পৌষ এসেই গেলো

বাঁশবনে মেটোপথে কুয়াশার চাদর মুড়িয়ে
পৌষ আনাগোনার প্রস্তুতিপর্বে,
লেপ-কাঁথা-কম্বল শুকানোর পায়তারা
আনাচেকানাচে রৌদ্রতাপে মাঠেঘাটে।

উত্তর বাতাসে কাঠগোলাপের ঘ্রাণে
দিগন্তবৃত্তে প্রস্ফুটিত সোনালি ধানের ছড়ায়;
মাকড়শাজালে মুক্তোদানার রুপে
ঝলমলিয়ে ওঠে শিশিরবিন্দু লোলুপ মায়ায়।

স্পর্শে অনুভবের শীতল পরশে
বিরহী সাম্পানওয়ালার হাতছানি ডাকে,
মনেপ্রাণে বেজে ওঠা হেমন্তসঙ্গীতে
সিঁদুররাঙা রাঁধাচূরা দোলখেলে বাতাসে।

আলতোপায়ে সিক্ত ঘাসের আলবেয়ে
অনন্তকালের সাক্ষী বটবৃক্ষের ছায়াতলে,
ক্ষণিকের বিশ্রামে গালগপ্পে বয়ে যাওয়া সময়ে-
এইতো এসেই গেলো পৌষ পৌষালি রুপে।

মোট পড়েছেনঃ ৮৪৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

  1. পৌষ এসে গেলো! বাতাসে, মিষ্টি রোদ আর শিশির বিন্দু বুঝিয়ে দিচ্ছে। আলতো পায়ে হেঁটে হালকা শীতের আমেজ শিরশিরে ছোঁয়ায় বুঝিয়ে দেয়।
    শীত প্রিয় ঋতু। এ সময়ের টাটকা সবজি। দারুণ মজাদার। আর একটু আয়েশি সকালের ঘুম। ওটাও বা কম কিসে?
    পৌষালি শুভেচ্ছা

  2. আপনার লেখা পড়ে মনে হল ভাইয়া পৌষ এসে গেল। আর শীতে লেপ কাঁথা শুকানোর কথা মনে পড়ে বেঁচারী রুকু আপুর কাপড় ধোয়ার কথা মনে পরে গেল। আর কাঠগোলাপ খুব প্রিয় ফুল। ভালো থাকবেন। শুভকামনা।

  3. স্পর্শে অনুভবের শীতল পরশে
    বিরহী সাম্পানওয়ালার হাতছানি ডাকে,
    মনেপ্রাণে বেজে ওঠা হেমন্তসঙ্গীতে
    সিঁদুররাঙা রাঁধাচূরা দোলখেলে বাতাসে।
    অগ্রহায়ণ তারপর পৌষ।
    কিন্তু আপনার কবিতা জুড়ে পৌষের আনাগোনা।
    খুবি ভালো লাগলো,দাদা।

    1. কবিতা লেখেন কবিরা। আমি কবি নই ভাইজান। তাই একান্ত অনুভূতিতে নিজের মনের কথা বলতে ভালোলাগে আমার।

      আর আপনারা যখন মন্তব্য করেন তখন উৎসাহ পাই অনেক বেশি।

      ভালো থাকুন ভাই।

  4. শীত টের পাচ্ছি দুদিন ধরে। কিন্তু আপনার কবিতা পড়ে শীতের কাঁথা মুড়ি দিতে হবে। কাব্যে, শব্দচয়নে আপনার কবিতাগুলো অসম্ভব মাধুর্যমন্ডিত হয়। শীত আমার ভীষণ প্রিয় ঋতু নানান সবজি, ঘুম আর ঘোরাঘুরির জন্য। ভালো থাকবেন সবসময় শুভ কামনা অবিরত

  5. শীতকালে খেজুরে রস দিয়ে পিন্নিটা বিষণ মিস করি। খেজুরের রস চুরি করে আনে পিন্নি পাকানো টা বিষণ আনন্দের ছিলো।

মন্তব্য করুন