এই ভাবে সোনার বাংলা হবে!

এই যদি হয় দেশের সরকারী ব্যাংকের অবস্থা তবে কিভাবে দেশ উন্নয়নের দিকে ধাবিত হবে? একটি ব্যাংকে একমাসের বেশি সময় ধরে নাই পে অর্ডার ফর্ম ব্যাক্তি, প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনে পে অর্ডার করতে গেলে ব্যাংক থেকে ফেরত আসতে হয় তাতে ব্যাংক ও সরকার আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডঃ। আবুল বারাকাত স্যার। জনতা ব্যাংকে পে অর্ডার করা সম্ভব না কারন পে অর্ডার ফর্ম নাই।

চাকরীর সুবাদে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে টেন্ডার জমা দেওয়ার জন্য প্রয়োজন পে অর্ডার, প্রতিষ্ঠানের নামে যেহেতু জনতা ব্যাংকে একাউন্ট সেহেতু ঐ ব্যাংক থেকেই পে অর্ডার করতে হবে। পে অর্ডার তৈরিকারী ফর্ম নাই ম্যানেজারের নিকট বলুন, গেলাম যথারীতি, তাঁর ঐ একই কথা এক্ মাস যাবত হেড অফিস পে অর্ডার ফর্ম ডেরিভারী দিতে পারছেনা।

আমি রাজনীগন্ধা সুপার মার্কেট কর্পোরেট শাখায় কাজ করতে গিয়ে এই সমস্যার সম্মুখীন হয়। সমস্যার কারনে ট্রাস্ট ব্যাংকে একাউন্ট খুলে পে অর্ডার করতে হয়।

হায় ! খোদা সোনার বাংলা কে করবে!

মোট পড়েছেনঃ ৬৪০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৬টি মন্তব্য

  1. কি যে বলেন আপনি ভাই সোনার বাংলা ঘাট পার হয়ে এখন রুপার বাংলা ঘাটে তরী এসে ভিড়েছে, সোনার বাংলা আগে ছিলো এখন ডিজিটাল বাংলা।

    1. হুম, তাইত দেখছি। নবাব সিরাজ উদ্দলার ন্যায়, বলতে হয় কার নিকট আশ্রয় নিব বাঙ্গালী আমরা, সেই ইংরেজরাই কি ভালো ছিল?
      শুধুই কি আস্ফালন।

    1. শ্রধ্বেয় খসড়া, আপনাদের অনেক অনেক অভিংগতা কিন্তু আর কতদিন মুক্তিযুদ্বের উপর ভর করে ও নামে মাত্র ঐ আদর্শ বলে চলব, বলতে পারেন? আমরা আপনাদের পরের প্রজন্ম কার আদর্শ বুকে ধারন করব? অতীতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শুধুই বই , মুখশ্রুতি কিন্তু বর্তমানে আমরা কাকে নেতা মানব ঐ মুক্তিযুদ্বের উপর নির্ভর করে?
      এই চেয়ারম্যান সাহেব কিছুদিন আগে বলেছেন ভিভি আই পিরা ও সি আই পিরা চোর। কিন্তু আমার কথা হল তিনি কি করছেন? এই প্রতিষ্ঠানের করতাব্যাক্তি হয়ে?

মন্তব্য করুন