যে ক্ষোভ আর পুষে রাখা যায় না

রাজাকার আবদুল আলীম কুত্তার বাচ্চাটা হসপিটালে আরাম আয়েশে মরল,তাতে দেখি কিছু পাবলিক ব্যাপক খুশিতে উল্লাস করতেছে। কেন রে?একটা কারন দেখা যে কারনে উল্লাস করা যায়?

ওই ছাগলটা কি মুক্তিযোদ্ধা আনসার আলীর মত ঢাকা মেডিকেলের বারান্দায় বিনা চিকিত্সায় অসহ্য যন্ত্রনায় কাতরাতে কাতরাতে মরেছিল?
না, ও আয়েশি ঢংয়ে ভিভিআইপি কেবিনে হাসতে হাসতে মারা গেছে।

ওই ছাগলটা কি মুক্তিযোদ্ধা শাহনেওয়াজের মত না খেতে পেয়ে ক্ষুধার জ্বালায় ধুকে ধুকে মরেছিল?
না, আমাদের সরকার জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরকে না খাওয়াতে পারলেও ওই হায়েনাগুলোকে ঠিকই নিয়মিত দুধভাত খাওয়াচ্ছে।

ওই ছাগলটা কি বীরাঙ্গনা শায়লা বেগমের মত মানুষের অকথ্য অপমান সইতে না পেরে গলায় ফাঁস দিয়েছে?
না, ও বেঈমান হয়েও মাথা উঁচু করে বেঁচেছে যা আমার মায়েরা পায়নি।

ও তো সামান্য কষ্ট ও পায়নি,সামান্য অপমানিত ও হয়নি।তাহলে কেন খুশি হচ্ছেন?
আমরা তো তার এই মৃত্যু চাইনি। আমরা তো চেয়েছিলাম ওর মৃত্যু হবে নেড়ি কুকুরের মৃত্যু থেকেও খারাপ।
সেটা যখন হয়নি তবে কেন???

মোট পড়েছেনঃ ৭৮৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৫টি মন্তব্য

  1. এ দেশ যত রাজাকার আর আলবদরের অভয়ারণ্য।এদেশে দেশপ্রেম দেখানো মানে আপনি নিশ্চিত রাষ্ট্রোদোহীর মামলায় পড়বেন।এ দেশ তৈলের দেশ যার মাথায় তৈলে ভরপুর সেই নিরাপদ ক্ষমতাশালী।মিছে আফসোস করে লাভ নেই কথায় আছে না মার চেয়ে মাসির দরদ বেশী।স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি ক্ষমতায় আরতো কেউ নেই এ সব দেখবার যিনি বুঝেন মুক্তযুদ্ধের আত্ত্বত্যাগ সেই সরকারইতো ওদের আরাম আয়াসে রাখছেন…তবে বলতে পারেন আইনে আছে….গুল্লি মারিস না কেনো এমন আইনের পরিবর্তন করতেতো আর ভোট লাগবে না। -{@ (y)

  2. আপুমনি, কার দরজায় গিয়ে একজন মুক্তিযোদ্বা নেবে বলতে পারেন। মুক্তিজুদ্বের সমর্থকের জ্বালা আওয়ামিলীগের না। বরতমানে আওয়ামিলীগ বড় রাজাকার লিখতে আত্ত্বা কাদে কিন্তু কার নিকট প্রতিকার চাব?
    আওয়ামিলীগ ঘরানার মানুষ হিসেবে খুব কষ্ট হয়।

  3. এ ক্ষোভের সীমা পরিসীমা নেই ।
    আমাদের আবেগকে নিয়ে খেলা করা হচ্ছে।
    অবস্থা এমন যে মুক্তিযুদ্ধ একটি ভুল যুদ্ধ ছিলো।
    ভবিষ্যত প্রজন্ম লিখে না ফেলে ‘ আমি একজন মহান রাজাকার হতে চাই’

    ধন্যবাদ এমন লেখা দেয়ার জন্য।

মন্তব্য করুন