অভিমানী পারিজাত।

১.
যদি বলো বিষন্ন এর প্রতীক এ মুখচ্ছবি
তবে,
শিউলির দিকে ফিরে দেখ অপলোক।
সেখানে স্বর্গের শোভা মিশ্রিত পারিজাতিকার আলেখ্য এক প্রেম লুকানো।
যা চির অভিমানে রুণিনীর বাগানে ফুটে ওঠে সুগন্ধ ছড়ায়
সূর্যের জন্য প্রেমে অপ্রেমে।
২.
তোমার মিথ্যে অপেক্ষার একটি পথ ধরে হেঁটে গেছি যতোবার
তোমার কথায় কথার ছলে খেই হারিয়েছি ততোবার।
এ কাজ ও কাজ কতো কতো কাজ!
সশস্ত্র সব পাহারাদার তোমার দাঁড়িয়ে থাকে ঠায়।
আমার পথের সে সময়, পথেই চলে যায়।
মিথ্যে সে প্রতিশ্রুতির অপেক্ষায় ঠায় দাঁড়িয়ে থাকা এ পা
আজ ক্লান্ত, বড় ক্লান্ত।
এ মিথ্যে প্রতিশ্রুতির আড়ালে লুকানো চরম অবহেলা
শিশিরকণার মতো খসে পড়ে।
অথচ সেখানে আমি এক নীল আকাশ ও নীল সমুদ্র সমান ভালবাসা খুঁজি।
৩.
ভূমি পথ মেলে ধরে পরম যত্নে পথ চলার
পাহাড়ি ঝরনার সাথে নদীর জলের এই যে প্রেম
এ প্রেমে চলার পথ তো এখানেই উন্মুক্ত
আগলে রাখি শুধু আমি তা ঘাট বেঁধে।

,,রিতু,, কুড়িগ্রাম
৪.১২.১৮.

মোট পড়েছেনঃ ৭০০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২২টি মন্তব্য

  1. তিন নম্বরটির জন্যে একশত ❤ দেওয়া জরুরি হয়ে পরলো।এতো সুন্দর করে ভাবনা গুলো প্রকাশ কিভাবে করেন খুব জানতে ইচ্ছে করে ঋতু আপু।

    ইদানিং খুব অভিমানী হয়ে পরছেন।অভিমান গুলোকে কিছুদিনের জন্যে ঘুম পাড়িয়ে রাখুন।আসুন কিছুক্ষন বসে গল্প করি।কথা গুলো উড়িয়ে দেই আকাশ ফুঁড়া হাসিতে।❤❤

      1. যার মনে যত অভিমান থাকে তার হৃদয় অনুরাগে ভরপুর হয়।গোলাপ যেমন কাঁটার মাঝে জড়িয়ে থাকে তেমনি অনুরাগী হৃদয়টাও অভিমানের আচ্ছাদিত হয়ে থাকে। তাই বলেই গোলাপ তার সৌরভ লুকাতে পারে?? আপনিও পারেন না নিজের অভিমান দিয়ে অনুরাগী অন্তরটিকে ঢেকে রাখতে।আপনার প্রতিটি লেখাতে সেই হৃদয় টি অবমুক্ত হয়ে পড়ে বারবার।

        নিরন্তর ভালোবাসা আপনাকে ❤💙💚💛💜

      2. অভিমানী মন শুধু নিজে পুড়ে মরে আপু। নিজেকে গুটিয়ে রাখা ও নিজেকে শাস্তি দেয়া আর কি।
        তুমি আর একটা কবিতার জন্ম দিলে। এখনি লিখে ফেলছি। ভালবাসা নিও। (3 -{@

  2. ভূমি পথ মেলে ধরে পরম যত্নে পথ চলার
    পাহাড়ি ঝরনার সাথে নদীর জলের এই যে প্রেম
    এ প্রেমে চলার পথ তো এখানেই উন্মুক্ত
    আগলে রাখি শুধু আমি তা ঘাট বেঁধে। (y) -{@

    মাটির মানুষের কথা।

  3. রুক্সিণীর বাগান হবার কথা, নয় কি আপু?

    মুঠোয় ভরে এনেছি অহঙ্কারী অভিমান
    তোমার সাধ্য কি একে কেড়ে নেবার?—-

    আপু অভিমান-ই হোক শক্তির প্রতীক।
    দারুণ লিখেছো প্রতিটি অণুকাব্য।

    1. হুম আপু রাণী সত্যভমা ও রুক্সিণীর বাগান। কিন্তু আমার কাছে যে কাহিনীটা আছে ওটাতে রাণী রুণিনীর কথা লেখা।
      কাহিনীটা পড়েছো?
      চমৎকার না কাহিনীগুলো?
      ভালবাসা নিও আপু।

      1. এই গল্পটা পড়িনি। শুনেছিলাম। ছোটবেলায় গল্পের আসরে। সকালে শিউলি ফুল কুড়িয়ে মালা গাঁথতাম। তাছাড়া
        “ওলো শেফালি, ওলো শেফালি,
        আমার সবুজ পাতার প্রদোষে তুই জ্বালিস দীপালি।” এ গানটার সাথে নাচতামও। শিউলি পছন্দের ছিলো, তাই গল্পটা বলেছিলো বরিশালের মা (দিদিমা)।

  4. কেটেছে অজস্র সময় ভেবে কী লিখব
    কী বা লেখা সম্ভব , পড়ন্ত বেলার বেলা অবেলায়!!
    গুট –গুট করে হুট-হুটিয়ে কিছু একটা লিখে ফেলা যায় না
    এমন-ও-না, কোনটা রেখে কোনটা লিখব থেকে যায় সে ভাবনা;
    আস্ত-মস্ত!! পুরো একখানা ফাঁদবো কী না তাও ভাবি
    ভাবতে ভাবতে লিখেও ফেলি, দিয়ে দেব কীনা তাও ভাবতে বসি,
    ভাবি আরা ভাবি!!
    সেথায় যে ব্যস্ততার তড়িঘড়ি, বাঁধা-চোখের কানামাছি,
    এই আছি, এই হারাচ্ছি;

    1. ব্যস্ততা তড়িঘড়ি তো আছেই। পুরো মস্তিষ্ক জুড়ে শুধু চাপ। পারব তো! নিজেকে নিজের এই প্রশ্নে জর্জরিত হই প্রতিনিয়ত। সময় বেঁধে রেখেছে আমাকে সময়ের নিয়মে।
      ধন্যবাদ গুরুজি। এ কবিতা কিন্তু আপনাকে কপি করেই লেখা।

    1. আসলেই বার বার হোঁচট খায় আপু। কেনো জানো? কারণ, হাতের তালু দিয়ে ঠ্যাস দিয়ে উঠে দাঁড়ানোর ক্ষমতা আছে বলেই।
      ভালবাসা নিও আপু। ভালো থেকো আপু। ভালবাসা নিও।

  5. তোমার মিথ্যে অপেক্ষার একটি পথ ধরে হেঁটে গেছি যতোবার
    তোমার কথায় কথার ছলে খেই হারিয়েছি ততোবার।

    চমৎকার লিখেছেন আপু।

মন্তব্য করুন