শিরোনাম নাই

সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক।

অল্প কিছুদিন হল, এই ব্লগে এলাম। তবে এখানে যারা আগে থেকেই ছিলেন সেই ব্লগারদের কাছ থেকে অনেক কিছুই শিখলাম। টুকটাক বাদ দিলে আমার কিছু মজার অভিজ্ঞতাও হয়েছে।  -{@
সারাক্ষণ তো আর কেউ গুরুগম্ভীর বিষয়ে চর্চা করে না। মাঝে মাঝে মজাও নিতে হয়। তো আমি যে মজার বিষয়গুলো খেয়াল করলাম সেগুলো একে একে বর্ননা করছি, কেউ যেন মাইন্ড খাইয়েন না।

১.প্রথমে আসি ইঞ্জা ভাইয়ের কথায়। তাঁর মাধ্যমেই এই ব্লগে আসা। তিনি অত্যন্ত ভদ্র একজন মানুষ। তাঁর ব্যপারে মজার কোন স্মৃতি নেই, তবে ভাই হিসেবে অনেক ভালোলাগা রয়েছে। 🙂  তিনি পরিবারের সবার ছবি দিতে অনেক পছন্দ করেন। সুন্দর গল্প লিখেন। উনার সময় যাই, আর আমাদের সময় যায়  :p
আমরা বেড়াতে যাই, উনার বেলায় “আমরা বেড়াতে যায়   :p  ”

২.এবার আসি মিষ্টি জীন পরী আপুর কাছে। দেখতে বেশ মিষ্টি, আর চেহারাটাই কেমন হাসি হাসি 😀  দেখে যেন মনে হয় সারাক্ষণ খুব হাসতে পারেন উনি। আর হাসিটাও খুব মিষ্টি। :c   উনার নাম “হাসি আপু” হলে কেমন হত?

৩.ইকরাম জিসান দাদা, বেশ ভাল মানুষ। স্মার্ট। তবে আমি ভাবছিলাম,ওনার কাছ থেকে একদিন হলেও বরিশাইল্যা ভাষা শুনতে পাব, কিন্তু একদিনও শুনলাম না  ;?

এমন কি এ ভাষায় একটা পোস্টেও পেলাম না …. যাই হোক, দাদার কাছে আরো অনুরোধ উনার ছেলেদের মায়ের ছবি যেন আমাদেরকে দেখান, এতদিনেও দেখিনি তো। অবশ্য দাদার যদি আপত্তি না থাকে।

৪. এবার আসি ছাইরাছ হেলাল ভাইয়ের প্রসঙ্গে। কে জানি তাঁর নাম দিছে, তিনি নাকি কুবিরাজ!!!  ^:^

ভুলে যাওয়া রোগের চিকিৎসার আশায় রইলাম কুবিরাজ ভাই।     \|/

৫. এবার মিস তাজ এর টার্ন :@  সে নাকি আলুভর্তা খেতে খুব ভালবাসে। তাই তারে “আলুভর্তা” বা “পটেটো ক্রীম” জাতীয় কোন নাম দেয়া যায় কিনা, তার প্রস্তাবনা পেশ করলাম। মাইন্ড খাইও না মেহেরী তাজ  (3

৬.হাহ……আগে জানতাম দার্শনিকদের ইয়া…….. লম্বা চুল দাড়ি থাকে ;?  কিন্তু আজকালকার ডিজিটাল দার্শনিকদের তো কোনটাই নাই। আরো শুনছি, তারা নাকি চায়ের মধ্যে কলা ভিজায় খায়! :p  আপনে তো সেটাও করেন না! তাইলে কেমনে কি? ইকরাম মাহমুদ ভাই?

৭. শুন্য আপু দেখতে যা কিউট…….আর কিছু কইলাম না। কেন যে ছেলে হইলাম না  (-3

৮. মৌনতা আপু আর তাঁর ছেলেদের ফটু দেখতে দেখতে এখন এমন হইছে যে ওনাদের যে কোন জায়গায় দেখলেই আমি চিইনা ফেলব  :p

৯. একজন তেলাপোকা আছে। আমি ইহা ভীষণ ডরাই, তাই চুপ মেরে থাকি, কিচ্ছু কমুনা   😮

১০. এরপর আমার বাড়ির কাছে পরম প্রতিবেশী নীহারিকা জান্নাত দিদি। ওনার কথা আর কি কমু! ওনার স্কুলে ভর্তি হমু ভাবতাছি, কিছু বানান তো শেখা হপে…..   ;?

১১. লীলা বতী দিদি আমার আইডি তৈরি করে দিয়ে কোথায় যে হারাল কে জানে? কোনদিন জাতি জানল না, ওনার কলসির ভেতর কি আছে! রহস্যই রয়ে গেল…..হাহ…..ইতিহাস…..  🙁

১২. নীলাঞ্জনা নীলা দিদিরে দেখলেই আমার সে প্রিয় গানটা মনে পড়ে….. সে প্রথম প্রেম আমার…… জানি না, ওনার জন্য এই গান কেউ গাইছে কিনা। তবে আমারে নিয়া কেউ গাইলে খুব খুশি হতাম। হাহ…. সেই চান্স তো নাই, তাই গান শুনেই মন খুশি করি।  🙂

