কিছুই লিখতে পারলাম না আজকের দিনটিতে——
তাই সংরক্ষিত পুরোনো একটা লিখাই আমার সোনেলা’র বন্ধুদের জন্য দিলাম——-
গণ জাগরন…..
জাতীয় চেতনার প্রতীক!
গণ-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক!
অহিংস আন্দোলনের প্রতীক!
ঘুমন্ত চেতনাকে জাগিয়ে তুলা এক বাশিঁ!
ছাই-চাপা আগুনে অঙ্গার হওয়া বীরাঙ্গনার মুখের হাসি।
বীর জনতার অহংকারকে গলা চেপে ধরা এক শ্বাপদের ফাঁসি।
”জয় বাঙলা” কে ফিরিযে আনা এক আগুনের নাম!
রাজাকারদের বিনাশ চাওয়া এক প্রতিবাদের নাম!
মুখোশধারীদের মুখোশ খুলে ফেলা এক আন্দোলনের নাম।
জয় বাঙলা….
মোট পড়েছেনঃ ১,৬৯৫জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
গণ জাগরন শব্দটি দেখলে ভালো লাগে।
শুধু আমাদের জেগে ওঠা দেখতে পাই না।
ভালোলাগা থেকেই ভালবাসার জন্ম, তাই ভালবাসাকে বাঁচিয়ে রাখতে গেলে জাগরনের কাজটা আমাদের নিজেদের মতো করেই চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
সবই এখন স্মৃতি।
কত সম্ভাবনা হয়ে এসেছিলো এই জাগরন ………
আমরা কি সেই স্মৃতিকে আগলে রেখে এগিয়ে যেতে পারিনা কাঙ্ক্ষিত সম্ভাবনার দুয়ারে?
কোথায় হারালো গণ জাগরন?—
হারিয়ে যায়নি। আমরা হারাতে দেবো না।
এখন আমাদের দায়িত্ব জাগরনের কাজ চালিয়ে যাওয়া, যে যেভাবে পারি।
আপু,সেইসব দিনগুলো কি আর ফিরবে না কখনোই? 🙁
রাজনীতির নোংরামিতে পড়ে সাময়িক খেই হারিয়েছে হয়তো, কিন্তু এর স্পিরিট দীর্ঘস্থায়ি।
এ আমার বিশ্বাস।
হয়তো এখনই নয়, তবে এর সুফল একদিন আসবেই।
ওদের উপযুক্ত বিচার কি কোন দিন হবেনা?
ভাবতে গেলে কষ্ট হয়।
তবুও বলবো হাল ছেড়োনা বন্ধু বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে।
জনতার সংগ্রাম চলবেই।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, জনতার সংগ্রাম চলবেই।
একটি সময়ে ছিলো,এখন সবই স্মৃতি আপু।কষ্ট হয় এমন একটি জাগরনের থমকে যাওয়া দেখে।
এই জাগরন মিথ্যে হতে পারে না। হয়তো সাময়িক থমকে গেছে।
আমজনতার মননে যে জাগরন তৈরী হয়েছে, ফল একদিন আসবেই।