তোমাকে আগেও দেখেছি কতো
ভীষণ অচেনা ছিলে তখন
অচেনা বলে এড়িয়ে গিয়েছি কতো যুগ
তুমি নিরাশ হওনি তবুও, একফোঁটাও
ফিরে ফিরে এসেছো কেবলই আমার দ্বারে
অতঃপর, কিসে কেমন করে কি হলো ?
হঠাৎ একদিন যখন আকাশের খররৌদ্র নিস্তেজ হয়ে পড়েছিলো
গোধূলির রক্তিম আভা ছড়িয়ে সন্ধ্যার আকাশে চাঁদের আবির্ভাব
চেয়ে দেখি আকাশ ভরা অনন্ত নক্ষত্রবীথি
ওখানেই আবিষ্কার করি স্নিগ্ধ হাসি খেলে যাওয়া মায়াময় মুখখানি
মনে হলো যেন তাকে যুগ যুগ ধরে চিনি, জন্মজন্মান্তর ধরে চিনি।
অতঃপর, একাকী হেঁটে চলি চাঁদের দিকে
চোখে মুখে বিন্দু বিন্দু স্বপ্ন নিয়ে
নিঃশ্বাসের সাথে, বিশ্বাসের সাথে
তোমার খুব কাছে, একেবারে গায়ে গা ঘেঁসে
কোন এক নৈঃশব্দ্যের দিকে
তোমাতে আচ্ছন্ন হয়ে।
মোট পড়েছেনঃ ১৬৭জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
চমৎকার কবিতা আপু।
খুব ভালো লাগলো।
ভাল থাকুন… সঙ্গে থাকার জন্যে ধন্যবাদ
চলুক এ পথচলা আচ্ছন্ন হয়েই ।
সুন্দর হয়েছে লেখাটি ।
মন্তব্যে অনুপ্রানিত হলাম… -{@
খুব সুন্দর , কোমল , মায়াময় ।
এভাবেই থাকুক আচ্ছন্ন হয়ে ।
সুন্দর মন্তব্যে আচ্ছন্ন হলাম… ভাইয়া :p
(y)
ভাল থাকুন… ধন্যবাদ
খুব ভালো লেগেছে আপু । (y) -{@
ভাল থাকুন… সবসময়
নিরাশ হয়নি বলেই কারো আচ্ছন্নতা পেয়েছে হয়ত ।
অনেকদিন পর এসে আপনার লেখা পড়ে আনন্দ লাগল ।
সবার ভালোলাগা আছে বলেই না লিখার আগ্রহ পাই…
খুব সুন্দর আপু… তীব্র ভালোবাসার টান উপেক্ষা করা কিন্তু খুব কঠিন…
জয় হোক চন্দ্রগমন …
ধন্যবাদ … অশেষ
চমৎকার হয়েছে… 🙂
“অতঃপর, একাকী হেঁটে চলি চাঁদের দিকে
চোখে মুখে বিন্দু বিন্দু স্বপ্ন নিয়ে
নিঃশ্বাসের সাথে, বিশ্বাসের সাথে
তোমার খুব কাছে, একেবারে গায়ে গা ঘেঁসে
কোন এক নৈঃশব্দ্যের দিকে
তোমাতে আচ্ছন্ন হয়ে।”
এই চরণগুল বেশিই ভালো লেগেছে আমার কাছে।
চমৎকার থাকুন…
একাকী হেঁটে চলি চাঁদের দিকে
চোখে মুখে বিন্দু বিন্দু স্বপ্ন নিয়ে
নিঃশ্বাসের সাথে, বিশ্বাসের সাথে
তোমার খুব কাছে, একেবারে গায়ে গা ঘেঁসে
কোন এক নৈঃশব্দ্যের দিকে
তোমাতে আচ্ছন্ন হয়ে।
ভালো লেগেছে (y) (y)
শুভকামনা রইলো … -{@