১৩. আরো আছে মমি ভাই। মমি তো মিশরে থাকে। 😮  এইদেশে কবে প্রথম আসল, সেই ইতিহাস বরং মৌনতা রিতু দিদি বলতে পারবেন।   🙂

^:^  শর্ট মেমরীর কারণে কারো নাম বাদ পড়ে থাকলে চরি, থুক্কু সরি। মনে করাই দিলে নিত্য নতুন বৈশিষ্ট্য নিয়া হাজির হমু।   🙂

আবারো ঈদ মোবারক।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৮টি মন্তব্য

  1. খুবই মজা পেলাম পোস্ট পড়ে,
    নিয়মিত ব্লগারদের নিয়ে এমন মজার পোষ্ট সোনেলায় অনেক দিন বাদে আসলো।
    বরিশালের ভাষায় একটি পোষ্ট লিখতেই হয় তাহলে 🙂
    আর ছবি আছে ফেইসবুকে, কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার কারনে হাইড করা।

    1. আমিও অনেকদিন ধরে আশায় আছি জিসান মামার বরিশালের ভাষায় একটা পোস্টের জন্য ।

      ধন্যবাদ নীরা আপু আমিও আপনার সাথে আছি ।

  2. মজার পোষ্ট
    তবে মজার হলেও কাজটা একদম সহজ কিছু যে না তার কিছুটা ধারণা আছে পূর্ব এক অভিজ্ঞতা থেকে। সবাইকে খুশি করে লেখাটাও সম্ভব না, আবার নিজের ব্যাপারে রম্য অনেকেই সহজে নিতে পারে না। কিন্তু অন্যের উপর মজাটাকে আবার ঠিকই উপভোগ করতে চায়। সে এক দারুণ সংকট, যা কেবল এমন লেখা লিখতে গেলেই বোঝা যায়।

    শুভ কামনা
    ঈদের শুভেচ্ছা জানবেন 🙂

  3. ঈদ মোবারক সাদীয়া। খুব খুব মজা লেগেছে। এত সুন্দর করে উপস্থাপন করেছো যে কি বলবো।

    আমার স্কুলে ভর্তি করি আর না করি, বেড়ানোর দাওয়াত রইলো।

    ভালো থেকো।

  4. মনু, তুমি কইতে চাও মুই ফেসবুকে বেশি ছবি দেই :@ তোমারে খালি পাইয়া লই খাড়াও।
    মজা করলাম। দারুন লিখেছো। গতকালই পড়েছি। মমির ইতিহাস এখন খুঁজতে হবে। ভাল থেকো।

  5. মিষ্টি আপু সারাক্ষনই হাসে এটা ঠিক বলেছো।
    নীলাদি হেলাল ভাইকে কুবিরাজ বলে । আমি শুধু তেনার নামের সন্ধি বিচ্ছেদ করেছি । যদিও তেনাকে আমিও কুবিরাজ ডাকি।
    কুবি- কবি রাজ- রাজা= কুবিরাজ

    শোন আপু এই ধরনের পোষ্ট লিখতে গেলে সিনিয়রদের নাম আগে লিখতে হয়। মানে জিসান ভাই হেলালভাইর নামে আগে লিখবে।
    অনেক ভালো লিখেছো। লাভ ইউ।

    (3

    1. আপনার কথাটা খুব মনে থাকবে। এরপর লিখলে অবশ্যই সিনিয়রদের আগে রাখব। ধন্যবাদ। কুবিরাজ দাদার ইতিহাসটা জেনে ভাল লাগল। -{@

  6. আমার বুবুর আলুভর্তা প্রিয় বুঝি? তাই বলে পটেটো ক্রিম? ^:^
    ব্লগে কিন্তু একজন ভত্তাবতী আছে, জানো তো নীরা? 🙂
    দৃষ্টিশক্তি বেশ ধারালো বলেই সবাইকে নিয়ে এমন করে লিখতে পেরেছো। সবারটাই পার্ফেক্ট হইছে, শুন্য আপুর টা ছাড়া। সবই ক্যামেরার গুন, ভাগ্যিস ছেলে হও নাই। 🙂
    বরিশাইল্যা ভাষার পোস্টের জন্য আমিও জোরেসোরে দাবী জানাইয়া রাখলাম মনু। জিসান ভাই, হেলাল ভাই, মিষ্টি আপু আর নীলাদি এই চারডাই বরিশাইল্যা জানো তো? 🙂
    ব্লগের সবাইকে রোজায় ধরেছে, তোমার এই পোস্ট যেন ঈদের আনন্দ নিয়ে এলো। মজারু 🙂

    1. আপনি শুধু তাজারই বুবু? তাজারে বেশি আদর করেন? মানব না,মানি না। আমারো বুবু হতে হবে, হুমমম!
      বরিশাইল্যাদের কথা জেনে মজা লাগল! 🙂

      1. আমি তোমার আপু/আপুনি/দিভাই/বুড়ি আপু যা তোমার ভালো লাগে, হইতারি কিন্তু বুবু হইলে আমার সাড়ে সর্বোনাশ হইয়া যাইবো, সাথে সাথে তোমারও। ওর হাতের বন্দুক দেখছো? আবার অই মাইয়া ক্রিকেটও খেলে। হাতের ব্যাট নিয়া নাকি তাবড়ানিও দেয়। মাথা ফাডায়লাইলে? 🙁

মন্তব্য করুন