বাঁশ

হায়রে লম্বু বাঁশ
তুই করলি সর্বনাশ!
তুর আছে অনেক গুণ
যেন পান্তা ভাতে নুন।
রডের বদলে দালানে লুকালি
ভাংলি আমার দিল।
শেষমেষ তুই নিজের পেঠেই
হান্দাইলি ফেন্সিডিল…???

চাটিগাঁ থেকে বাহার

বাঁশের অনেক গুণ
বাঁশের অনেক গুণ
মোট পড়েছেনঃ ১০৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. জীবনেও বাঁশ, মরনেও বাঁশ। বাঁশ গ্রামীণ মানুষের নিত্য দিনের সঙ্গী। মানুষের জীবনের শেষ যাত্রার শেষ উপকরণটির নাম হল বাঁশ। একসময় মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে ধাইয়েরা নবজাতকের নাড়ি কাটতেন ব্লেডের পরিবর্তে বাঁশের সিলকা দিয়ে তারপর শিশুকে বাঁশের দোলনায় শুয়ানো হয়। সেই দোলনা থেকে মরণ কালে লাশ কবরে রাখার পর, দুনিয়ার জীবনের শেষ ছাদখানা নির্মিত হয় বাঁশ দিয়ে। চিতায় লাশ জ্বালানোর সময়, তাড়াতাড়ি ছহি সালামতে লাশকে ছাই বানাতে বাঁশের বিকল্প নাই। বেওয়ারিশ ও দুর্ঘটনায় লাশের শেষ বস্ত্র হয় বাঁশের তৈরি চাটাই। মানুষের জীবনে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত বাঁশ প্রয়োজন। পুরুষ শিশুকে খাতনা করাতেও বাঁশের ব্যবহার করা হয়। হাজামরা বাঁশের ছিলকা দিয়েই লিঙ্গের অনাবশ্যক ত্বক কর্তন করেন। দালান-কোঠা, যেখানেই মারা যান না কেন, শেষ আশ্রয় বাঁশের ঘরে। বাঁশের খাটে করেই মৃত লাশকে গোরস্তানে নেয়া হয়। তারপর কবরে লাশ শুইয়ে মাটি চাপা দেওয়ার আগে বাঁশের টুকরা আড়াআড়ি করে দেওয়া হয়। তার ওপর বিছানো হয় চাটাই। সেটা চাটাইও বাঁশের তৈরি। তারপর যে কোদাল দিয়ে মাটি চাপা দেয়া হয় সেটাও বাঁশের তৈরি। এখানেই শেষ নয়। লাশ নিয়ে যাতে শিয়াল টানাটানি করতে না পারে সে জন্য দেয়া হয় বাঁশের বেড়া।

  2. বাঁশের ব্যবহার বিস্তৃতি লাভ করেছে। এ বিরাট এক আনন্দের খবর। নাহলে এই বাঁশ কোথায় ব্যবহার করতাম আমরা?
    আমরা গর্বিত জাতী যে বাঁশের এমন বহুমুখী ব্যবহার শুধুমাত্র আমরাই করতে পেরেছি।

    1. বাঁশের অনেক গুণ
      তারচে বেশী গুণী হচ্ছে বাঁশের এই বহুমুখী ব্যবহার কারীরা
      আমাদের দেশটা গুণীতে গুণীতে ভরপুর।
      ধন্যবাদ আপনাকে। -{@

মন্তব্য করুন