জিসান শা ইকরাম একজন কৃষক । তাঁর নিজের জমি নাই । অন্যের জমি চাষ করেন । তিনি মুলত একজন আলু চাষী ।
আমার একজন পরিচিত শ্নেহের মানুষ আছেন , যিনি একটি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক । উনি তাঁর স্কুলের ক্লাস নাইন এর প্রশ্নপত্র এভাবে করলেন , যা হুবহু এখানে দিলাম…
T/৯ম/ব্যবসায় পরিচিতি
সময়-১৫ মিনিট পূর্নমান -১০
জিসান ইকরাম একজন কৃষক। তিনি তাঁহার বেশীর ভাগ জমিতে আলু চাষ করেন। বর্তমানে খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ভাতের বিকল্প হিসেবে আলুর কথা ভাবা হচ্ছে। সরকারও এ ব্যাপারে ব্যাপক প্রচারনায় নেমেছেন। কিন্তু সমস্যা হলো , জিসান কস্ট করে আলু চাষ করলেও এর লাভ ভোগ করে মহাজন বেপারিরা। ঋনের টাকা শোধ করার জন্য,উৎপাদিত অধিকাংশ আলু বেপারির নিকট কম দামে বিক্রয় করতে হয়। তাছারা পচে যাবার ভয় তো আছেই। মুন্সীগঞ্জ জ়েলাটি ঢাকার পাশে হওয়া সত্তেও জিসানের একার পক্ষে ট্রাক ভাড়া করে ঢাকায় আলু প্রেরন করা সম্ভব হয় না।
(ক) ” ট্রাক ভাড়া করে ঢাকায় আলু প্রেরন ” বাজারজাতকরনের কি ধরনের কাজ ? – ১
(খ) জিসান ইকরাম বাজারজাত করনের কি কি প্রতিবন্দকতার সম্মুখিন হন ? – ২
(গ) বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা সমুহ মোকাবিলায় তিনি কি করতে পারেন ? – ৩
(ঘ) ভাতের বিকল্প হিসেবে আলুর কথা ভাবার কারন কি ? ব্যাখ্যা কর। – ৪

এত দামী কামলা নিয়া কি লাভ হলো ? 🙁

আলুর বাম্পার ফলন । কিন্তু এ আনন্দ এখন কান্না 🙁

বাছাই করে বস্তায় ভড়েও শান্তি নেই । বাজারজাতই করা যাচ্ছে না 🙁

গোলা ভড়া আলু , সব পচে যাচ্ছে 🙁
লেখাটির প্রথম প্রকাশঃ
২৪ জুলাই , ২০১০ ।
অদ্ভুত শ্রদ্ধা আপনার প্রতি শিক্ষকের। নইলে স্কুলের প্রশ্ন পত্রে আপনার নাম দেয়। ব্যাপক মজা পেলাম ।
হুম , তা তো অবশ্যই । আমিও জেনে মজা পেয়েছি।
প্রশ্ন কে করেছেন জানি কিন্তু আমি । প্রথম দিন শুনে সারাক্ষন হেসেছি।
এটি তো আপনার পূরানো পোস্ট । সেটাও পড়েছি 🙂
হুম , তুমি জানো ।
শুধু আমাকে নিয়ে নয় , জামাই তরুণকে নিয়েও এমন আরো একটা প্রশ্ন পত্র করেছে । হা হা হা হা হা ।
এটি অন্য ব্লগে প্রকাশ করেছিলাম ২০১০ এ ।
হা হা হা হা হা হা হা , হা হা প গে 🙂
🙂
পুরাণ কথা মনে করিয়ে দিলেন।
ভালো আছেন তো আপনার শ্নেহের সেই শিক্ষক ?
হ্যা ভালো আছে সবাই ।
🙂 🙂 🙂 আপনাকে দেখি আর ভাবি কত শান্তি আল্লাহ্ আপনাকে দিয়েছেন।
হা হা হা হা , এতদিন পরে তোমার মেসেজ দেখলাম 😛
শান্তি সবাইকেই দেন আল্লাহ্ , শুধু চিনে নিতে হয় ।
🙂
মিস করি সুমনকে 🙁
জিসান ভাই এটি আসলেই কি সত্যি ? 🙂
হ্যা , সত্যি —
ঘটনা কি সত্যি?
হ্যা সত্যি। নাটোরের একটা স্কুলে এই প্রশ্ন প্রনয়ন করেছিল সে 🙂
সত্যিই অবাক হলাম ভাইজান!!
হা হা হা হা হা হা হা হা হা হা
এটাও দেখার বাকী ছিলো
দারুণ মজার তো!
অনেক দিন পর আপনার লেখা পড়লাম দাদা,
পড়ে অনেক ভালো লাগো,
আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা /