লাম , বুঝেছি এবার ।
🙂
হত্যা শুধু হত্যাকেই ডেকে আনে যুদ্ধে ।
সুন্দর লিখেছেন ।
ধন্যবাদ আদিব
প্রথমত: উপস্থাপনা সুন্দর।
দ্বিতীয়ত: কেন যুদ্ধ?
তৃতীয়ত: আত্মহত্যার চেয়ে যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যুবরন অধিকতর শ্রেয়।
প্রথম ধন্যবাদ
দ্বিতীয় সময়ের প্রয়োজনে ,ক্ষেত্রবিশেষে সভ্যতাকে আগায়ে নেয়ার জন্যই যুদ্ধ
তৃতীয় এবং আত্মসমর্পণের চে আত্মহত্যা শ্রেয় ,পুরুষের জন্য 🙂
প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষিত এবং ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, এগুলির কোন প্রয়োজনীয়তা-ই ছিলনা মোটেই। এগুলো ছিল পৃথিবীকে কব্জা করার দু’একজন উচ্চমার্গীয় পাগলের সিদ্ধান্ত।
পৃথিবীর অধিকাংশ যুদ্ধেই সভ্যতা এগোয়নি, বরং পিছিয়ে গেছে।
তাইবা কিভাবে বলি , এই দুই যুদ্ধ যত টেকনোলজি মানুষকে দিছে তার জন্য মানুষকে আরও সোয়াশ বছর অপেক্ষা করতে হতো
যুদ্ধ ও একরকম খুনই। প্রয়োজন কি এমন যুদ্ধের?
যুদ্ধ সভ্যতাকে আগায়ে নিছে ,ধংস নতুন সৃষ্টিকে জায়গা করে দেয়
আত্মহত্যা করা উচিত না।
আত্মসমর্পণ মৃত্যুর চেয়েও খা্রাপ
যুদ্ধে এসে যে আত্মসমর্পন করবে সে তো যোদ্ধা-ই হতে পারেনা। আত্মসমর্পন কেন করবে? শেষ সৈনিক হলেও যুদ্ধ করতে করতেই মারা যাওয়া উচিত।
আত্মসমর্পন অথবা আত্মহত্যা, কোনটা-ই করা একজন যোদ্ধার কাজ হতে পারেনা।
তবে যুদ্ধের বিরাট কৌশলগত কোন কারন থাকলে আলাদা কথা।
যুদ্ধ এলোমেলো করে দেয় সব কিছু
যুদ্ধ ভালো লাগেনা , যদিও তা অনিবার্য
ভালো লেগেছে খুব ।
হ্যাঁ দাদা
ধন্যবাদ 🙂
লেখার সাথে এমন ছবি দিলেন যে আতকে উঠেছি । শীতল একটা অনুভুতি এসে গ্রাস করলো আমাকে । খুব ভালো লেখা শিমুল ভাই ।
পাঠক আতকে উঠেছে 🙂
তারমানে আমি দাগ কাটতে পেরেছি আমার লেখা সার্থক 🙂
বড় কঠিন, ভাল লাগল।
থ্যাঙ্কস 🙂
একজন প্রকৃত সৈনিক কারো কাছে আত্মসমর্পন করেনা ।
ইয়েস এইটাই মেসেজ 😀
লেখককে চিনতে কষ্ট হয়েছে এক মুহূর্তের জন্য। সহজ স্বীকারোক্তি- এমন একটা দৃশ্যের কল্পনা করাও কঠিন। আর সেটাকে এভাবে ফুটীয়ে তোলা শুধু শব্দে, জানি না কেমন অনুভূতিটা।