এখন রাতের দ্বী-প্রহর।
আজ শিশিরের টুপটাপ শব্দ নেই
দূরে কাছে শিশুর কান্না নেই
কুকুরের অকারণ চিৎকার নেই
অ্যাকুরিয়ামের মাছগুলোও স্থির।
শুধু
প্রচন্ড মায়া নিয়ে তাকিয়ে আছে মস্ত বড় চাঁদ
হঠাৎ হঠাৎ আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে কাছে দূরের কোনো কোকিল জোড়া
জানান দিচ্ছে, এটা ভরা বসন্ত
পাখায় পাখায় প্রেম
এ তাদের প্রজনন মৌসুম।
প্রচন্ড আবেগে, প্রচন্ড প্রেমাবেগে
বাসন্তী উঠনে বসন্ত আসার ঠিক আগেই নীলের সমস্ত অস্তিত্বজুড়ে ঝরে গেলো কিছু বাসন্তী বৃষ্টিধারা।
টিপটিপ বরষায় মৃদু পায়ে হেঁটে যাওয়া, অপলোক দৃষ্টি, পূর্ণাঙ্গ অধিকার
পুরো এক জীবনের বসন্তের আগমন
ভালবাসার সকল উদাত্ত আহ্বান
সন্ধ্যার সে বাসর ঐ মেঘ-মেদুর সজলমেঘের শ্যামছায়ার স্নিগ্ধ গোধূলি।
মোট পড়েছেনঃ ১,০৮০জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
দুপুর রাতেও কবি দেখছি কোকিল শুনতে পাচ্ছেন!!
বসন্ত প্রচণ্ড প্রতাপে জাঁকিয়ে-দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, বুঝতে পারছি!
একটু স্থির হয়ে বসন্তকে নিয়ে হাসুন বা কাঁদুন,
তাহলে বসন্ত বাসন্তী রঙে স্থায়ী ঠাই গেড়ে বসে যেতে পারে।
সত্যি! সরারাত প্রায় কোকিল ডাকতে থাকে গুরুজী।
এখানে প্রচুর ঘুঘুও আছে।
বসন্ত বিলাস আসলে আমার জন্য না।
দোয়া করিয়েন গুরুজি
সেকি! আমার মন্তব্য আপনি করে ফেললে তো হবেনা 🙁 🙁 @ছাইরাছ হেলাল
@রিতু জাহান
পুরো এক জীবনের বসন্ত আসন গেড়ে বসলে কোকিলেও মধ্যরাতে ডাকবে আর রাত কেটে কখন গোধূলি আসলো তাও ঠাওর করা যাইবে না।
বসন্ত আমার কোন দিক দিয়ে আসে, কোন দিক দিয়ে কিছুই বুঝতারিনা, তাই এত্তো ভালোবাসা সহ্য হচ্ছেনা। 🙁
বাই দ্যা ওয়ে, ইমো গুলো কি সোনেলা থেকে ভ্যানিশ করে দেয়া হয়েছে?
কে যে কার মন্তব্য কোথায় কখন করে বসে কে তা জানে!!
থেকে থেকে ডেকে উঠলে আমি কি করতাম বলো!
রাত কেটে গোধূলি আসে, গোধূলির চোখ ফাঁকি দিয়েই তবে রাতে ডেকে ওঠে।
ভালবাসা নিও।
সেটাই তো দেখছি গুরুজি।
মন্তব্যেরও বসন্ত সেজেছে।
সত্যি এবারের বসন্তের কিছুই বুঝতেছিনা। এক দিনও কোকিলের ডাক শুনতে পেলামনা আপু। আর শীত যেন যেতেই চাইছেনা। লেপ কম্বল গায়ে জড়ানো লাগছে। এখন আবার বৃষ্টিও হচ্ছে দেশের অনেক জায়গায়। এ কেমন বসন্ত!!
সত্যিই, হঠাৎ ঠান্ডা যেনো জেঁকে বসেছে। গতকাল সৈয়দপুরে খুব ঠান্ডা লেগেছে।
কোকিল, ঘুঘু এখানে বেশিই দেখলাম। বেশ লাগে এ পরিবেশটা।
বসন্ত সবার জন্য বসন্ত হয়েই আসুক,
প্রবল বেগেই।
এবার সোনেলায় বসন্ত নিয়ে সবচেয়ে বেশি লেখা এসেছে,
এবার সোনেলার উঠোন বসন্তের রঙে বেশ রঙ্গিন।
দু:খ আমার বসন্ত নিয়ে কোন লেখা আমার মাথায় এলো না কেন? সব যে আপনারাই লিখে ফেলেছেন এজন্য অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে লিখতে হল না আমায়। অসম্ভব সুন্দর হয়েছে বাসন্ত কবিতা।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই। সাথে থাকুন। সোনেলার উঠোন এখন সবার পদচারনায় পরিপূর্ণ।
শুনেছি কবিরা নাকি জোৎস্না রাতে জেগে জেগে চাঁদের সাথে হেসে খেলে চাঁদ নিয়ে অনেককিছু লিখে ফেলতো। আপনার কেখা পড়ে এমনই মনে হচ্ছে যে, আপনিও তাদের মধ্যে একজন সেই রাত জাগা কবি।
শুভকামনা আপনার জন্য সবসময়।
রাত জাগি না আসলে। লাইব্রেরি রুমে পড়তে বসলে বেশ পাখির সাড়াশব্দ পাওয়া যায়।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
রাতে কোকিল ডাকে ! তাও আবার জোড়ায় ! কতো কিছু দেখো তুমি নীলকুরীঞ্জি ? অবশ্য বসন্তকাল বলে কথা, দিন আর রাতে কি আসে যায়। লেখায় বসন্ত থাকবে আর কোকিল ডাকবে না এটা মেনে নেয়া অসম্ভব।
কবিতায় রোমান্টিক রোমাঞ্চকর ভাব পেলাম।
বৃষ্টি ধোয়া জোছনায় যদি মরনও আসে তবুও আফসোস থাকবেনা।
ভালোবাসা ❤❤
সত্যিই তাই। তখন মরণ আসলেও আফসোস থাকবে না। তবু যে বাঁচতে চাই।
ভালবাসা নিও। লেখা দেও।
আহা! কি নিঁখুত একরাশ নির্ভেজাল অনুভূতি।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই। শুভকামনা রইলো।
দারুণ হইছে আপু।অকাল বৃষ্টিতে বসন্ত দৌড়ায়।
আসলেই তাই। অকাল বৃষ্টিতে বসন্ত দৌড়ায়।
” ও যে মানেনা না মানা…… “বসন্তের কোকিলের আবার কি রাত আর কি দিন? আহারে…. কতদিন শুনিনা কোকিলের ডাক!! বেরসিক বৃষ্টি ভুলিয়েই দিয়ে ছাড়লো এখনো ফাগুন যায়নি!! একান্ত অনুভূতি ভীষণ ভালো লাগলো।
আমার এখানে চলে আসুন শুনতে পাবেন। এ এক অন্যরকম পরিবেশ।
বেরসিক বৃষ্টি। মন বোঝে না।
শুভকামনা রইলো।