এম এ আর দেয়া হল না । সাথে একটা বাচ্চা সেটা নিয়ে মা আর থাকতে দিল না । ছোটো ছোটো ব্যাপার গুলোকে বড় করে রং রস লাগিয়ে পরিবারে পলিটিক্স আরম্ভ হয়।
নির্মলা তার টার্গেট । উদ্দেশ্য সে যেন চলে যায় । বুঝতে বাকি থাকেনা পেছনের কারন।
বিয়ের আগের বাবা/মা আর বিয়ে পরে বাবামা আগের মতো আর হয় না।
যেমন করে হোস্টেল এর ফুড চার্জ বন্ধ হয়ে ছিল মার কাছ থেকে তেমন করে পড়তে এসে সেটা ও হলো না । নির্মলা কে পিছিয়ে রাখতে পারি নি মা। ভাইটির বেলায় তা কিন্তু হয় না।
নির্মলার বাবা অনেক সম্পত্তির মালিক ,কিন্তু তা পুত্র দের জন্য ।
বিদেশে এসে শুরু করলো পড়াশুনা । সে এখন নিজেকে যে স্কিল দিয়ে , অভিজ্ঞতা দিয়ে, পড়াশুনা করে গোড়ে ই তুলে নি সে লাইনে চাকুরী করে দেখিয়ে দিয়েছে তোমরা সুযোগ করে না দিলেও নির্মলা তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পেরেছে।
এই ছিল নির্মলার ব্রত ।
নিভৃতে ,সাধারন ভাবে এবং অনেকটা মূল্য হীন ভাবে বেড়ে উঠে নির্মলা।
নির্মলা মূল্য হীন এ জন্যই কারন সে একজন মেয়ে। এই সমাজে মেয়ে মানেই তাকে সম্মুখীন হতে হবে তার সম্মান কম, তার মূল্য সমকক্ষ নয় তার ভাইটির মতো।
সেই ভাবে বড় হতে হয় একজন মেয়ে কে। প্রথমে পরিবারে, তারপর সমাজে এবং দেশে।
একটা পুরুষ যে সম্মান ,সুযোগ, সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা পায় একজন নারী সব কিছুতেই পুরুষের মতো পায় না।
পৈত্রিক সম্পত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে পুত্রের সমান না পাওয়ার জন্য সে অধিকার হারায় সম অধিকারে ।
শ্বশুর বাড়িতে মেয়েটির যোগ্যতার ,শিক্ষার কোনও মূল্য নাই । হয়তো সে নিজ স্বামীটির তুলনাই বেশি রেজাল্ট ভালো তবুও তাদের ছেলের দাম কিন্তু ছেলের বউ এর দাম নাই ।
নির্মলা যেই বিদেশে এসে নিজ যোগ্যতায় চাকুরী জোগাড় করে তখন সেই নির্মলার কাছ থেকেই কি শ্বশুর বাড়ি, কি মার পরিবার অর্থ সাহায্য চাইতে থাকে ।
এই রকম গল্প এখানে অনেক পাওয়া যাবে। যে মেয়ে পরিবারে বড় হয় মূল্য হীন ভাবে সেই মেয়েটি যেই টাকা কামাতে থাকবে তখন তার কাছ থেকেই টাকা আশা করতে থাকে ।
তখন মুখ থেকে বের হয় “ছেলে মেয়ে দুই জনেই ভালো” । কিন্তু আগে ছিল ছেলে হলেই ভালো ,মেয়ে নয় “মাটি”