
পৃথিবীর একমাত্র জাতি আমরা যারা মাতৃভাষার জন্য প্রান দিয়েছি । আমরা আমাদের স্বকীয়তা রক্ষা করবো কোন ক্রমেই তা বিসর্জন দেবো না এই বোধ থেকেই সূচনা হয়েছিল মুলত বাংলাদেশ জন্মের । বাঙালী একুশে ফেব্রুয়ারি জীবন দিয়ে প্রমান করে দিয়েছিল যে আমরা পারি। কালক্রমে সেই দিবস আজ আন্তর্জাতিক মাতৃ ভাষা দিবস । বিশ্বের প্রতিটি দেশে মাতৃ ভাষা দিবস হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারি পালন করা হচ্ছে । বাঙালীর জন্য এর চেয়ে বড় সন্মান আর কি হতে পারে ।
কিন্তু এই বাংলাদেশের কিছু কুলংগার যারা ১৯৭১ সনে মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে , তারা কখনোই এই শহীদ দিবসকে তাদের নিজেদের দিবস হিসেবে মেনে নেয়নি। এরা পাকিস্থান প্রেমি , উর্দু মাতৃভাষা হলে এদের জন্য ভালো হতো । বারবার এরা ভাষা আন্দোলনের প্রতীক , বাঙ্গালীর চেতনার অংশ শহীদ মিনার কে ভেঙ্গে ফেলার চেস্টা করে । ১৯৭১ সনের ২৫ মার্চের পরপর এরা ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার গুড়িয়ে দেয়। সেই চিন্তা থেকে এই সব কুলংগার এখনো বের হয়ে আসতে পারেনি। স্বাধীনতার বিরোধী শক্তি জামাত শিবির এবং এর সহযোগী দল সমুহ এখনো চেষ্টা করে যাচ্ছে বাঙ্গালীর প্রান শহীদ মিনারকে ভেঙ্গে ফেলার।

১৯৫২ সনের ২৬ ফেব্রুয়ারী স্থাপিত প্রথম শহীদ মিনার । যেটি সকাল ১০ টায় উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন । বিকেলে তা পাক সেনা এবং পুলিশ ভেঙ্গে ফেলে ।

১৯৭১ এর ২৫ মার্চ পাক সেনারা ভেঙ্গে ফেলে বাঙ্গালীর চেতনার উৎস ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ।

২০১৩ তেও এরা থেমে নেই । জামায়াত বিএনপির ১৮ দলীয় জোট সিলেটে ভেঙ্গে ফেলেছে শহীদ মিনার ।
ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে দিনাজপুরের বীরগঞ্জে পাল্টাপুর ইউনিয়নের সনকা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গনে অবস্থিত শহীদ মিনারটি

গতকাল মধ্যরাতে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে সারাদেশের ছয়টি শহীদ মিনার
২০১৩ সনে সিলেটের শহীদ মিনারে জনতার দেয়া ফুলকে পদদলিত করে জামায়াত শিবির

এমন ভাংচুর শুধু সিমেন্ট কংক্রিট ভাঙ্গা নয় । এসব বাঙালীর প্রান হৃদয় শক্তি উচ্ছেদ করার চক্রান্ত । এসব ঘটনা প্রমান করে এসব ভাংচুরের সাথে জড়িত দল সমুহ এদেশের চেতনার সাথে একাত্ম নয় । তারা বাঙালী জাতির প্রান শক্তিকে নির্মূল করতে চায় ।
বাঙালীর অহংকার , চেতনার শক্তির প্রতীক শহীদ মিনার ভাংচুরকারী কুলংগারদের সমূলে বিনাশ করতেই হবে।

যারা এমন করে তারা এদেশের কেউ নয়
তারা মনে প্রানে এখনো পাকিস্থানী ।
এদের এদেশে থাকারও কোন অধিকার নেই ।
এই সব পাকি জারজদের বিনাশ চাই ।
এদেরকে রুখতেই হবে ।
চরম সত্যি রুখতে হবে এদের।
এদের থামানো না হলে শেষ হয়ে যাবে আমাদের অস্তিত্ব ।
অবশ্যই রুখতে হবে ।
ধন্যবাদ।মাত্র একবছর পরে জবাব দিচ্ছি :p
সহজ হবে বলে বোধ হচ্ছে না ।
চারিদিকে যা কামড়াকামড়ি তাতে আশাবাদী হতে ভঁয় হয় ।
আজকের বাংলাদেশ দেখলে আপনার কথাই সত্যি মনে হয়।এক বছর পুর্বে যা বলেছেন,তাই হচ্ছে এখন।
জঘন্য! ^:^
এখন আরো জঘন্য।
ai shob andho paki chagura ai desher keo na….eder dhikkar….shoho tibro grina…
এসব তারা প্রমাণ করেছে বর্তমানে মানুষ পুড়িয়ে।
এই সবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কই?
নেই..হবেও না…এইসব ভাংচুর নতুন নয়.
এগুলো সবকটাকে ধরে ঝোলাতে পারলে খুশি হতাম.
এরা এই দেশের কেহ না,এ দেশের সাধারণ জনতা এদের শত্রু।
ছাগু মুক্ত বাংলাদেশ চাই । (y) (y)
এটি আর সম্ভব বলে মনে হচ্ছে না।
নেটে ফটো সার্চ দিয়ে আপনার এই পোষ্ট পেলাম।
ছবি নিলাম এবং লেখাও নিলাম।
ব্লগার সজীব দেখি মন্তব্যের জবাব দেয় না 🙂
আমার সৌভাগ্য। প্রথম প্রথম মন্তব্যের জবাব দেয়া হত না জিসান ভাই :p